ধনুকের ভালোবাসা

রাতের বুকে বালতি বালতি জ্যোৎস্না ঢেলে
চাঁদ হেসে ওঠে, ধ্রুপদ আলোর নিপুণ মূর্ছনায়
অনন্ত-তৃষ্ণা ডানা মেলে, নিভৃতে রোপণ করা
স্বপ্ন অভিলাষে, ঝাঁপায় এদিকে-ওদিকে;
খুবই স্বাভাবিক,

ঝকানো বিজ্ঞাপনে নটি সুখের মিচকে হাসি
একটি নিলে একটি ফ্রি, দু’টিতে তিনটি!!
শহুরে অহংকার ছুঁয়েছে চুল থেকে পায়ের নখ অব্দি;
এই-ই হয়।

আলোকসুন্দরী পাখিরা আধারেই খুঁজে নেয় উলুবন
ভাগ্যের দোহাইয়ের জিকিরে, বাঁকে বাঁকে।
অস্বাভাবিক নয় কিছুই এখন,

সময়দৈর্ঘ্যের আমি-তুমি,
তুমি-আমি,
তুমি-তুমি
এখন শুঁকিয়ে যাওয়া দীঘল নদী,
এক কুড়ি বজ্র দাগাই হলো সার
কিছুতেই ছুঁলো না জলবৃষ্টি।
এমন হতেই পারে,

না-জল না-বাতাসেও সারা শরীরের আলপথ জুড়ে
রঙিন জোয়ার, ঝাঁকে ঝাঁকে ধুম লাগা ধনুক ভালোবাসায়
সুগন্ধি বিছানা উর্বর আবার,
সাধের শরীরী আহ্লাদে এমন হতেই পারে।

দেখা হবেনা, কথাও না আর, না-কথার খৈ ফুটিয়ে বিনা কারণে
নিরন্তর খিস্তি-খেঁউড় হবে না, জ্ঞানী জ্ঞানী কথার তুবড়ি ছুটবেনা,
এমন কথাবলা মোটেই ঠিক না, ঠিক না;

মূখ-বধিরতায় এ কোন্‌ অনড় ম্লেচ্ছ সুখ!
হেলে যাওয়া যৌবনকুটিরে!
সহস্র সহস্রাব্দের নিভাঁজ ভালোবাসা ফেলে রেখে
অভেদ্য ধোঁয়ার নিপুণ বুননে নিঃসঙ্গতার আঁক এঁকে!!

মোট পড়েছেনঃ ৬২১জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

২৮টি মন্তব্য

  1. দেখা হবেনা, কথাও না আর, না-কথার খৈ ফুটিয়ে বিনা কারণে
    নিরন্তর খিস্তি-খেঁউড় হবে না, জ্ঞানী জ্ঞানী কথার তুবড়ি ছুটবেনা,
    এমন কথাবলা মোটেই ঠিক না, ঠিক না;

    ভাল লাগলো , আসলেও উচিত না।

  2. ভাবছি কি বলা উচিৎ! বহুবার পড়েছি।
    ভালোবাসা কি তবে সরলরেখা নয়! বাঁকানো? আজ জানলাম।

    কুবিরাজ ভাই ঋতুরাজ বসন্ত এলো। ফাল্গুনী শুভেচ্ছা।

  3. আমি-আমি বাদ কেনো? আমি আমি ছাড়া আর কিছু থাকর কথা নাই কুবি। সব কিছুতে চাই, আমি আমি আমি।
    আসলে কিছুই বুঝি নাই, বুঝতাম চাইওনা। বেশী বোঝা ভালূনা।

    1. আমিও প্রায় না বুঝে-সুঝে হুদাই হাউ-কাউ চালাই,
      তুমি-তুমি ই করতে চাই জোর গলায়!!
      কিন্তু তুমিটা যে কই কই থাকে তার কিনারাই করতে পারিনি।

  4. প্রথম প্যারা বুঝেছি। দ্বিতীয় – বুঝিনাই। তৃতীয় – উলুবন বলে কিছু নেই, আলোকসুন্দরী পাখিরা যা চায় হয়তো তাইই পায়। আলো বলেই হয়তো আঁধার চায়। আঁধারের রুপগুন তো কম হবার কথা নয়।
    চতুর্থ – বসন্তকালেই শুকিয়ে গেছে!! গ্রীষ্ম তো এখনো বাঁকি।
    পঞ্চম – কল্পনা? ষষ্ঠ -কখন কোথায় দেখা হয়ে যায়, কথা হয়ে যায় কেউ জানেনা, তাই মোটেই না বলাই ভালো।
    সপ্তম -ফিরে এসেছেন আবার সেই নি:সংগ একার সুখে? গুড। নি:সংগতা নিয়ে বসন্ত কাটুক, ফিঙ্গে তো আছেই।
    এক কবিতায় এতকিছু লিখলেন, তারপরেও কাল আরেকটা প্রসব হবে। ক্যাম্নে পারে কে জানে!

    1. বাহ্‌, দারুণ পোস্টমর্টেম!!
      এই না হলে দাঁতের দাক্তার!!

      আতুড় ঘরে স্থান সংকট!!
      এমন সরব উজ্জয়িনী উর্বরতায় টিউবেক্টমি করে খুনির তকমা কেউ নিতে চাইবে বলে মনে হয় না।
      আসলে পারে সবাই, কেউ দেখায় কেউ লুকিয়ে দেখায়!!
      আজ কিন্তু দেইনি, কাল বাদ যাবেনা কিন্তু,

      আপনার দেয়া নিসংগতার বসন্তবর ফুলে ফলে গড়ে উঠুক সে অপেক্ষায়-ই থাকি,

  5. শিরোনামটা আমার, আপনি নিছেন ক্যান?
    এখন আমি এই শিরোনামে পোস্ট দেই ক্যামতে?

    এত ল্যাহা আসে ক্যামনে আপনার মইধ্যে?

    1. আগে কইবেন্না এইডা আপনার বিষয়!!
      ব্যাপার না, ধনুক দিয়ে দেন, ধনুকের জয় হবে নিশ্চয়ই,
      খালি ধনুক আর ধনুক,

      ধনুক অকেজো, নেই, তাই লেইখ্যা জ্বালা মিটাই।

মন্তব্য করুন