নূর হোসেন কবরে নয়; এবার রাজপথে চলে এসো,
রাজপথ আবার মুখরিত।
হুকুমের চাকর নব্য রাজাকারের দলেরা আবার হুঙ্কার দিয়েছে!
আত্মাহুতি নয়; বোধ মুক্তিতে তুমি বেরিয়ে এসো।
নূর হোসেন তুমি একাত্তর নও;
নও সেই নব্বই!
তুমি এবার একাত্ম হও;
আমরা তোমার স্মরণ লই!
কতোটা বেপরোয়া হলে তোমায় ডাকি
তুমি কি তা বুঝতে পারো!
যারা মারছে আর যারা মড়ছে
ওরা আমার মতো কারো ভাই বা
প্রিয় কারো আত্মীয়!
নূর হোসেন তুমি ফিরে এসো!
হুকুমকারীর হায়েনারা আজ আবারো সংহত,
রাজনীতির মাঠে ক্ষমতানীতির ছোবলে
গণতন্ত্রের মাথা নত।
নূর হোসেন তুমি আমার বোধ হয়ে এসো।
‘গণতন্ত্র মুক্তি পাক’ হৃদয়ে লিখে
জাতির পতাকায় মাথা উঁচু করে দেই আবারো!
নূর হোসেন তুমি জাতির পিতার বেশে এসো
নূর হোসেন তুমি সেনাপ্রধানের কন্ঠে মুক্তির বাণী নিয়ে ফেরো।
নূর হোসেন, কবর থেকে ডেকে নিয়ে
জাতির কাছে আমি লজ্জিত।
আবার বুঝি গুল্লি দেবেন !
না… এইবার বেয়নেটের সামনের বদলে কলমের সামনে নূর হোসেন জেগেছে… পরিবর্তন এসেছে অবশ্যই… আরো আসবে।
নুর হোসেনকে আমরা কবর দিয়েছি
আমাদের স্বার্থের কারনেই তাঁকে আমরা আর জাগাবো না ।
শরীর জাগবে না কিন্তু স্বত্বা ঠিকই জাগে…
আর কত নুর হোসেন চান। একাত্তরে
নুরের সন্মান দিয়েছেন, না ।
আর কত নুর হসেন দেবে রক্ত।
সবাই শরীরী ণুর হোসেনেই ডূবে আছেন দেখছি… একটা মানুষের আত্মত্যাগ শরীরী হলে মজে পঁচে যায়, কিন্তু তার স্বত্বা তো পঁচে না, সেটাকে জাগাতে হয় বারেবারে…
আমি দিয়েছি সম্মান একাত্তরের নূরের, দিয়েছি নব্বইয়ের, দিচ্ছি এখনকারও।
আমাদের জন্য কত?
যতবার প্রয়োজন ততবার।
নিজের আত্ববধেই বাধে দাদা।
তাকে সন্মান করি অন্তরের অন্তস্থল থেকে
তাঁকে আত্বার বাধনে বেধে রাখব রেখেছি।
জ্বী, তাই বাঁধছি আবারো সবাই মিলে 🙂
নূর হোসেনরা আসে সময়ে সময়ে।
কিন্তু আমরা তো পারি না নূর হোসেনদের লালন করতে,বাঁচিয়ে রাখতে।
দিন শেষে আমরাই আবার নুর হোসেনদের মাটি চাপা দিয়ে গরম চায়ের উত্তাপে নির্বিবাদী সুখী স্বার্থপর মানুষ হয়ে সব ভুলে যাই।
তবুও ‘নূর হোসেন’ ফিরে আসে প্রতিবারে সময়ের দাবীতে, হয়তো বা কলমের খোঁচায় অথবা জ্ঞানের মশাল হাতে। 🙂
নূর হোসেন একটি নাম হাজারো কন্ঠের প্রতিবাদ।
এখন আশায় বুক বাধি কবে আবার জেগে উঠবে এমন নূর হোসেন যারা গণতন্ত্রকে স্হির রাখবে।
ঠিক 😀
নুর হোসেনের রক্তদান বিফলতায় পর্যবসিত হচ্ছে। আসলে এদেশ সমাজকে ভাল করতে হলে আমাদের অনেককে নুর হোসেন হতে হবে।
নতুবা কোনদিনই এদেশ অধিকাংশ মানুষের প্রত্যাশার জায়গায় দাঁড়াবেনা।
আমাদের মানসিকতায় নূর হোসেনের মতো সচেতন ও নিঃস্বার্থতা চাই।
কিসের জন্য আবার তার মৃত্যু চাই? বেইমান মানুষ শুদ্ধতার রক্তের দাম কতটাই দিতে পেরেছি?
মৃত্যুকে নয়, তাঁর অস্তিত্বকেই চাই… ‘নূর হোসেন’ এমন একটি স্বত্বার অস্তিত্ব যার মৃতয়ু নেই 🙂