ধূলোপড়া স্মৃতি

নীলাম্বরে গড়েছিলাম যে প্রেমের ঠিকানা,
তিমির রাত্রিতে নীলাম্বর-মৃত্তিকার অভিস্যন্দ;
পূবালী বাতাসে ছিল যে নেশাচ্ছন্ন ফুলের সুবাস,
তুমি-আমি ছিলাম দিগন্ত রেখায়।
আষাঢ়ের নবজল চিঁড়ে  রজঃস্বলা মীনদল;
হারিয়ে যেত কোন সে সুদূরে?
পাখির সিক্ত ডানায় নতুন প্রাণের স্পন্দন-
ভেঙে যাওয়া স্বপ্ন ফিরে ফিরে আসে
চোখের আরশিতে নিদের উর্ণায় ভর করে।

ধূলো পড়া অতীতে স্মৃতিরা দেয় হানা ,
বাতাসে ভেসে আসে বন্দী ক্রন্দনের করুণ সুর।
বেলা-অবেলার বাঁধনে বাঁধা পড়েনি স্মৃতির মায়াজাল;
অশোকের গভীর ঘনচ্ছায় থোকায় থোকায়
গোধূলির রক্তিম আভা ঠিকরে পড়ছে।
মৃত্তিকার বুক চিড়ে অন্ন ফোঁটে নব-রসধারায়,
মন-মন্দিরে শাঁখ বাজছে সন্ধ্যা-আরতিতে;
মনে পড়ে তুমি-আমি বাসনার তীরে ছিলাম নিমগ্ন-
আঁধারের বুকচিঁড়ে লজ্জাহীন শালুকের ফুটন্ত আসরে।

মোট পড়েছেনঃ ৯৯০জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

২৩টি মন্তব্য

    1. সত্যিই খুব ভালো লাগলো। আপনাদের মতো সব্যসাচীর কাছে এমন মন্তব্য পেলে আর কি চাই! অসংখ্য ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই।

  1. “ধূলো পড়া অতীতে স্মৃতিরা দেয় হানা ,
    বাতাসে ভেসে আসে বন্দী ক্রন্দনের করুণ সুর।
    বেলা-অবেলার বাঁধনে বাঁধা পড়েনি স্মৃতির মায়াজাল;”
    কবিতা ভাল লেগেছ।
    শুভেচ্ছা জানবেন।

মন্তব্য করুন