ঋতুসন্ধিতে দাঁড়িয়ে

হাঁটিনি সাত পা এক সাথে কখনো।কথা বলার প্রশ্নই আসেনা।ধার করে দেখেছি শেষ অবশেষ, জানালায়।
তবুও ঋতুসন্ধিতে অন্ধকারে ক্লান্ত গলি মুখে চোখ রাখি।না,এ গলি নয়।এখানে রাতের শীতেরা ঘুমুচ্ছে এ মুখ ও মুখ হয়ে।
নগ্ন পায়ে।আমি,না দেখা গলিটি কিছুতেই পাচ্ছিনা খুঁজে। ঘুমে ডুবেও আমার কিছুতেই ঘুম পাচ্ছে না।
আমি পরিযায়ী সিঁধেল চোরও না।

পৃথিবীর বুক হাতিয়ে একটু উষ্ণতা গায়ে মেখে একদিন আমিও ঝুলে যাব বারান্দার কড়ি কাঠে।
হাসি হাসি বড় বড় খোলা চোখ মেলে।রাত্রির গভীরে ডুবে থাকা নক্ষত্রের স্নিগ্ধ পটভূমিতে।
জেগে থাকে রাত বোজা চোখে হাসি মাখা মুখে।

মোট পড়েছেনঃ ৯০২জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

৫০টি মন্তব্য

  1. ঋতুসন্ধি মানে কি? আপনি তো দেখি পণ করে বসে আছেন? 🙁 না দেখা গলির জন্য আফসোস আমাদের সবসময়ের… না পেলে তাকে খুঁজে বেড়াবার নেশাও।

    পৃথিবীর বুক থেকে সমস্ত উষ্ণতা নিয়ে একদিন আমিও বানাবো আমার বারান্দায় ইচ্ছের আগুন উৎসব।

    মন খারাপ থাকলে আমি আছি কি করতে, দুনিয়ার জোকস বুক নিয়ে হাজির হবো। শিঘ্রই ঝেড়ে বলুন।

    1. ঋতুদ্বয়ের মিলনকাল। চাওয়া ও পাওয়ার ঠিক মাঝে দাঁড়ানো বোঝাতে চেয়েছি।
      না, এটি মন খারাপের লেখা নয়। মনে হবে মন খারাপ। আসলে তা নয়। যার জন্য খোঁজা-খুঁজি সে হাসি মুখে না ঘুমিয়ে
      অপেক্ষা করছে।
      আগুন উৎসব ! সে আপনি করতেই পারেন। অত তাপ সইবে না। সামান্য যা হাতিয়ে নেই তাতেই চলপে।
      সে জোকস্‌ নিয়ে বসতেই পারেন। মন্দ হবে না ।

        1. আস্বস্ত হলাম, শুধু নিজেকে আস্বস্ত করতে পারলাম না, কবে যে একবারে আপনার লেখা বুঝবো 🙁

          বিরতি, বিরতি দীর্ঘ বিরতি। এমন এমন সব লেখার পাশে ইচ্ছা পালায়। ধার করে দেখেছি শেষ অবশেষ লাইনটা ভালো লাগলো। কবে যে আমাকে চোর বলবে লোকে তাই-ই ভাবি।

        2. আপনার আবার কী হল? বিরতি কেন? আর চোর কেন বলবে? শব্দ আমরা তৈরি করি না
          ব্যাবহার করি মাত্র ।ইচ্ছে মত। কোন কথা নেই। লিখতে শুরু করুণ ।

        3. শব্দ ব্যবহারটাই যে সব। কেউ বলবে নীরব পাহাড়, আবার কেউ পাহাড় নীরব। ব্যবহারেই বনলতা সেন।

          আমার কোনুই ঠিক ঠিকানা নাই।

  2. তোমাকে পারিনি ছুঁতে, তোমার তোমাকে –

    উষ্ণ দেহ ছেনে ছেনে কুড়িয়েছি সুখ –

    তোমার তোমাকে আমি ছুঁতে পারি নাই –

    যেভাবে ঝিনুক খুলে মুক্তো খোঁজে লোকে –

    আমাকে খুলেই তুমি পেয়েছ অসুখ, পেয়েছ কিনারাহীন আগুনের নদী

    – রুদ্র

  3. ঋতুসন্ধি শব্দটা সুন্দর আছে , আপনার উত্তর পড়লাম শুন্যের জিজ্ঞাসার জবাবে 🙂  আমি প্রথমে শিরোনাম অন্যরকম ভেবেছিলাম আইমিন শারিরীক অর্থে ভেবেছিলাম

    1. পড়তে পড়তে আমার ও পছন্দ হয়েছে তাই লিখে দিলাম।
      গ্রীষ্ম ও বর্ষার মাঝে দাঁড়ালে যেমন সেতু বন্ধন হয় তাই। লেখা চাই নিয়মিত।

  4. আমি,না দেখা গলিটি কিছুতেই পাচ্ছিনা খুঁজে। ঘুমে ডুবেও আমার কিছুতেই ঘুম পাচ্ছে না।
    আমি পরিযায়ী সিঁধেল চোরও না।

    দিদি লেখক গণ নিজ নিজ মনের রঙ্গে গেয়ে গেছে জীবন আপনি ব্যাতিক্রম নয়।

    ভাল লাগলো।

  5. হাঁটিনি সাত পা এক সাথে কখনো।
    কথা বলার প্রশ্নই আসেনা।ধার
    করে দেখেছি শেষ অবশেষ,
    জানালায়।

    ধার করে দেখার কি দরকার তাও আবার শেষ অবশেষ, শুরুটা দেখেন এবার।
    আর একসাথে শিশির ভেজা ঘাসের উপর হাটতে চাইলে আপনি আমন্ত্রিত। 🙂

    1. নিজের না থাকলে ধারই একমাত্র সম্বল। অবশ্য সময় মত ধার ও পাওয়া যায় না।আমন্ত্রণের জন্য ধন্যবাদ।
      পায়ে পায়ে শিশির মেখে যেতে চাই অনেকটা পথ।কোথায় পাব সে শিশির ? কোথায় পাব পায়ের পথ ? ঠিকানা জানি না।

  6. আমি একটু গাধা টাইপ মাথা ভর্তি গোবর, আপনার লিখার বিষয় মাথার উপর দিয়া গেলো। আফু আমারে একটু বুঝাই দিবেন একটুখানি। :p

    1. সাত পা হাঁটা…খুব বিখ্যাত কবিতা।

      কারও সাথে সাত পা হাঁটলেই নাকি বন্ধুত্ব হয়। সেটা বোঝানো হয়েছে। হাঁটা হয়নি,কথা হয়নি শুধু জানলায় দাঁড়িয়ে সামান্য একটুখানি দেখেই ভালবেসে ফেলেছে রাত কে।এখন তাকে ঘুমহীন চোখে খুঁজে বেড়াচ্ছে। না পেয়ে আত্মহত্যার কথা ভাবছে কড়ি কাঠে ঝুলে।কিন্তু যাকে খুঁজছে সে রাত জেগে হাসি মুখে অপেক্ষা করছে।

      আক্ষরিক অর্থ এই।কিন্তু এটি রূপক।যে যার মত ভেবে নেবে। কে জানে বুঝিয়ে বলতে পারলাম কী না।

  7. গত দুদিন ধরে কমেন্ট করতে পারছিলাম না ।
    আমরা কি এই সোনেলা চেয়েছিলাম ? 🙁
    মডুদের বিরুদ্ধে একটা পোষ্ট দিতে হয়, সাথে থাকবেন আশা করি।

    লেখা পড়তে হবে আগে, এরপর লেখার মন্তব্য।

  8. পড়লাম আপু কিন্তু পরিষ্কার ভাবে ভাবার্থ বুঝতে পারি নি 

     

    আর এই লাইনটার কি বোঝায় ” পৃথিবীর বুক হাতিয়ে একটু উষ্ণতা গায়ে মেখে একদিন আমিও ঝুলে যাব বারান্দার কড়ি কাঠে ” 

মন্তব্য করুন