জোনাক জ্বলা রাত ভোরকে আগলে রেখে ঘুরে বেড়াও জোনাকির বেশে মেঘেদের আড়াল চোখে।
কোথায় হারাল আমার সোনা সোনা বন জ্যোৎস্না রাত ভোরকে আঁচলে বেধে।
জোনাকির কাঁপন তুলে ভালোবাসায় বেঁধা ঠাস বুননে এসো,জ্বলি সবুজের শিখা হয়ে।
ছেঁকে তোলা ডোরাকাটা রূপসী হিংসে আমাকে আর জাগ্রত করে না।
সুন্দরের হাতছানি শূন্যে ভাসিয়ে নিবিড় নিশীথের সতী মেয়ে এখনও একাকী।
এসো হে জ্যান্ত জ্যোৎস্না,তোমাতেই করি অবগাহন এই স্বস্তির নির্জন কবর পূর্ণিমায়।
মোট পড়েছেনঃ ৮৫০জন
আজ পড়েছেনঃ ০জন
এসো হে জ্যান্ত জ্যোৎস্না,তোমাতেই করি অবগাহন এই স্বস্তির নির্জন কবর পূর্ণিমায়।
বনলতা দি এভাবে আমন্ত্রণ না এসে কি পারে?
দেখি,এলে সবাইকে জানিয়ে দেব।
ঠিকানা বলুন
:Angel:
মন চায় উড়তে উড়তে চলে আসব।
এই সোনেলাই আমার ঠিকানা।
আমরা সবাই এর বাসিন্দা
তাই দিদি।
আপুরে — তুমি তো এই কয় লাইন লিখে মনটাই ভরিয়ে দিলে !! ভীষণ ভাল লেগেছে ——-
আপনার কথায় আমার আনন্দ অনেক।ভালো থাকুন।
চমৎকার কবিতা
শুভেচ্ছা আপনাকে।
ভালো লেগেছে, চমৎকার। জ্বলি সবুজের শিখা হয়ে দিয়ে চির নতুনকে বুঝিয়েছেন তো ? 🙂
অবশ্যই নূতনের বন্দনা । আপনাকে দেখে ভাল লাগল।
জ্যোৎস্না তবু আঁধার কালো
যায়না ছোঁয়া দেখতে ভালো।
আমিতো আপু দুষ্ট ছেলে তাই এভাবে বলি। লিখার ভাবে ভালোলাগা।
অনেকদিন পর দেখলাম আপনাকে ।
জোনাকির কাঁপন তুলে
ভালোবাসায় বেঁধা ঠাস বুননে এসো,
জ্বলি সবুজের শিখা হয়ে।
চমৎকার কবিতা আপু :v
পড়ে বলছেন তো ? মনে করে দেখুন।
;( আপু বিশ্বাস করেনি!!
পড়েই মন্তব্য করেছিলাম আপু, সত্যিই
সুন্দরের হাতছানি কি সত্যিই এড়াতে পেরেছে সে? তবে এই অবগাহনের আহ্বান কেনো?
লেখাটাতে ঘোর একটা ভাব আছে। অনেকবার পড়লাম, তবু ভালো লাগছে পড়তে।
আপনাকে বু’ ডেকেছি সাধ করে? এ জন্যই। সত্যি ঘোর আছে।
প্রলম্বিত রাত ,এজন্য ভোরকে আচলে বেঁধে ফেলেছে। রাত ই জ্যোৎস্না জোনাকি সব।
রাত কে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করছে পবিত্র (সতী) হয়ে। সব হিংসের মধ্য থেকে বেছে সব থেকে সুন্দর হিংসাটি ও সে নিচ্ছে না।এমন কিছু নেই যাকে হিংসে করতে পারে। রাত কে ভালোবেসে সে মরে যেতে চায়।
ভালোবেসে মরে গেলে চলবে কেমন করে? সুন্দর কিছু পেতে গেলে কস্ট করতে হয়, এ আমি হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছি।
ভালুবেসে মরে যেতে চায় যে।
এত্তো কঠিন লেখা, কস্ট করে পড়লাম, আর সে মরে যেতে চায় 🙁
এতো ভালুবাসা ভালো না।
ভালু না। তবে কি ভালুবাসার গলা চিপে দেব? কড়িকাঠে ঝুলালেও মন্দ হয় না।
না না সেকি কথা !!!! ভালুবাসা ভালো। বেশি বেশি ভালুবাসুন। কি খুনি চিন্তা রে বাবা !!!!!
এই এইটূকূ লেখাতে কতোগুলো শব্দ পেলাম? জ্যান্ত জ্যোৎস্না, ছেঁকে তোলা ডোরাকাটা রূপসী হিংসে( মানে কি? ), কবর পূর্ণিমা, রাত টাই নাকি জোনাকির বেশে ঘুরে বেড়াচ্ছে। 🙁
তাজা(জ্যান্ত) সব কিছুই আমাদের পছন্দ।
কবিতার নাম ‘জোনাকিরা’ কেনো? প্রথম তিনলাইনের সাথে পরের তিন লাইনের কিছু কন্ট্রাডিকশান আছে। কিংবা আমার বোঝার ভুল। কঠিন কিন্তু সুন্দর।
একটি জোনাকি সব জ্যোৎস্না ধরতে পারবে না।অনেক কে লাগবে যে। না বোঝার ভুল নেই।
এরকম ই লিখেছি।
জোনাকেরা জোছনার আলো নিয়ে ঘুরে বেড়ায় নাকি সবুজের অরন্যে
হুম, শুধু কী সবুজ অরণ্যে ? আরও কত শত জায়গায় যায় ঘুড়ে বেড়াতে।
ধন্যবাদ জানাচ্ছি।
কবে যে যুদ্ধ বাদ দিয়ে কবিতা বুঝতে শুরু করবো 🙁 তবে তাজা জোছনায় অবগাহনের শান্তি অনেক।
একটু রেষ্ট নিয়ে চারিদিকে চোখ মেলে তাকান।
আমার একটা জাতীয় দোষ আছে আপু,
আমি এরকম মাইকেলীয় ধাঁচের কবিতা বুঝতে পারিনা! এটা আমার কিসের দোষ বলুন তো আপু৷
তবে জোনাক পোকা কইছেন,ঐ টা বুঝতে পারছি৷ আমাদের গ্রামে বাঁশবনের ফাঁকে ফাঁকে টর্চ লাইট নিয়ে ঘুরে বেড়ায়,যেন কিছু একটা খুঁজে৷
কিন্তু কি খুঁজে ওরা,সেটা আল্লাই জানে৷
আপনি লেখায় মন্তব্য দিচ্ছেন তা দেখলেও বিশ্বাস করা কঠিন। ব্যর্থতা একান্তই আমার সুন্দর করে লিখতে পারিনা বলে।
আমিও বুঝতে চাই টর্চ নিয়ে কি খুঁজে ফেরে।
ভোরকে ভালোই বেঁধে রাখছেন লেখায় 🙂
উহ্, ভোরকে না ,রাতকে বেঁধেছি লেখায়।
নির্জন কবর পূর্ণিমায় তরতাজা জ্যোৎস্নাকে পাওয়া যাবেই।
রাতের মাঝেই তো জ্যোৎস্না, জোনাকিরা আসে
দেখি এবং উপলব্দি করি ।
কি বুঝলাম কে জানে ? 🙂
শুভ কামনা।
বোঝায় ডিসর্টাব হইছে। মাস্টর লাগবে।
‘নীল স্লিপিং পিলের রাত’ গানটার অনুভুতি যেন ফিরে এল।রাত,জোছনা আর চাঁদ সব মিলেমিশে কেমন ইমোশনাল করে দেয়।ভালো লাগল কবিতা।
মাঝে মাঝে তব দেখা পাই ,সব সময় কেন পাই না কে জানে ।
উড়ো উড়ো দেখা হলে কোন মজা পাই না।
নাহ , আপনার লেখা দেখি পড়তে হবে আরো।
সে আমার অনেক কালের ভাগ্য। অপেক্ষায় থাকলাম।