মহাসড়কে জীবনের গল্প

কোথাও একটি পাপিয়া কাঁদছে,
শরতের রাতে কেউ কেউ খোঁজে নস্টালজিক প্রনয়-
নব বধু ফেলে আসা কোন এক ট্রাক
ড্রাইভারের হাসিমুখ।

সেখানে ভিত গাঁথে না উত্তরাধুনিক
কবিতার বুনিয়াদ,
ব্যাকরণ ফিকে হাসে হালকা কুয়াশায়
কাব্য নিথর হয়ে ওঠে জীবনের ঘ্রাণে।

কুলিদের ঘাম-
চায়ের কাপে নকশা আঁকে সস্তা সিগারেটের ধোঁয়া
ক্ষুধাই হোক ভালবাসার বিমুগ্ধ ব্যাঞ্জন!
ঠিক তখনই- ঠিক তখনই আমার
কবিতা লিখতে ইচ্ছে করে।

একটু পরেই বাস্তবতা,
একটু পরেই ভোরের সূর্য,
জীবিকার প্রেমে জীবনের সংগম
শেষ হোক তবে আরেকটি অসমাপ্ত রাতের
উপাখ্যান।

এই, শুনতে পাচ্ছ?
কোথাও একটি পাপিয়া কাঁদছে।

২৭.০৯.২০১৪ ইং
মহাস্থানগড়, বগুড়া।

মোট পড়েছেনঃ ৩,৬৪৪জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

১৮টি মন্তব্য

    1. আমি অফিসের একটা কাজে ওখানে গিয়ে ছাড়পোকার কাতনে পুরা রাত রাস্তায় একটা দোকানে বসেছিলাম, প্রচুর ট্রাক থামছিল ওখানে, সেই মুহুর্তেই লেখা এই কবিতাটি।

  1. জীবনকে তীক্ষ্ণ ভাবে দেখে ভাবনার জালে ছন্দ বুনে তার পরই কেবল এমন ভাবে উপস্থাপন করা সম্ভব।

    ভালোলাগা জানিয়ে গেলাম -{@

  2. আপনাকে কতোদিন পরে দেখলাম ভাইয়া। ভালো লাগছে খুব।
    কবিতা লিখবার ইচ্ছে যে কখন কাকে নিয়ে হবে বলা মুশকিল। অসমাপ্ত কবিতা ভাল্লাগছে অনেক।
    মহাস্থানগড় অনেকবার গিয়েছি।
    আপনাকে ওয়েলকাম ব্যাক।

  3. একটু পরেই বাস্তবতা,
    একটু পরেই ভোরের সূর্য,
    জীবিকার প্রেমে জীবনের সংগম
    শেষ হোক তবে আরেকটি অসমাপ্ত রাতের
    উপাখ্যান।

    এই অংশটা সবচেয়ে ভালো।

মন্তব্য করুন