জ্যোৎস্নার কবিতা-লেখক

পড়ুক গলে গলে মোমের নূপুর
ক্লান্তির শ্রান্তি এড়িয়ে আয়না প্রদীপে,
সলাজ চোখ-সীমান্তের উপকূলে;

মৌনতার হাতে অনুনয় মেখে
দাঁড়িয়ে আছে বিষণ্ণ স্মৃতির ভাঁজে ভাঁজে,
প্রতিশোধ-স্পৃহায়, স্বীকৃতি তার চাই-ই।

ভালোবাসার অহংকারী ভূগোল-দুঃসাহসে
বনস্থলী ফুলের বাগান অঙ্গার করে
কবিতা-লেখক সে হবেই,
জ্যোৎস্নায় না বলা কথা সে বলবে এবার
আত্মরক্ষার তাগিদে।

‘টান’

——————————————
প্রহেলিকাকে কিচ্ছুটি বলছিনে!!

মোট পড়েছেনঃ ১,০৩৮জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

১৭টি মন্তব্য

  1. নিজের সবটুকু উজাড় করে নিজেক অনলে পুড়িয়ে অঙ্গার হয়ে একদিন না একদিন মানতেই সে সাধনায় পোক্ত।
    আমি পাঠক পাইছি কবিতা এটাই আমার বড় পাওনা।
    এতেই পাঠকগণ খুশি।
    -{@

  2. ধ্বংস নিয়ে খেলায় মাতা! ফুলের বাগান অঙ্গার করার সাধ্যি কার শুনি! নেহাৎ কবিতাও তখন বিপরীতে দাঁড়াবে।

    প্রতিশোধ স্পৃহা এবার লেখক কবিতা লিখতে পারুক আর না পারুক ঘাতক নির্ঘাত হবে।

    আত্মরক্ষার্থে এবার তাহলে কারাতে মার্শাল ফাইটিং ফুইটিং না শিখে জ্যোৎস্নার সাথে ভাব জমাতে হবে দেখসি।

    তবে যাইহোক, এভাবে লিখলে গায়ে জ্বালা ধরে, আমাদেরও মন চায়। কিন্তু আমরা পারি না, আমাদের শব্দথলি খুবই সীমিত।

    1. মনের কথা না শুনে ভারী অন্যায্য কাজ করেছেন!
      ভেজা কম্বল গায়ে জড়িয়ে লিখতে বসে যান, কোন ব্যাপার না!!
      থলি/ফলি কোন কাজে লাগে না। দ্রুত ভাবের রাজ্যে হানাহানি শুরু করে দিন।

  3. সলাজ চোখে,,মৌনতার হাতে অনুনয় মাখা আবার বিষন্ন স্মৃতির ভাঁজ ও আছে,,, এভাবে কি প্রতিশোধ নেয়া যায় ?! প্রতিশোধ স্পৃহাটাও যেন কেমন কেমন,,, ঝিম ধরা,, শীতের রোঁদের মত আঁচ নেই বলেই মনে হচ্ছে।

    আচ্ছা,, দেখতে থাকি এভাবেও স্বীকৃতি পাওয়া যায় নাকি। শিখে রাখা ভালো,, কোনোদিন কাজে লাগতেও পারে।

মন্তব্য করুন