হাসি হাসি হাসিকান্না

পুতুলকান্না দেখি
দেখিও না,
পুতুলের জন্য কান্না
দেখি,
পুতুলের জন্য হাসি
হাসি হাসি মুখ করেই দেখি,

খুব প্রিয় ছিল হাসিটি,
অঙ্গে- প্রত্যঙ্গে
মেঘের যেমন বৃষ্টি থাকে
সংগোপনে- সঙ্গে
ঝরে পড়ে শঙ্খনীল হাসি;
মধ্যাহ্নের দুপুরবিকেলে রাশি রাশি।
নিয়তির জোয়ারে ফাঁড়া কাটিয়ে ছিল ভেসে
উল্টে-পাল্টে সব, একটি অকৃত্রিম হাসি;

মোট পড়েছেনঃ ৬৭৬জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

৪৭টি মন্তব্য

    1. এ পুতুল সে পুতুল না, আর এসব আপনার তো বোঝার বিষয় নয়।
      সবই মন থেকেই হয়, হবেও।

      কালে কোন সমস্যা নেই, এখনো বায়ো কী ত্যায়োর বেশি তো মনেই হয় না।
      পুতুল চলপে।

      1. ওরে মোর কপাল!

        ভেবেছিলাম এই লেখাটা মনে হয় বুজতে পেরেছি, তাও ভুল!! থাক, বোজার আর কাম নাই।

        আপনার জন্য আমার (আরো কয়েকজন আছে সাথে) সহজ একটা লেখা
        http://onlinelibrary.wiley.com/doi/10.1111/jcpe.12597/full

      2. সবাই সব কিছু বুঝতে পারে না, পারার কথাও না।
        যাক পণ্ডশ্রমের লাইনে না গিয়ে ভালই করেছেন,

        এটা আবার কিসের লিঙ্ক দিলেন!!
        ধুর এটা কাজ করে না,

      3. ভাইয়ূ আপনি তো বিশাল দেখি! লিঙ্ক খুলে চক্ষু চড়কগাছ!!
        এতো জ্ঞান নিয়ে কি করে থাকেন?
        ভাইয়ূ আমার এই রোগ যেদিন হবে দাঁতে, আপনার কাছে দৌঁড় দেবো। ঠিক আছে? 😀
        এই দেখুন না আলগা দাঁত লাগিয়ে “ই” করে আছি!

      4. @নীলান্জনা নীলা
        ঢাকার অদুরে আমাদের একটা রিসার্চ সেন্টার আছে। যেখানে দন্ত কবিরাজ শাঁড়াশী নিয়ে আপনার জন্যে অপেক্ষায় আছে। একেবারে কংকাল সহ চলে আসবে একটানে। কোন চিন্তা করার আগেই কম্য শেষ।

  1. আমি একটা পুতুলকে পুতুল নিয়ে হাসতে দেখেছি
    দুই পুতুলের হাসি দেখে অনেককে হাসতে দেখেছি
    আপনার লেখা পড়ে এটি মনে পরে গেলো।

    হাসিতে হৃদ রোগের ঝুঁকি কমে 🙂

    1. আপনি তো দেখছি খুবই ভাগ্যবান, স্বর্গপ্রাপ্তি মহানন্দের অংশীদার হয়ে গেলেন,
      হাসাহাসি চলতেই থাকিবে।

      হা হা হা হ হা, নিরুদ্দেশে হৃদরোগ!

    2. @জিসান শা ইকরাম,

      আমিও সেরকম কিছু দেখেছিলাম। কিন্তু লেখক বললেন এই পুতুল সেই পুতুল না! কবে যে ওনার লেখা বুজতে পারবো !!!

  2. আমি তো যে হাসি-ই দেই মন থেকেই দেই। পুতুল টাইপ হাসি সেটা কেমন!
    আচ্ছা হাসি কতো প্রকার ও কি কি? পিলিজ লাগে সংজ্ঞাসহ উদাহরণ দিলে ভারী সহজ হয়।

    তা কোন টাইপ পুতুল দেখে পুতুল হাসি কোবতে লিখলেন কবিভাই?

    1. আপনি আবার হাসি হাসেন নাকি!
      ফোকলা না কী যেন বলেছিলেন!

      হাসাহাসির ভেদ একবারে বলে ফেলা ঠিক না, ক্রমাগত থির চোখে তাকিয়ে থাকলে
      আস্তে আস্তে সব ‘কিলিয়ার’ হয়ে যাবে।

      পুতুল রহস্য আপনার কাছে বলা যাবে না, ঠিকও হবে না,
      অসুবিধা আছে!

      1. ফোকলা বলে কি হাসি নে? এমনটি আপনার মনে হলো কেন? ;?

        বাঁচালেন এসব রহস্যর হাত থেকে।
        ভদ্রতার খাতিরে জানতে চেয়েছিলাম।

  3. কান্না নিয়ে যতই বলুন, হাসি নিয়ে যেমন লিখেছেন, (আগেও একবার) তেমন করে কিন্তু কান্না নিয়ে লেখেন নি কিংবা দেখিনি। অঙ্গে-প্রতঙ্গে মেঘের যেমন বৃষ্টি থাকে, হাসির সাথে এমন করে তুলনা আবিষ্ট করে ফেললো। ছিল ছিল কেন? এখন নেই? আমিতো জানি হাসি বেঁচেই থাকে,
    শঙ্খনীল হাসি দেখে ভুল করে চোখের ফোঁটা জল
    গড়িয়ে পড়তে গিয়ে ফের হেসে হেসে লুকিয়ে পড়ে চোখেরই ভেতর কূপে…
    এহেম, এত সুন্দর একটা লেখা নষ্ট করতে আসছি। খুব সুন্দর হইছে ভাউ।

    1. জ্বী, কাঁদা-কাটা নিয়েও লেখা আছে দিয়ে দেব অচিরেই (দিনে পাঁচ খানা লেখা দেয়ার অনুমতি যদি দিতেন)।
      আছে সবই আছে, তবে একটু ধোঁয়াটে মাঝে-মধ্যে, আবিষ্ট হয়ে ঝেড়ে দিন না খান কতক!
      আপনার চোখমনের ম্যালা জোর, শঙ্খনীল হাসি সবাই দেখে না, তাতে চোখজল যে কুয়াতেই গড়াক না কেন!
      নষ্ট আপনি করতেই পারেন না, ভাইয়া।

      বিনা অনুমতিতেই ‘শঙ্খনীল’ জুড়ে দিলাম ভাউ,

      1. অনুমতি নিয়েছেন আগে? মনে তো পড়েনা। 🙂 হেভি ওজনদার লেখক শব্দ নিলে খুশিই জানি কোন কুয়ায় গড়ায়। হ্যাঁ কাঁদা-কাটা একটা পেয়েছি আমরা। গল্প না বলতে পেরে কেউ এরকম কাঁদতে পারে এই দেখলাম। আমরা আছি কেনু?

      2. অনুমতি দানে কঞ্জুস আপনি নন,
        তাই ঢালাও অনুমতি আপনার থাকেই।
        লেখক থেকে শব্দের ওজন ঢের বেশি, তা তো দেখতেই পাচ্ছি,
        শব্দটি পেয়ে পুরো লেখাটি খলবল করে উঠছে লেখাটি,
        আমরা অবশ্যই আমরা,

মন্তব্য করুন