গাছ কথন……..২

নয় কোন অলীক-বিভ্রম-ভ্রমণ, নতজানুতার আস্ফালন,
মাঙ্গলিক আহার শেষে পারস্পরিক সহৃদয়তা, শেষমেশ
শেষঅব্দি অক্সিজেনের ভাগাভাগি।

প্রগাঢ়-উষ্ণ-উত্তাল নিবেদনে দাঁড়িয়ে আছি
জাঁকিয়ে, দণ্ডায়মান স্বস্তির রৌদ্রলোকের সানুদেশে,
আরাধনা ও ভাবের পুলকে, তিনশত
তিন হাজার তিন লক্ষ-কোটি বছর ধরে,
ঝলোমলো সবুজ-পাপড়ি মেলে, সতেজ-সুরভিত-নিঃশ্বাসে,
আজও সময়ের এ-প্রসব-লগ্নে;

আকাশী ঈশ্বর একটি-ই, দেখে রেখেছে নিশ্চয়ই,
সে-বারের সাঁই সাঁই সিডরে সটান দাঁড়িয়ে ছিলাম,
দিগ্বিদিক ডালপালায় অদৃশ্য দড়ির প্রান্ত কষে,
ঝুঁকে-পড়া কাঁধ-মাথা আবার-ও তুলে ধরে,
নিঃসঙ্গ বিহ্বলতার কুল এড়িয়ে;

আফিম-তরু নই,
ঝড়-জল সুগভীর-বিষাদানন্দের অঝোর ধারায়
সব কিছু ফেলে-টেলে, গিজ-গিজে ভিড় ঠেলে,
বেঁচে আছি বেঁচে থাকি, যাব-ও বেঁচে;

চুমুর মধু-ফেনা নিয়ে ভূতেরা ডাকে,
(মাটি) চুম্বন-সুতো ছিঁড়ে অমৃত-চাহুনির টান
সুরের অলংকারে, উন্মুক্ত উদোম আলিঙ্গনে,
“ হেথা নয়, অন্য কোথা অন্য কোনখানে”
অবিস্মিত থেকে, ভষ্মাধারের ধূসরতায়-ও
প্রবিষ্ট হওয়ার কথা ভাবি-ই-না!!

মোট পড়েছেনঃ ৬৩০জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

৬টি মন্তব্য

  1. গাছ কিন্তু সহজ, এতো কঠিন তাদের কথন হতেই পারেনা 🙁 কী যে লিখেছেন, কিচ্ছু বুঝিনাই। পুরনো অভ্যাসে ফিরিয়ে কএকবার পড়িয়ে ছাড়ার মতলব। আপাতত চলন্ত বাসে বসে বসে ভাবছি,
    অক্সিজেনের ভাগাভাগি সাবধানে, কখনো এক ভাগে টান পড়ে যেতে পারে। আইমুনে পরে আবার।

মন্তব্য করুন