বিষ্ণুদা আমার জানালাগুলো আজও অন্ধকার

তুলসীরা যেবার চলে গেলো ওপাড়ে
বিষ্ণুদা আমাকে ডেকে নিয়ে বললেন-
লেখালেখিটা চালিয়ে যাস- বর্ণ
আর মিতার থেকে সাবধান থাকিস । সাংগঠনিক মেয়ে-
এদের হৃদয় বড়ো নিঃসাড়, রাতজাগা চাঁদের মতো স্বভাব
প্রত্যেকটি ঘুলঘুলি, জানালায় উঁকি দেয়া চাই

তারপর ফুরিয়েছে কতো রাত, কতো না বসন্ত
খসে গেছে জীবনের উড়ুক্কু-পালক
আমি সতর্ক থেকেছি- পথের কাদা যেভাবে এড়িয়ে চলে পথিক

কিছুটা গাম্ভীর্য করেছে আরও আকর্ষণীয়া, প্রবল প্রাজ্ঞ
শাড়ির শৈল্পিক ভাঁজে পাতা আছে ফাঁদ
আজও হঠাৎ বিঁধে যায় চোখ
দাদার উদ্ধৃতি মনে পড়ে- সাংগঠনিক মেয়ে…
সত্যিইতো- পরিমিতা চৌধুরী- এখন অধিক সংগঠিত
তার সংঘের নাম সংসার

মোট পড়েছেনঃ ৬৮০জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

১৪টি মন্তব্য

  1. শেষে হতাশ হয়েছি ’তার সংঘের নাম সংসার’ জেনে। সাংগঠনিক মেয়ে সবাই যে সংসারী হয় তা নয়।

    সংসারী হওয়া দোষের কিছু নয়, তবে শাড়ির শৈল্পিক ভাঁজে আমরা আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি বদল করতে চাই।   আমরা ওঁদের মাঝের দ্রোহ দেখতে চাই ।

    শাড়ির ভাঁজ এমন শৈল্পিক হতে হবে, এমন হতে হবে তাঁর দাঁড়ানোর ভঙ্গি যেন সেখানে কিছুটা বিদ্রোহ, রুষ্টতা, সাংগঠনিক স্মার্টনেস, নায্যতার আগ্রহ, দ্রোহ ফুটে উঠে।

    নিরামিষ হয়ে শুধুমাত্র নেয়ে-খেয়ে  চলবো আমরা আর কতোদিন!

  2. আপনি আমার পছন্দের কবিদের তালিকায় চলে এসেছেন ভাইয়া।

    কবিতা আর শিরোনাম দুটোই অসম্ভব সুন্দর। আমার দেখার চোখের জন্য নয়, আপনার লেখার গুনেই ভালো লাগা 🙂

মন্তব্য করুন