আমরা কোথায় বাস করছি, ভাবতে পারিনা। হত্যার কর্মসূচি দিয়ে মানুষ মারছে আবার ব্যাঙ্গ করে দোয়া দরুদ পড়ছে হত্যাকারীরা। এরা মানুষ না জানোয়ার। বিবেক বুদ্ধিকে ব্যাব্যহার করে উত্তর বা সমাধান করতে পারছিনা। বিএনপি জামাত ঘেঁষা ২০ দলীয় জোটের অবরোধ হরতাল কর্মসূচীতে টাকার বিনিময়ে সন্ত্রাসী ভাড়া করে মানুষ হত্যা করে মানুষকে নিয়ে তামাশা করছে।
আবার সরকারী দল বা ১৪ দলীয় জোট ঠিক একই কাজ করছে। বিএনপি ও জামাত জোটের অবরোধ ও হরতাল কর্মসূচীতে মৃত্যু বরণকারীদের মাগফেরাত কামনায় সরকারী দিল গায়েবানা জানাজা করবে। আমরা কি তামাশার জাতিতে রুপান্তরিত হলাম।
আমরা কেমন মানুষ! লাথি খাব আবার দোয়াও পাব?
লাথি খা
মরে যা
দোয়া দরকার
তাও করে দেব।
জান্নাত পাবি!
মোট পড়েছেনঃ ৫৯৬জন
আজ পড়েছেনঃ ০জন
“গরীবের বেচে থাকার কোন অধিকার নেই তার যদি কন্যা সন্তান হয় তবেতো জন্মের শুরুতেই মেরে ফেলতে হবে”এমন একটি ডায়লগ শুনেছিলাম কোন এক ছবিতে যেন গরীব হয়ে জন্মানো পাপ।তেমনি এ দেশের সাধারণ জনগণের কোন দাম কোন কালে ছিল বলে আমার জানা নেই ক্ষমতার চেয়ারের দাম আছে মানুষের নেই অবাক বিষয়। -{@
গরীবের কোন সংগঠন নাই।
তাই এই অবস্থা।
এতে সরকারের ও দোষ নেই, বিএনপি জামাতের ও দোষ নেই। দোষ আমাদের মানুষিক দুর্বলতার। আমরা সহজ সরল বাংগালী বলে আমাদের মানুষীক দুর্বলতা নিয়ে রাজনিতীবিধেরা খেলছে। যেমন রাস্তার ক্যানবাচাররা খেলে। ৫০ ভাগ জনগন যতদিন এই খেলা ধরতে না পারবে ততদিন এমনই চলবে।
সহমত জাকারিয়া ভাই।
আমরা এখন তাঁদের হাতের পুতুল । যেভাবে নাচায় সেভাবেই নাচি ।
নাচনই আমাদের প্রতাশা বুঝি!
কপালের দোষ
না ভাগ্যের দোষ। দাদা।
জনগনের প্রতিরোধ চাই।
আপনি ঠিক বলেছেন।
জিসান আংকেলের সাথে সহমত ।
হুম।
ইহা সব সম্ভবের দেশ–
রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে আমরা আসলে সস্তা পুতুল ছাড়া, অন্য কিছু না 🙁
হ্যাঁ আপু সব সম্ভবের দেশ হলেও আমরা
বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী দেশের
নিকট হতে স্বাধীনতা ছিনিয়া আনিয়াছি
সংগ্রাম রক্ত সম্ভ্রম অতঃপর জীবন দিয়ে।
আমরা গিনিপিগ 🙁
না আমরাও তেলেবেগুনে জ্বলে উঠলে
জ্বলবে এই হায়েনার দল ।
জাগবে এই জনতা।
কি হবে বুঝতে পারছি না। একটি বড় দল যে দলের সমর্থক দেশের প্রায় অর্ধেক মানুষ তারা সন্ত্রাস লালন করছে, এরা কি ?
এই অবস্থা থেকে বের হতে আর রক্ত ঝরবে
তবেই হইত শান্তি ফিরবে।