ভালোবাসা ভাল না

বলছিনা ভালোবাসতে হবে, বলছিনা কাছে আসতে হবে,
বলছিনা অনেক নৌকায় পা রাখা যাবে না!
কাজলচোখের আয়নাজলে স্মৃতি হাতড়ে হাসতে হবে;

কথা হবে না, দেখা হবে না
বুকে জড়িয়ে চুমুও না, হৃদয়ে হৃদয়ও জড়াবো না,
চোরা স্নানে একান্তে একাত্ম হবো না;

তবুও
প্রজাপতি হয়ে ফুল ফুটবে ফুলেরা গন্ধ বিলাবে,
কোকিল ডাকা বসন্তে নীলাকাশ হাসবে;

শিশির ভেজা গোলাপ যেমন আছে তেমন থাকুক
পাহাড়ের কোলে চাঁদের জ্যোৎস্না যেমন আছে তেমনই থাকুক;
আহ্লাদি ভালোবাসা নদীর বাঁকে বাঁকে ঝরে পড়ুক,
মন্বন্তরেও ভালোবাসা ভালোবেসেই বাঁচুক।

মেধায় স্বভাবে ভূমিকম্পের মত কেঁপে কেঁপে ওঠা ভালোবাসা
শুধুই লোভায়, প্রাকৃতিক সারল্যের জটিল যন্ত্রণায়;

মোট পড়েছেনঃ ৮১৪জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

৫৮টি মন্তব্য

  1. উহ্ ভাউ দারুন। আমিতো আপনাকে এমন শিখাই নাই, কার কাছ থেকে শিখলেন? ;?
    আত্মত্যাগ নাকি নিবেদন? যা তোকে ছেড়ে দিলাম, ভালো থাকিস, সুখে থাকিস 😀
    আচ্ছা দুস্টামি বন্ধ। ভালোবাসা দেখেই আনন্দ, কাছে আসলেও, না আসলেও। তবে বলছিনা বলেও কিন্তু বলেই ফেলেছেন। এ হচ্ছে কবির চতুরতা।
    আজ সারাদিন মনে হচ্ছে ভালো যাবে, দুটো অসাধারন লেখা দিয়ে দিন শুরু।

    1. না,মানে, আমিতো দেখে দেখে শিখি!
      নৌকাভ্রমণে শেখাশিখি করি, শেখা আর শেখানোর কি শেষ আছে!
      অসাধারণ লেখা তো আমিও খুঁজছি, কৈ তা? আপনি ছাড়া তা কেউ লেখতে পারে নাকি!
      প্রেম-ফ্রেম বলে কিচ্ছু নেই, মায়াবিনীর জলতরঙ্গের লহরী!

      কবিরা বোকদা হয় এত্তকাল জেনেছি, চতুর কবিও হয় তাহলে, আগে তো বলেননি!!

      1. আইজ সবাই দেখি নৌকা নিয়া পড়ছে, আল্লাহ্‌র দয়ায় পা দুইখানই আছিলো, বেশি হইলে আরো মসিবত হইতো। না অনেক নৌকায় পা রাখা যাবেনা, এ আপনি বলতেই পারেন না

      2. দূর ছাই, দাঁত দেখানোর স্মাইলি তে ক্লিক দিতে গিয়া মন্তব্যে দিছি, এইভাবে কত কথা কইতে গিয়াই খালি বাঁধা পড়ে, ধুর আর লিখুমই না। অসাধারন লেখা চারচোখের মানুষদের জন্য না। ফ্রেশ, টাটকা রোগবিহীন চোখ লাগে, পরপর দুই দোস্তের লেখা দেখলেই বুঝতে পারবে তারা। মায়াবিনীর মূল্যই এখন বেশি, বাঁকি সব ফাও প্রেম-ফ্রেম। কবিরা যে কতকিছু হয়, তা কালে কালে আরো দেখবেন, দেখাইবেন, অপেক্ষা।

      3. আচ্ছা,অনেক নৌকায় চড়লাম না, তা ভাইয়া ক’খানা পর্যন্ত এস্তেমাল করা যাবে
        সে বিষয়টি যদি একটু খোলসা করে বলে দিতেন তাতে জাতি খুবই উপকৃত বোধ করত।
        দেখুন পা দু’খানি হলে অনেক নৌকায় চড়া যায়,

      4. ইস কবে যে ফ্রেস চক্ষু দিয়ে সব কিছু ফকফকা দেখুম কে জানে! আপনি দেখতে পাচ্ছেন তাও বা কম কী!
        দেখুন বীণ কিন্তু খুবই মনোহর! ফ্রেম-ট্রেম খুব খ্রাপ,
        কবিরা এত্ত কিছু, খুব খেয়াল করে কবিতা খেতে হবে পানি সহযোগে!

  2. এই ভালবাসায় চাওয়া নেয় আছে মমত্ববোধ
    এই ভালবাসায় অন্তর আছে আছে ভালবাসার মহত্ব
    এই ভালবাসায় আছে মানবতার ছড়াছড়ি
    আর আছে অনন্তকাল জড়াজড়ি, কোলাকুলি।
    জিইয়ে থাক হৃদয় হতে হৃদয়অঙ্গম মাঝে।

  3. এতো পুরাই আবেগে আবেগময় পোষ্ট!
    সত্যি কথা ভাইয়া এতো ভালোবাসা ভালো নয়!
    আপনি এমন জটিল লেখা কিভাবে লিখলেন? আপনি তো সব সময় সহজ থেকে সহজতর লেখা লিখেন! আজ ব্যতিক্রম হয়েছে। গুরু বদল হলো নাকি??? :p

    1. ভাই, আমার গুরু মহা গুরু, অনেক জনমের ভাগ্যে তাঁর কাছে ন্যাড়া বাঁধা হাসিল করেছি,
      সে ই চিঁচিঁ করে চিক্কুর দিয়ে এমন জটিল! করে লিখতে বলে দিয়েছেন,
      সাবধান, ভালবাসা ভালু না কিন্তু,

      এদিকে লেখা দিচ্ছেন যে বড়!

      1. আইচ্চা গুরু যদি বলে থাকে তাইলে তো কথায় নাই!
        আমি ভালোবাসা টালোবাসার ধারে ধুরে নাই। সো আমার চিন্তাও নাই।
        কিন্তু আপনার মহা গুরুর দর্শন পাইতে ইচ্ছা করতেছে.।।।।।।

        আসবে আসবে একটা অ্যাটোম বোম আসবে।।।।। 😀

      2. খুবই পুণ্যের কাজ করেছেন, ভালুবাসা-টালুবাসার লাইনে যাননি!
        বেদবাক্য অলঙ্ঘনীয়,
        গুরুজি আপনার আশেপাশেই আছে, নাম বলা নিষেধ।

        আমাগো জানে মারবেন শেষ কালে! এই ছিল মনে!

      3. গুরু আশেপাশে আছে? তাইলে তো চিনে নেওয়া কোন ব্যাপার ই না!

        এটা শব্দের বোমা। কান সংশয় হতেই পারে কিন্তু প্রাণ সংশয় হবে কোন ভাবেই!

      4. প্রাণখানি এযাত্রা বাঁচিয়ে দিলেন!
        প্রাণ যখন বেঁচেছে কান-কুন না থাকলেও চলবে,

        গুরু চেনা-চিনি হলে আমাদের জানান দিয়েন,

  4. নৌকা নিয়ে মন্তব্য আর করলাম না।
    তবে শুধু বলছি,” বলছি না ভালবাসতেই হবে,
    পূর্ণিমাতে ভেসে গেছিল যে নীল দরিয়া,
    তাতেও দেখেছিলাম জলের দর্পনে এই মুখ খানি।
    সে চেয়েছিল ঐ পানে।
    তাকে ডেকে বলিনি, বসে আছি এই তীরে, এই নির্জনে।
    বুকের মাঝে তাকে আটকানোর যে যন্ত্রনা তা থেকে মুক্ত ঐ বিহঙ্গে তাকে উড়িয়ে দিয়েছি।
    ,,,,,,,,,,,,,,,,,, আহা ! ক্যা মন্তব্যখান করিলাম। জিউ জিউ রিতু, জিউ।
    ^:^ ^:^ ^:^ ^:^ ^:^

    1. ইস, এখানেও দেখছি এতীর ওতীরে তিরতিরানি,
      চিক্কুর পারলে মন্দ হতো না!
      এ দেখছি এক জাঁহাবাজ যন্ত্রণা,

      দারুণ মন্তব্য, অসাধারণ।

  5. বুকে জড়িয়ে ধরলেই কি হৃদয়ে হৃদয় জড়ানো যায়? আক্ষরিক অর্থে জড়িয়ে ধরা দুইজনের একজনের হৃদয় যদি ডানদিকে হয় তাহলেই কেবল হৃদয়ে হৃদয় ছোঁয়ানো যায়।
    অপরদিকে প্লেটোনিক ভালোবাসার হিসাব করলে এইসব ছোঁয়াছুঁয়ি লাগেনা, ছোঁয়াছুঁয়ি ছাড়াই হৃদয়ে হৃদয় জড়িয়ে যায়।
    এইবার আসল কথায় আসি। নৌকায় নৌকায় ঘোরাঘুরি করতেই বুঝি বারবার এই সমুদ্রগমন? ;?
    হ, মন্বন্তরেও ভালোবাসারা ভালোবেসেই বাঁচুক।
    ভালোবাসারা লোভায় তো কী হইছে? একদম পাত্তা দিয়েন্না। আপনি কি লোভি নাকি, হুম্ম?

    1. দেখুন একান্তে একাত্ম হয়ে জড়াজড়ির সময় বক্ষ পিঞ্জরে হৃদয়ের অবস্থান কোন বাধা নয়,
      আমরা মাটির মানুষ প্লেটনিক আমরা ভালু পাই না, নুন-মরিচ আমাদের লাগেই,
      কোষা নৌকা আসলেই দারুণ!
      দেখুন টক আঙ্গুরের চাহিদা কোন অংশেই কম না,

    1. হয়ত না ভালো কিছুর জন্যই আমাদের অনেক টান।
      এত্ত লাইক! আরও দিন, এত্তদিন পরে এলেন অনেক পাওনা যে,
      লেখা চাই অতি অতি দ্রুত, এদিকেও অনেক লেখা পড়ার অপেক্ষায় আছি।

  6. “আমি বলছি না ভালোবাসতেই হবে”—আপনিও দেখি নির্মলেন্দু গুণের মতো বলছেন।

    “ভালোবাসা ভালো না, ভালোবাসা ভালো
    এই করিতে করিতে জনম গেলো।” কার লেখা জানি না কিন্তু। 😀

মন্তব্য করুন