ঘুণপোকা

ঘুণপোকায় নাচে রক্তের মেঝেতে, নীরবে উড়ছে মগজের ধূলিতে।
জং ধরা হাড়ে ঘুণপোকা নড়ছে, নড়ছে নিয়তির আমন্ত্রণে।
আমি ভাঙছি ক্রমশই, মনের দেহে ঘুণপোকায় খেয়ে যাচ্ছে নীরবে।
সহস্র প্রতিবাদের চিৎকার, ঘুণপোকায় খাচ্ছে নির্বিচার।
ঘুণপোকা! তুই থাক না বেঁচে, আমার সারারাত সারাদিন গোধূলী হয়ে।
মগজের মেঝেতে চিন্তার খোরাক; ঘুণপোকা তুই এ নিয়েই বেঁচে থাক।
দিনের আলোয় সুতীক্ষ্ণ আঁধারে ঘুণপোকার বাস,
আঁধারে মাঝে এক ফালি আলোয় ঘুণপোকার ত্রাস।
ঘুণপোকার ফেলে রাখা অস্তিত্বে কাঠপিঁপড়ের বসবাস,
ভাঙার মাঝেও গড়ায়; ঘুণপোকার এ অভিলাষ।
ঘুণপোকার যেখানে শেষ সেখানেই শুরু শৃঙ্খলিত কাঠপিঁপড়ের আবাস,
কাঠপিঁপড়ে আর অবহেলিত দূর্বাঘাস; বানের জলে দুই প্রাণের সর্বনাশ।
কাঠপিঁপড়ের আসা যাওয়া দেখি; ঘুণপোকার উচ্ছিষ্টে কে প্রথম ছিল ভুলে গিয়েছি।

মোট পড়েছেনঃ ৭৭৪জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

২১টি মন্তব্য

  1. ঘুণপোকার
    ফেলে রাখা অস্তিত্বে কাঠপিঁপড়ের
    বসবাস, আমি পিপড়া হলাম আমার ঘুনেপোকা কে ছিলো ভুলে গিয়েছি, দারুণ লিখেছেন

    1. শব্দ সীমাবদ্ধতা আছে আমার প্রচুর। পড়া কম বলে জানা কম তাই অভিজ্ঞতায় শব্দচয়ন আর বাগশৈলীতায় আমি প্রচন্ড দূর্বল। ঠিকঠাক মনের মতো করে গাথা হয় না…

      তবুও আপনার মন্তব্যকে/অনুভূতিকে শ্রদ্ধার সাথে নিলাম পাথেয় করে। অনেক অনেক ধন্যবাদ 🙂

    1. কিছুটা… নাহ্‌! অনেকটাই ব্যক্তিগত ঝামেলায় আছি জিসান ভাইয়া… হয়তো কিছুদিনের মধ্যেই আমি পুরোদমে আমার লেখায় ফিরবো সেই দেড় বছরের আগের মতো করে নতুবা সবই বন্ধ হবে 🙂 দোয়া রাখবেন।

মন্তব্য করুন