তৃতীয় মানের কবিতা

সর্ব শেষ সর্ব বেশ

তালকে তাল তিলকে তিল

নয় কোন উল্টো

কারনে অকারনে রেখো সামজ্জস্য।

কবিতা না পদ্য

গল্প না গদ্য

হউক না জানা অল্প অল্প

তবুও লেখা চাই দৃঢ় কপ্ল।

ভাষার মাঝে আমি নই বিজ্ঞ

অজ্ঞতা জানার আগ্রহে হবো অভিজ্ঞ

তোমরা লিখবে লিখুনির ভাজেঁ ভাজেঁ

আমি শুধু তীক্ষ্ন দৃষ্টিতে  জ্ঞান করব আহরণ।

লজ্জিত লজ্জা দুটোই সমান মর্মতার

ডুবতে চাই জ্ঞান লজ্জার সাগরে

মুক্ত নাহি পাই ঝিনুকতো পাবো

ঝিনুকের মাঝে শব্দের রস খুজে নিবো।

পাছে কিংবা সামনের লোকে কিছু বলে

করি না পরোয়া যে যা বলুক

বরাবর বে-হায়া হবো জ্ঞান অর্জনে

ইসলামে কয় জ্ঞান আহরণও ফরজ।

জম্মেছি তেলাল্লিশটি বছর গত

মাঝে ঘুমিয়েছি একুশটি বছর

বাকী বছরগুলো হলো সারা দূরন্তপনা আর শিক্ষার মাঝে

নেইতো বাকী আর মৃত্যুর বছরের দুয়ারে যেতে।

মন্তব্য নিঃষ্প্রয়োজন ভাল কি মন্দ

নই আমি কবি সাহিত্যিক, কি জনপ্রিয়

আমি অতি সাধারন লিখি লাইভ মাটির মানুষ

আমাকে করো না ভাই কেহ, মনে ব্যাক্তি অপ্রিয়।

মোট পড়েছেনঃ ৮৮৩জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

৩০টি মন্তব্য

    1. কবিতার জোক প্রায় সবাই একটি গল্পের চেয়ে কবিতায় মন্তব্য বেশী পড়ে আর ভাষার মাধ্যমে এর ব্যাখ্যার দীর্ঘতা।ধন্যবাদ। -{@

    1. ধন্যবাদ ভাইয়া ব্যাস্ততাতো থাকবেই তবে রি ভাইজ পড়ে কারেকসন করতে আলসেমি লাগে যা লিখি তা লাইভ পূর্ব প্রস্তুতি থাকে না। -{@

  1. কোন কবিতাই তৃতীয় মানের হয় না ভাই, হয়তো পাঠক না থাকতে পারে, হয়তো একটিও মন্তব্য আসবে না তারপরও কবিতা তার আপন সৌন্দর্য্যে উত্থিত হবে একদিন, যেমনটি জীবনানন্দের ক্ষেত্রে হয়েছিল। মূল্যায়ণ যদিও না পান তাতেও লিখে যেতে হবে।

  2. ব্রাদার

    বাধানো পথের শেষে হুইসেল বাজানো দারোয়ান সহ যে সিংহদ্বার থাকে কাব্যের ভুবনে প্রবেশের তাই একমাত্র রাস্তা নয় ,বরং বাধানো রাস্তা ছেরে আলপথ ধরে হাঁটাদেরই সবাই কালোত্তীর্ণ বলে গতানুগতিকেরা হারিয়ে যায় কালের ধূলোয়।
    একটুও কান দেবেন না লোকের কথায়। নিজের আনন্দের জন্য লেখার চে বড় কিচ্ছু নেই। বরং তাদের বলুন তুমিই বরং দুটো লাইন লিখে দেখাও হে বাপু , দেখি মানসম্পন্ন কবিতা দেখতে কেমন হয় 🙂

মন্তব্য করুন