চন্দনা………(লীলা)
সোনার মেয়ে,
ভূবনডাঙার হাসিতে ভুলব না আর
চিনে নিয়েছি পরিযায়ী পাখিটি কে ,
জেনে গিয়েছি তোমার
কুয়োতলার প্রেম – বৈশাখী বা কার্তিকের।
শাঁকচুন্নী হয়ে………
বাকী শুধু ঘাড় মটকে রক্ত খাওয়া
আমি মেনে নিতাম তাও ।
বুকে নিতে চেয়েছিলাম নদী কে
সমুদ্দুর হয়ে ,
কই ! এ তো নদী নয়
তুমি ছিলে ধেয়ে আসা বিষাক্ত তীর
অব্যর্থ নিশানায় ।
সামান্য একজন আমি ,
দেড় দিনের তোমার প্রেমে
খড়কুটো হয়ে ভেসেছি নীল গাঙে ।
চন্দনা- চন্দনা , দেখে নিয়ো
একদিন তোমাকে উল্টো পায়ে হাটাবো ই ।
অরিত্র
মোট পড়েছেনঃ ৮৭৩জন
আজ পড়েছেনঃ ০জন
দারুনসসসসসসসসসসসসস হয়েছে
শুভকামনা……….
বাড়িয়ে বলছেন ধরে নিয়েও আপনাকে ধন্যবাদই দিলাম ।
ইশশশশশশশশশশশশশশশশশ
ছবি কখনো বাড়িয়ে বলে না .
ধন্যবাদ জানালাম আবার ।
দুর্দান্ত আদিব। মুগ্ধ
তাই বুঝি ? আপনি লিখলেন দেখেই না আমিও লেখার সুযোগ পেলাম ।
আরে এ যে ভালোবাসার বন্যা বয়ে চলছে ।
চলুক আরও বেশি করে – ভাল করে ।
পড়তে ভাল লেগেছে ।
ভালোবাসার বন্যা রূপী ঝড় বলা যেতে পারে ।
চলার নিশ্চয়তা বোধ হয় দিতে পারছি না ।
বাহ , দারুন হয়েছে । অরিত্র এসে হাজির !!
এমন করে অরিত্রকে ডাকলে না এসে উপায় কি ?
সামান্য একজন আমি ,
দেড় দিনের তোমার প্রেমে
খড়কুটো হয়ে ভেসেছি নীল গাঙে ।………… মাত্র দেড় দিনে এমন উথাল পাথাল !!
আবেগটা দেখতে পাচ্ছি কবি 🙂
ভাসিয়ে নেয়ার জন্য দেড় দিনই অনেক সময় কিন্তু ।
ভালোবাসায় আবেগ থাকতেই হয় ।
দেড় দিনে এমন হলে দেড় বছরে এসে কি দাঁড়াবে সেটাই ভাবছি… তবে লীলা আর অরিত্রের লীলা খেলা চলতে থাকুক দেড় শতাব্দী থেকে সহস্রাব্দী পর্যন্ত। কবিতা দারুণ হয়েছে কিন্তু।
অবস্থা যা তাতে এ লীলা আরও বেশি চলবে বলে মনে হচ্ছে না ।
চললে কিন্তু মন্দ হত না ।
চিঠি কবিতা ভালো লেগেছে খুব।
হা হা , ভাল লাগলেই ভাল ।
বাহ বাহ অরিত্র এসে গিয়েছেন , কল্পনার সেই অরিত্র !! ভালো লেগেছে ।
অবশ্যই কল্পনার ! অরিত্র ।
ভাল থাকবেন ।
শব্দের বিন্যাস চমৎকার ।
উৎসাহিত করার জন্য শুভেচ্ছা ।
অদ্ভুত সুন্দর আবেগ, ভাল্লাগসে খুব।
আমারও অনেক ভাল লাগল ।