নিঃশব্দের ফিরে আসা

মহাকালের সুদীর্ঘ নিস্তব্ধতার পরে,
নিঃশব্দ, কেন এলে?
শেষের এই জরাজটিলতার বিভগ্ন প্রহরগুঞ্জনে!!
ঘুমোতে যাব,

কিংকর্তব্যবিমূঢ়তায় ঢাকা পড়ে যাচ্ছি
শূন্যতার নিরর্থ প্রলাপে,
ঘুমোই এবার?

বলেছিলেতো
সবকিছুই নাকি অন্তঃসারশূন্য, বস্তাপচা,
টুকে-ফুকে লেখা হীনশব্দস্রোত!
ঘুমোলাম;

তবে দেখেনি যে
জীবনচাঞ্চল্যের অহেতুক ভিড়ে কাশফুলের গায়ে
অনন্যসাধারণ সোনালী সূর্যাস্ত, শতাব্দীপরম্পরায় অদ্বিতীয় রুপোলি নদীর
শাঁই শাঁই জল স্রোতের জলকল্লোল, রাহুমুক্ত সাদা চাঁদ;

হৃদপিণ্ডস্পন্দনের অমরতার স্বাদ-আস্বাদ
পাবেনাতো সে;

মোট পড়েছেনঃ ৭২৮জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

২০টি মন্তব্য

  1. স্বমহিমায় ফিরে এলেন তাহলে। এছাডা আপনাকে মানায় ই না।
    সব মাথার কত উপরে দিয়া গেল তা যদি ভাবী তাহলে আমার সাধের চুল আর গর্ব করা দাঁতের কিছু বাকি থাকবে না।
    ঘুমান, ঘুমের যেন ডিসপাট না হয়।
    বাপরে…

    1. মন দিয়ে না পড়ে খালি লাফালাফি!!
      বলে দিচ্ছি, নীচের মন্তব্যের উত্তরে,
      সেটা পড়ে, লেখাটি আর একবার কষ্ট করে পড়ুন,
      প্লিগ লাগে।

  2. সাময়িক ঘুম মানেই তো জেগে ওঠা ভোর। আচ্ছা ঘুম মানেই তো সাময়িকভাবে মৃত্যু, তাই না?
    একদিন মহাকালের অন্ধকার গহবরে তলিয়ে যেতেই হবে সবাইকে। কতো কি যে অজানায় থেকে যাবে, হরেক রকমের ইচ্ছেগুলো আর পাখনা মেলে উড়ে বেড়াবে না।
    যেতেই হয়, এটাই নিয়ম।

    কি জানি কি বুঝলাম, আর কি লিখলাম। কুবিরাজ ভাই সত্যি কইরা বলেন কবিতার মানেটা কি? ^:^

    1. অনেক অনেক দিন পর নিঃশব্দ নামের কেউ ফিরে এসেছে,
      সেটি আবার ঘুমের সময়।
      বিরক্ত বোধে ক্থাশূন্যতা হচ্ছে, তাই চলে যেতে বলছে,

      যে একসময় বলেছিল এইসব লেখাটেখা কিচ্ছু না, কিছু হয় না, ভুয়া,

      এর উত্তরে বলা হচ্ছে, যে কাশফুল সহ অনেককিছু দেখেনি এবং ভালবাসলে হৃদয়ে
      যে অমরত্বের আস্বাদ পাওয়া যায় তা যে পায়নি, তাকে এ সব লেখা বোঝানোর কিছু নেই।

      এখন আবার পড়ুন।

      1. কবিতার তাৎপর্য জেনে গেলে এতো প্রিয় হয়ে যায় শব্দগুলো। কয়েকবার পড়লাম। নিঃশব্দে নয়, উচ্চারণ করে করে নিজের কর্ণকুহরে প্রবেশ করিয়ে তবেই ছাড়লাম। আর কর্ণকুহর থেকে কবিতাটি অনেক ভালোলাগার ভেতরে স্থান করে নিয়েছে। সত্যি বলছি ভালো লেগেছে। অনেক বেশী ভালো লেগেছে কবিতা।

        তয় আপনি আমার দাঁত নিয়া ভ্যাঁংচি কাটেন, তাই আবৃত্তি শুনামু না কুবিরাজ ভাই। 😀

      2. এখন তো শোনাবোই না, ভবিষ্যতেও ভেবে দেখতে হবে! ;?

        সমস্যা নেই ভ্যাংচি চালু থাকুক। বিবর্তনের পরেই তো মানুষের উৎপত্তি। 😀

      3. নীলাঞ্জনা নীলা বলেছেনঃ
        ডিসেম্বর ২৯, ২০১৬, ১১:৩৩ অপরাহ্ন (সম্পাদনা)

        মিষ্টি আপু তুমি আমার ঘাড় মটকে খেয়ে পার পাবে ভেবেছো? আমি কিন্তু শাঁকচুন্নী, জেনে রাখো। :p 😀

  3. বলেছিলেতো
    সবকিছুই নাকি অন্তঃসারশূন্য, বস্তাপচা,
    টুকে-ফুকে লেখা হীনশব্দস্রোত!
    ঘুমোলাম;
    ধূর! এমন কথাখান কে কইলো ;?
    এতোসুন্দর রাহুমুক্ত চাঁদের সাথে জেগে না থেকে ঘুমতে আছে! জেগে থাকুন তো কিছুক্ষণ।
    কি এতো ঘুম ঘুম করেন?
    ফিরে যে এসেছে তাকে গ্রহন করুন। তবে তা করুনায় নয়, ভালোবাসায়।

  4. লেখাটি আমি নেবো 🙁
    পূর্নেন্দু পত্রীর টাচ পাচ্ছি কেমন যেন। এরকমটা আগে লিখেছেন কী? না বোধহয়।
    আত্মকথন কিংবা কথোপকথন দুভাবেই ভেবে নেয়া যায়।
    হৃদস্পন্দন এর স্বাদ কেমন জানিনা, তবে লেখাটির স্বাদ খুবই সুস্বাদু। চাঁদ তবে অভিশপ্তও হয়?

    1. নিন না, কে করেছে মানা!!

      আসলে পাত্রীর লেখা পড়িনি, তবে পড়ব বলে ঠিক করেছি,
      এমন লেখা এখন লিখছি, যদিও ইচ্ছে করে নয়, যখন যা মনে আসে,
      এটি আমার খুব প্রিয় লেখা, যখন লিখেছি তখন বুঝিনি, পরে অনেক বার ফিরে ফিরে এসেছি,
      স্বাদ সাধু হলেই হবে, এর বেশি চাই না,
      কঠিন প্রশ্নের উত্তর হয় না।

মন্তব্য করুন