রাত-পোষাকে তুমি

পেলব বুকে, নখে, গ্রীবায় নিয়ন আলোর বিচ্ছুরণ
যেনো কিছুই জানো না

বিধ্বংসী আগুন যেমন অবলীলায় গুটিয়ে থাকে ম্যাচবাক্সে
বারুদ শলাকার মতো রাত-পোষাকে ঘুমিয়ে আছো তুমি
প্রবল আস্থায়- নিবিড় জাগ্রতায়

ঘুমঘরে বাতি জ্বালানো রাখা চাই
নির্ঘুম আলো-যে বড়ো রহস্যময়
তোমাকে প্রতিনিয়ত করে তুলছে দুর্লভ, অচেন, অপার্থিব
আর আমার চোখে এঁটে দিচ্ছে দৃশ্যের পর দৃশ্য –
বৃষ্টি ধোয়া মাঠ, পদ্মরাগ, জনাকিতারা, মেঘাকাশ,
গহীন নদী, প্রমত্ত পাহাড়, নন্দন বোন…

মোট পড়েছেনঃ ৬৭৬জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

১৬টি মন্তব্য

  1. পড়লাম কাব্যটি। ভালই লিখেছেন আপনি। আপনার গত কয়েকটি লিখা পড়ে ভাল লেগেছে, শুভেচ্ছা জানিয়ে আসার পর ধন্যবাদ পাই আর না পাই লিখা পড়ে মুগ্ধতা পাই।

    এই কাব্যটি সম্পর্কে কিছু জানার আছে। কাব্যটিতে আমি যতি চিহ্নের ব্যবহার তেমন লক্ষ্য করলাম না, এটা কেন?

    শেষ লাইনে দাড়ি(।) এর বদলে লক্ষ্য করলাম আপনি ব্যবহার করেছেন (…). একটু বুঝিযে বললে কিছু জানতে পারতাম।

    দু’টি যুগল শব্দ দেখতে পেলাম কিন্তু ঠিক বুঝতে পারলাম না যেমন: জনাকিতারা, নন্দন বোন.

    শুভ কামনা রইল।

    1. মশাই, আমারও এই সমস্যাটি আছে, যদিও আমার সমস্যা মনে হয়না, বদভ্যাস মনে হয়, লেখার শেষে সবসময় দাড়ির পরিবর্তে “…” এটা এসে যায়… ভালো না মন্দ জানিনা, এভাবেই আমার ভালো লাগে…

      1. আপনার ক্ষেত্রে যেটা হয়, লেখার শেষে এসে কিন্তু আপনি সেটাকে সমাপ্ত করেন না, রেখে দেন অসমাপ্ত। পাঠকের আগ্রহ তখন আরও বেড়ে যায়। ঘুড়ি এবং নাটাই দুটোই তখন পাঠকের হাতে থাকে, যে যেভাবে পারে লিখাটিকে আপন মনে বেয়ে যায়। তবে যতি চিহ্নের ব্যবহারের কারণে মাঝে মাঝে একেকটি বাক্য মিশ্রিত হয়ে যায়।

    2. আন্তরিক ধন্যবাদ। আমার কবিতাটি আপনি দরদ দিয়ে পড়েছেন। আসলে নিজেকে আমি সে মানের কবি মনে করি না। আবেগ থেকে লিখি। কখনো বাক্যে যা বলি মনে তারচে বেশি কথা থেকে যায় তখনি ‘…’ এটা ব্যাবহার করি। ব্যাকারনের চেয়ে মনকেই প্রাধান্য দেই। বানান দুটো হবে- ‘জোনাকিতারা’, ‘নন্দন বন’ হবে। বানান ভুলটি ধরিয়ে দেবার জন্য ধন্যবাদ।

মন্তব্য করুন