পাখি

যখনই দু’চোখ মেলে আকাশচোখে আকাশ দেখি
ছোট্ট সেই দুষ্টু দুষ্টু নীল পাখিটিকে খুঁজি:
খুঁজি প্রশান্ত সৌন্দর্য্যের।
ডাকি, নীল পাখি এসো এসো,
ভেসে ওঠে নীলাকাশে হৃদয় আর্তির প্রসারী বার্তা।
পাখির নূতন জীবন নূতন দৃশ্য, কাঁচুলি আর ওড়না ছিড়ে ফেলে
প্রকৃতির স্বচ্ছতায় পেখম মেলে ঐ আকাশের বনে
নীল জ্যোৎস্নায়, সচেতন অবচেতনে ছিল কোন প্রগাঢ় বন্ধন
যা অটুট আজও।

শ্রান্তের ক্লান্ত উল্লাসে খাঁচার ফাঁক গলে উড়ে যাওয়া
নীল পাখিটি ফুল নিয়ে আজও আসে, এই অবেলায় ও।

রাই…

মোট পড়েছেনঃ ৯২৯জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

৬৪টি মন্তব্য

    1. আপনি ইদানিং কঠিন লেখেন মন্তব্য করেন, এখন চুড়ান্ত কঠিন প্রশ্ন করে
      বসে আছেন। ঘটনা কী ? একটু বুঝিয়ে বলুন।
      প্লিগ লাগে।

        1. হেসে পেট ফাটিয়ে আপনাদের সুবিধানুযায়ী এক দুই তিন চার বিশ বাইশ
          যা খুশি ভেবে নিন।
          বাব্বাহ, শাঁকচুন্নিদের বানিয়ে ফেলেছে।

    1. হ্যা অবশ্যই তাকে ফিরে আসতে হবে,
      সক্ষম পুরুষদের ফুল দেয়ার অভ্যাস তৈরি করা খুব জরুরি।
      আপনি সঠিক সময়ে সঠিক কাজ করেছেন।

  1. পাখির নূতন জীবন নূতন দৃশ্য, আর কবির লেখায় নূতন মাত্রা। সহজ লেখায় ত্রিতাল আর ঠুমড়ির আবেগ দেয়া গেলে, এতদিন কই ছিলেন? সত্যি বলছি ভীষণ সুন্দর।

    1. বাহ্‌, নূতন মাত্রার প্রশংসা পেয়ে আমার ও নূতন ভাবে শুরু করতে ইচ্ছে হচ্ছে।
      আপনি এখানের কবিগুরুর কাছের মানুষ, কত কই ই না দেখতে পান।
      ছিলাম এখানেই ভাইয়া, রংয়ের রঙয়ে ভয় পেয়ে আড়ালে-আবডালে চলে গিয়েছিলাম।
      আপনাদের বিশ্রামের সময় টুপ করে উঠে একটু নিঃশ্বাস নিচ্ছি।
      “সত্যি বলছি ভীষণ সুন্দর” এমন সুন্দর কথাটি বার বার বলতে হয়,মনে থাকে যেন।

      1. আচ্ছা আরেকবার বলছি, ভীষণ সুন্দর। নীল জ্যোৎস্নায় নীল পাখি উড়ছে, কাঁচুলি আর ওড়না ছিড়ে ফেলে। কবিতা পড়ে তাকে দেখতে পাইয়ে দেয়া কবির জন্য ফোর এন্ড হাফ প্লাস, আর বাকি হাফ, ইশ কবে এমন করে লিখবো !!

  2. রাই এবার পাখি! বুঝতেছি ইহা বহুদিন যাবত আমাদের সাথেই থাকিবে।
    হুম রাই পাখি হোক,মাছ হোক,যাই হোক হেলাল ভাইয়া একান্ত অনুভুতীই লিখবেন কবিতা নয়। :p

  3. নীল, আমার বড়ো দূর্বল একটা নাম, শব্দ, রঙ। ওই শব্দটা যেখানে থাকে আমি জানি কেমন হয়ে যাই।
    নীল আমার অনেক গভীর ভালোবাসা।
    এটা কিন্তু ঠিক না, আপনি আমার নীলও নিয়ে নিচ্ছেন। মজার কথা বলি, আমার বড়ো মেশো(খালু) ছোটবেলায় আমায় ব্লু বার্ড নয়তো নীল পাখী বলে ডাকতো। বাপি ডাকতো নীলমন, আর ফেসবুকে সুরঞ্জনা বুবু ডাকে আমায় নীলমনিলতা, রুমানা দিদি ডাকে নীল। তাহলেই বুঝুন কেন এতো প্রিয়!

    তবে খুব সহজ-সাধারণ কবিতায় আপনাকে মানায় না। কিন্তু এখানে এসে ভাবতে ভালো লাগছে আপনি কবিতাকে পাঠকের কাছাকাছি নিয়ে যাচ্ছেন। কবিতা কেন পড়েনা মানুষ জানেন? বোঝেনা বলেই কবিতার সাথে পাঠকের দূরত্ত্ব অনেক। (y) -{@

    1. নীল নিয়ে এত্তো কিছু জানা ছিল না, এ ও ভাল এ লেখার সুবাদে আমারা জানাদের
      আরও কাছে পৌঁছুতে পারলাম। এতো নীলের উপাখ্যান। নীলে নীল নীলাকার।

      আর তাই বলে নীলের কপিরাইট আপনার হয়ে গেছে এটি মনে করার সাহস দুঃসাহসের
      নামান্তর, কবিগুরু (সোনেলার)। আমার লেখায় ঘেটে ঘুটে দু’চারটি নীল আপনি পেলেও
      পেতে পারেন। অতএব সামালকে গুরুনী।

      তবে হ্যা, দুর্বোধ্যতা কবিতার প্রাণ বা মৃত্যু সমতুল্য।(আমি কবিতা লিখি না),আমার অক্রবক্র লেখা
      আপনার বৃহৎ হৃদয়ের মহাত্ব নিয়ে পরেন প্রশংসা করেন এ অনেক পাওয়া(মিথ্যা)।
      অবশ্যই ধন্যবাদ।

      1. সত্য-মিথ্যার ধার ধারিনা। নিজের মনের মতো চলি, শুধু কারো ক্ষতি যাতে না হয় আমায় দিয়ে, ওদিকেই খেয়াল রাখি। যাক ভাগ্য ভালো আমি নীল পাখীকে ডাকেননি, তাহলে আসলেই কপাল মন্দ হতো।

        বারবার বিদ্রূপ করছেন সোনেলার কবিগুরু বলে, এ কিন্তু ভারী অন্যায়। আপনার রাইয়ের ঠিকানা দিন নালিশ দেবো। মেহজাবিন, নন্দিনী, চিত্রাঙ্গদা এখন রাই। বাবারে লম্বা লাইন। আপনি তো দেখছি টম ক্রুজকেও হারিয়ে দেবেন!!! 😀 :p

        1. ভাই, আর যাই করুণ জানে-প্রাণে মারবেন না, কিচ্ছুতেই রাইকে
          নালিশ দেবেন না। যদিও ঠিকানা দেয়ার মত ভুল করছি না।
          ক্রুজ-ফ্রুজ কিছু না, দৌড়ে পালানো দেখে বুঝতে পারছেন না!!

          নীল পাখিটিও আপনার!!
          গুরু কে গুরুই বলতে হয়, তাতে বিদ্রূপের ছিটেফোঁটা ও থাকে না।

  4. থাক না নীল পাখি তার মনের মত করে ঐ দিগন্তে ডানা মেলে ঘুরে বেড়াক। তাকে ডেকে তার পায়ে বেড়ি পরিয়ে কি লাভ। একদিন দেখবেন ঘুমিয়ে আছেন আপনি আর ঐ নীল পাখি চুপটি করে এসে আপনাকে দেখে যাবে। আর ঘুম ভেংগে আপনি খুঁজে পাবেন তার ফেলে যাওয়া একটি নীল পালক,,,,,

    কিন্তু এই রাই রহস্য আজো বুঝে আসল না 🙂

    1. আপনার মন্তব্য তো লেখাকেও ছুঁইয়ে ফেলছি। এত সুন্দর করে এই লেখক ও
      ভাবছে কিনা আমার সন্দেহ করতে ইচ্ছে করছে।
      সাথে থাকুন যেমন আছেন, রাইকে আপনার পছন্দ না হয়েই যায় না।

        1. হুম এমন শূন্যস্থান পূরনের অনুমতি আরেকজনের উপর ছেড়ে দেওয়া কি ঠিক হল???? যদি অনিচ্ছাকৃত ভূল হয়ে যায়,,,,,,

    1. আপু মনে হয় পালিয়েছেন আমার হুমকি-ধামকি শুনে। কি অবস্থা দেখো আমার নীল নিয়ে টানাটানি। কত্তো সাহস!!!

      কবি ভাইয়ের কপালে খারাবি আছে শুন্য আপু

    2. ঘুমুতে পারলে ভালই হত, রাই এর হাতে পড়ে জীবন ছারখার।
      তাও লেখাটি আপনারা ছুঁইয়ে দিচ্ছেন দেখে ভালো লাগল।
      ভাল থাকবেন সাথে নেবেন এই চাই।

  5. শেষ দুইটা লাইন কিন্তু বেশি ভাললাগছেঃ “শ্রান্তের ক্লান্ত উল্লাসে খাঁচার ফাঁক গলে উড়ে যাওয়া
    নীল পাখিটি ফুল নিয়ে আজও আসে, এই অবেলায় ও।”
    কারন আমি জানতাম যে যায় সে এক্কেবারে চলেই যায়, আর ফিরে না। এখন দেখি না কেউ কেউ ফিরে আসে ভিন্নরুপে, ভিন্ন নামে।

    অনেক অনেক ভাললাগা রেখে গেলাম তাই আপনার কবিতায়। শুভকামনা নিরন্তর জানিবেন।

  6. শ্রান্তের ক্লান্ত উল্লাসে খাঁচার ফাঁক গলে উড়ে যাওয়া
    নীল পাখিটি ফুল নিয়ে আজও আসে, এই অবেলায় ও।

    যে বেলাতেই আসুক তাকে স্বাগতম।

  7. মমতা দিয়ে লেখায় আমিও খুঁজে পেলাম প্রশান্ত সৌন্দর্য্যের, প্রসারী বার্তার ডাক।
    ফিরে ফিরে ফুল নিয়ে আসে তাই আপনাকে ভাগ্যবান ভাবতে চাই, কারন পাখি কারো হয়না।

    1. পাখি কারো না হয়েই পারে না। কারো হয় বলেই ফিরে ফিরে আসে।
      পাখির প্রতি প্রাণের ঐশ্বর্যময় ভালোবাসাই প্রকাশিত হয়েছে।
      ভাল থাকুন আরও।

মন্তব্য করুন