
বেঁচে আছি তা প্রমান করার জন্য
রাতে বাদুড় হয়ে এগাছ থেকে ওগাছে করেছি নৃত্য
কি লাভ হলো?
তার সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ জীব থেকে খিস্তি শুনতে হয় সন্ধ্যে অবধি।
লাভ ক্ষতির হিসেবে মাঝে মাঝে অনেকের মত আমিও তাকে সন্দেহ করি
কিসের বিশ্বাস!
কিসের বাস্তবতা!
মাথাটা মোটেও করিনি বিক্রি।
আমার সকল কাজের জন্য আমিই দায়ী
তুই কেউ না শালা
হ্যাঁ, যা বলছি ঘৃণায় বলছি; যদিও আমি তোকে আগে-
আঁপনি, তুমি কিংবা ঈশ্বর ডাকতাম।
তবে কি জানিস?
মরে যাওয়ার ঠিক আগ মুহূর্তে তোকে চেনা যায়
নামে মাত্র ঈশ্বর তুই সত্যিই হারামজাদা।
আর জেনে রাখ- সত্যি বলতে জানলে,
বাদুড়ের মুখেও ফুল চন্দন পড়ে।।
মোট পড়েছেনঃ ৬৯৭জন
আজ পড়েছেনঃ ০জন
কেমন যেন লাগল !
কি রকম দিদি?
ঈশ্বর কোথায় আছে? ঈশ্বর মানে কি?
এসব কি জানি আমরা?
তবে জানি মানবতা নামে একটা ধর্ম আছে, যা বিভিন্ন জাত-পাত-মতের কাছে আজ পরাজিত।
দিভাই আমি সেটাই বুঝাতে চেয়েছি।
ঠিক তাই, আমরাই দায়ী আমাদের জন্য। ঈশ্বরকে আমরা চিনি, ঈশ্বর এমন হতেই পারেনা। এ মানুষ, আমরাই, আমাদেরই কর্ম। সত্যটাকে চরমভাবে ফুঁটিয়ে তুলেছেন। অনেক সুন্দর লেখা। (y)
ধন্যবাদ আপনাকে। 🙂
প্রয়োজন কি, উনাকে টেনে আনার।
প্রয়োজনটা ঠিক বলে কয়ে আসে না। আর উনি আমার কাছে মানুষের একটা অংশ ছাড়া কিছুই না।