তারাবাজি

হে আমার সাধের সময়,সাইধ্যের বাইরে থাইক্কা
বিশাল বিপুল বাক্য ব্যয়ে অধরাই রইলা,
আমার সকল হাপিত্যেশে ছুঁই ছুঁই ভাব মাইরা।
চা দিতে চাইলা
রং চা না দুধ চা,চিনি দিয়ে না চিনি ছাড়া
চিনি হইলে কয় চামচ,
তা না জাইন্না।
সেই কবে চা-চিনি খাওয়া দিছি ছাইরা।
আমি এখন কফিখোড়।

হে আমার প্রাণের পোলা
আমারে থুইয়া কই ই যে গ্যালা!
আবার দেহি আইছে ঈদ,
তারা বাত্তি জ্বালামু না?

মোট পড়েছেনঃ ১,০১৩জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

৩১টি মন্তব্য

  1. এই না সেদিন বললেন, আপনি কফিভুখ নন, কফিখোড় কেমন করে হলেন? কবে থেকে হলেন? :O চা-এর অফার কে দিলো ভাইয়া?

    তারাবাত্তি জ্বালানোর সময় হয়ে এলো, তারে কি খুঁজে পাওয়া যাবে আদৌ?

    1. প্রবল পাহারা এড়িয়ে রাত আমার ঘাড়ে পরার পর থেকেই কফিখোড় হয়ে গেলাম। মানে আমাকে আপনাদের সেই
      মুখপুড়ি রাত বানিয়ে ফেলল। কী করব বলুন ,না তো আর এখন বলতে পারি না।

      না না, কেউ আমাকে চা খেতে ডাকে না। মনে মনে ডিজিটাল চা খাই আরকি!
      আজকাল হারালে আর খুঁজে পাওয়া যায় না।

      লেখা দিয়ে দিন দ্রুত।

    1. বেশি বেশি হাসুন ,হাসা খুব দরকারি বস্তু ।
      যা মনে আসে তাই লিখি মনের আনন্দে। আপনাকে একটু কম দেখছই বলে মনে হচ্ছে।
      কিন্তু কেন এমন হচ্ছে !

মন্তব্য করুন