হাঁটছি এবং হাঁটছি

ঐ যে,
সেবারে হেসেছিল সে,
সাড়া দুপুর-বিকেল-সন্ধ্যা জুড়ে,
খর-কোমল-লাল-চোখে ভালোবাসার
পাতাল খুড়ে;

ওই একবার-ই,
ফ্যাল-ফ্যাল চোখে তাকিয়েছিল;

সময় দৌড়ে যাচ্ছে, আমি হাঁটছি,
তুমি অকস্মাৎ উড়াল দিলে
স্থির আমি, শিকড় গজিয়ে
দাঁড়িয়ে গেছি;

মোট পড়েছেনঃ ৭৫৬জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

৩০টি মন্তব্য

  1. ওয়াও, শেষের চারলাইন পড়ে আমিও যে দাঁড়িয়ে গেলাম। কতক্ষন দাঁড়িয়ে থাকি জানিনা, শেকড় গজিয়েও যেতে পারে।
    যদি সে আর তুমি একই মানুষ হয়, তাহলে হেসেছিলে কিংবা তাকিয়েছিলে কেন দিলেন না? আর স্থিরতার পরে শিরোনাম হাঁটছি আর হাঁটছি কেন? বুঝিয়ে দিন কবি ভাউ।

    1. দেখুন, আপনার পাখিচোখ ফাঁকি দেয়া কঠিন,
      সে এবং তুমি এখন দূর অতীত, তাই অতীত কাল বুঝাতে চেয়েছি, ঘটমান অতীত বলিনি।
      আর, শিকড় গজাতেই চাইলেও সময় প্রবহমান, তাই বর্তমান কাল এসেছে শিরোনামে।
      বোঝাতে পেরেছি কি না বুঝতেও পারছি না, নিজ গুনে বুঝে নিন,

  2. এ হাটার কি শেষ কোথায় কুবি ভাইয়া।ছোট কবিতা অথচ অতীত বর্তমান সবি এক সাথে শিকড় মেলে স্থির জীবন।সুন্দর উপস্থাপনা। -{@

  3. কুবিরাজ ভাই বিশ্বাস করবেন কিনা জানিনা, কয়েকবার পড়েছি, অবশ্য হিসেব রাখিনি। কারণ হিসেব রাখার মতো কবিতা নয় এটি। মনকে ভাবিয়ে দেয়ার মতো কবিতা। দাঁড়িয়ে গিয়ে চলাও শুরু করেছি, কিন্তু ভাবনার রেশটা বহু বহুদিন থাকবে, এটা নিশ্চিত।

    (y) :c

    1. আপনাকে অবিশ্বাস করে নরক বাসের ঝুঁকি নিচ্ছি না!
      দাঁড়ানো চলবে না, চলা চালু রাখুন, তবে বন্ধচোখে না,
      আশেপাশেও নজর ফেলতে হবে কিন্তু।

  4. জীবনটা কি কারো অপেক্ষায় বসে থাকে? আমাদেরও একদিন চলে যেতে হবে। তখনো পৃথিবী এমনি চলবে। তার চলা বন্ধ হবে না কোনদিন। যে-শক্তি জীবনকে চালিয়ে নিয়ে চলেছে তার কি কোন শেষ আছে?”
    .

  5. অতীত কে কি করেছিল তা নিয়ে এঁখন ভেবে বৃথাই সমঁয় নষ্ট।
    আমরা বর্তমানে বিশ্বাসি।
    যার পাখা গজিয়েছে সেতো উড়াল দিবেই , তারজন্য ঠায় দাডিয়েথেকে শিকড় গজানোর কোন মানে হয় না। :@
    ও কুবিরাজ,এমন কবিতা লিখলে মন খারাপ হঁয়ে যায় তো 🙁

    1. জাপিত জীবন একরাশ অতীতের সমাহার,
      বর্তমান চলমান, ভবিষ্যৎ জানি না,
      যে উড়ে যায় সে তো আর এত্ত ভাবে না,
      ডানাহীনের ভাবনাই সম্বল!
      মন খারাপের কিচ্ছু নেই, উড়ুন উড়ুন, পেছনে না তাকিয়েই,

মন্তব্য করুন