জলপিঁড়ির নিপুন ভালোবাসা (২)

 

প্রখরতর রৌদ্র-দুপুরে,
ধানসিঁড়ি বয়ে যায় নীরব-নিভৃতে;
নিথর পুকুর শয্যায় একাত ও-কাতে ঘুমায়।
সামান্যতম এক জল-ফুঁ-য়ে নিভিয়ে দিতে পারে
তাবৎ সদম্ভ জল-বৈভব;
গাঢ়-মেঘ-ছাতায় ঢেকে দিতে পারে
রৌদ্র-উল্লম্ফন এক লহমায়,
দেয় না।

ভালোবাসার জলসিঁড়িতে পা-ভিজিয়ে
নিপুণ সাধকের মত শূন্যতার নিষিদ্ধ
খেলায় মাতে, বার্ধক্যহীন পুনর্জন্মে,
বিষণ্ণ বাউলের চুড়ো-বাঁধা চুলে।

মোট পড়েছেনঃ ৯৩৪জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

১৬টি মন্তব্য

  1. আবার ধানসিঁড়ি! এবার সাধু মুনির বেশে।
    তবে জল ফুঁ থেকে সাবধান থাকতে হবে বুঝতে পারছি। এক ফোঁটা জলেও নিহিত থাকতে পারে সাত জনমের পঙ্কিলতা।

    1. নাহ্‌, কোন পঙ্কিলতাই এ ধানসিঁড়িকে ছুঁতে পারবেন, পারেনি যেমন আগেও।
      এটি আসলে একটি সিরিজ লেখা বেশ কিছু পর্বে চালু থাকবে বলে মনে হচ্ছে।

  2. ইয়ে….মানে বলেছিলাম, ধানসিঁড়ি পেতে হলে আরাধনা করতে হয়, নয়তো ফ্রিতে মিলেনা। আপনি দেখছি সাধনা করা শুরু করে দিয়েছেন !! ক্ষেপে গেলেন নাকি ! বিষন্ন বাউলের ঝু্ঁটিবাধা চুলে ক্ষ্যাপা বাউল বেমানান। জানেন ?

    1. আসলে বাউলের বিষণ্ণতা দিয়ে তার আকান্ত নিমগ্নতা বোঝাতে চেয়েছি।
      আরাধনা কি না জানি না, তবে কাঠখড় অনেক পোড়াতে/পুড়তে হয় বলেই মনে হচ্ছে।
      তৈরি থাকুন অনেক পর্ব পড়ার জন্য।
      একটু ক্ষ্যাপামি না থাকলে অনেক পর্ব কেমনে লিখুম!!

    1. স্কুলের ঠিকানা দিলে আমিও না হয় আলাদা ভাবে কিছু শেখার চেষ্টা নিতাম,
      সুন্দর করে করে মন্তব্য/মন্তব্য-উত্তর দেয়ার জন্য।
      কোন গরম-ই চির গরম না, ঠাণ্ডা সমাগত থাকে সেখানেই।

মন্তব্য করুন