আবার খেলা-খেলার মাঠে

চির-হরিৎ-বনের মায়া পেছনে ফেলে
তিনি আবার খেলতে যাবেন
সবুজ মাঠের খেলুড়ে হবেন;

যাবে কী যাবে না, খেলবে কী খেলবে না
সে এক প্রশ্নবিদ্ধ প্রশ্ন-চিহ্ন,
যদিও খেলা-ইচ্ছে প্রগাঢ়;

উফ সেই সব খেলা-দিন,
দিনে-দিনে-রাত অব্দি
নিস্তার পায়নি! নিস্তার নেয়নি;

ডাকছে আবার খেলা-সাথি/সাথিরা,
ভয় হয়, দু’যুগের বিরতিতে
হুট করে মাঠে নেমে টেঁসে যাব না-কী!!
ছিঁড়ে-ফিড়ে চিরে-চ্যাপ্টা হয়ে যাব না-তো!
উফ কত দিন খেলা-খেলি না, খেলা দেখি-না!!

নাহ সে আর খেলবে না,
সে অবশ্যই খেলবে।

অভুক্ত-হৃদয়ে খেলতে মন্দ লাগে-নি,
শুধু পা-টা একটু মসকে গেছে;
আর যাচ্ছিনে, ঐ ওর/ওদের ডাকে,
ঐ মাঠে, কিন্তু যেতে যে খু-উ-ব ইচ্ছে করে।
সেই যে কুয়াশাময় দীঘি-বালিকা
আমায় ডাকে, ক্রীড়াকতরতার দিকে বারে, বারে!!

মোট পড়েছেনঃ ১,০০১জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

১৬টি মন্তব্য

      1. বুড়া হন নাই তাইতেই ইট্টু ডর খান? হায়রে কপাল, কই যামু! আমি এখনও সতেরো থাইকা ইট্টুও বড় হইলাম না। কবে যে পঞ্চাশে যামু, কে জানে!

      2. ইস বাও তেও তে থাকলে খালি পড়ালেখা করতে হয়, তাও জোরে জোরে শব্দ করে। সতেরোতে বইয়ের ভিতর গল্পের বই রাখা যায়। \|/

  1. যে অবশ্যই খেলতে চায়,,
    মঁচকে যাওয়া পায়ের কি ক্ষমতা তারে আটকায় !!খেলুক সে আবার,
    অভুক্ত হৃদয় যদি জুঁড়ে যায়
    দীঘি-বালিকার ডাকে সাড়া দিবে বারবার।

    1. আচ্ছা, পা মসকানোতে কিচ্ছু আসে যায় না,
      ছিঁড়ে-ফিড়ে গেলে আনন্দ আর আনন্দের জায়গায় থাকবে না।
      তবে খেলা চালু থাকুক, তা চাই।

মন্তব্য করুন