একটা ডাহুক একলা ডাকুক
বিরহী উদাস দুপুরে
মাঝরাত্তিরে তুমুল নামুক
ধারাজল এই বুকজুড়ে।
আমার ইচ্ছেরা বড় হতে হতে, বনসাই থেকে হয় বনস্পতি
অথচ তোমাকে চেনার আগে, ইচ্ছেরা ছিলো অন্ধবৃত্তে ঘুরে মরা
ঝরাপাতাভরা পথের মতোন, চেনা পৃথিবীর অন্ধকারে।
মধ্যরাতের মাতাল বৃষ্টিতে ধুয়েছি দুঃখবোধ, অগনন দমবন্ধ মুহুর্ত
তারপর আলো এসে জানালার শার্শির ফাকগলে আমারে ছুঁয়ে দিলে –
গাঙ্গুরের বেনোজলে ভাসায়েছি সকল দুঃখ, অসুখী সময় ; ভাসায়েছি অখন্ড তোমারে।
রঙ ছিলো, ক্যানভাসও অপেক্ষায় ছিলো ইজেলে
সময় অপেক্ষায় ছিলো পুর্ণ চিত্রকল্পের –
জলের ছবিটি না একেই খেলা ফুরায়ে
বিষন্নতার রঙ মেখে ডানায় চলে গেছো অচেনা উড়ালে।
একটা বেপথু হাওয়া এসে হঠাৎ জানলায় আলগোছে দোলা দেয় –
আর তক্ষুনি ডেকে ওঠে তক্ষক, ঠিক ঠিক ঠিক।
নিজের হাসির শব্দে ঘোর ভাংগে নিজেরই ; সময় বদলে গেছে।
ভাংগা আয়নায় অখণ্ড মুখচ্ছবি দেখবার বাসনা মিছে।
আলো কাঁপে –
কাঁপে ছায়ারাও, সুদীর্ঘ সময়তলে
পড়োপড়ো দেয়ালজুড়ে বিস্মৃতির ছাপচিত্র।
আধোঘুমে শুনে যাই ইতিহাস,
হৃদপিঞ্জরে কে আজ সময় খুড়ে অনন্ত দুঃখ ছোয়ায়
আমারে কে ডেকে বলে – জাগো, যায় বেলা অবেলায় ।
যে এমন লিখতে পারে তার বলে অবেলায় যেতেই পারে না।
নূতন ক্যানভাস ইজেল এলো বলে।
নতুন ক্যানভাস ইজেল 🙂
হ্যাঁ মানুষ তো দাদা
১। দুপুরের ডাহুকের ডাক মাঝরাত্তিরে বয়ে আনা এহেম এহেম।
২। জলের ছবি আঁকতে শুধু পেন্সিল হলে চলবে না?
৩। ভাষার জন্য আর কতো লড়াই? নিজেকে বলছি 🙂
৪।(সুন্দর)৫
হ্যাঁ বেভুলা ডাহুক সকাল দুপুর বোঝেনা শূন্য 🙂
পেন্সিলে আঁকা কি ঠিক ? সেটাও যে সহজেই মুছে যাবে
লড়াই কেন , বুঝলাম না 🙁
থ্যাঙ্কু 🙂
ছোট ছোট খন্ড চিত্র।
🙂 হ্যাঁ
বাওড়ী বাতাসের ঝাপটা কিন্তু পাচ্ছি আমিও,উদাস হয়ে যাচ্ছি 🙂 (y)
উদাসী হইয়া হারায়েন না 🙂
ধারাবাহিক চিত্র তুলে ধরেছেন দেখছি।
টুকরো ভাবনার ছবি ম্যাম 🙂
বাহ!!!দারুন লিখেছেন (y)
ধইন্যা খেয়ালী মেয়ে 🙂
খুবই ভালো লেগেছে ভাইয়া।
থ্যাঙ্কু স্বপ্ন 🙂
আপনি ভালো আছেন ভাইয়া?
হ্যাঁ লীলাবতী অনেক ভালো আছি 🙂
চেনার আগেই ইচ্ছেরা অন্ধবৃত্তে ঘুরে মরে ।
ভাল লেগেছে ।বাক্যচয়ন সাথে ছন্দ ভাল লিখেছেন ।
থ্যাংকস ছারপোকা 🙂
বাউড়ী বাতাস যেন থেমে না যায় কখনো
চলুক 🙂
আপনার বাওয়াল ভাবনা পড়লে কেমন জানি হয়ে যাই।
আপনার মনটাও আমার মতোই নিশ্চয় দাদা 🙂
একটা বেপথু হাওয়া এসে হঠাৎ জানলায় আলগোছে দোলা দেয় –
আর তক্ষুনি ডেকে ওঠে তক্ষক, ঠিক ঠিক ঠিক।……. কেমন এক অনুভুতি (y)
🙂