মায়াদের হতে বিচ্ছিন্ন হয়ে দূরে বহুদূরে
একাকি পরিচিত সেই গাছের কোল ঘেঁষে বসে কথা বলা
এসেছো আজ আবার ? কেমন আছো ?
গাছের ঘ্রাণ, শীতল পরশ, দু একটি পাতা পরা গায়ের উপর
এভাবে শান্ত মন ।
সেই লিচু তলায় বড় নদীর কাছে কোন বিষণ্ন সময়ে
ছোট ছোট ইটের টুকরো পানিতে নিক্ষেপ
টুপ টুপ শব্দ যেন অভয় দেয়া
এভাবেও শান্ত মন।
এসবে তৃষ্ণা মেটেনা আর…………
নিকট অতীতে যতদুর যাই ধীরে ধীরে
পালক গুলো খসে পরেছে শরীর থেকে
মায়া,আচ্ছন্নতা,ভালোলাগা, ভালোবাসার বর্ণিল পালকগুলো
প্রতি বাকে একটি একটি করে
দশ থেকে নয় আট সাত ছয়……….তিন দুই এক শূন্য।
এখন আর শরীরই থাকেনা
উধাও হয়ে যাচ্ছে হাত পা চোখ মাথা হূদপিণ্ড
পিছনে পরে থাকে এসব অবিন্যস্ত অতিক্রান্ত পথে
সামনে সীমাহীন পথ
শেষ প্রান্তে আলো দেখা যায় কী যায় না ।
একাকী নিঃসঙ্গতা
অদেখা অজানা কিছুর তৃষ্ণা
![IMG_20140818_201546 [640x480]](https://sonelablog.com/wp-content/uploads/2014/11/IMG_20140818_201546-640x480.jpg)
সারা রাত্র নৌকা বাইয়া
রাত পোহাইলে দেখি চাইয়া গো
যেই খানের নাও …………সেইখানেতেই আছে।
পারের নাগাল পাইবার আসে
চাহিয়া দেখি দু’পাশে গো
বালু চড়ে নাওখানা ঠেইকাছে…
ও বন্ধুরে ……কই রৈলা রে …
তোমার আশায় চাইয়া আছি
কিনার পাইবার আশে
ও বন্ধুরে ……………
সোনা বন্ধুরে …………
আমি তোমার নাম লইয়া কান্দি …..
Tobu ki mon shanto hoy? Udao hobar e kotha….. Nane loiya kandi ken…. Valo legeche vai, takla hoye gechi takla cmnt tai
টাকলা কমেন্টে মজা পেলাম 🙂
মন শান্ত করার টনিক খুঁজে পেয়েছেন ভাইয়া, আপনি সৌভাগ্যবান। পালক খোসে পরে এভাবেই নতুন পালক গজায়, পেছন ফিরে তাকিয়ে দেখলে নতুনেরা অযত্ন অবহেলায় পরে থাকবে, তাই পেছন ফিরে না দেখাই ভালো। সামনের আলো দেখতে এগিয়ে যাওয়া চাই।
লেখাটি পরে আমার পানিতে ইটের টুকরা ছুড়তে ইচ্ছে করছে 🙂
বিষন্ন লেখাটি স্পর্শ করলো। আর গানটি দেখি আপনার কথাই বলছে!!!
শান্ত আর হলো কই ?
তাহলে তো থেমে যেতাম।
পানিতে ঢিল মারায় আগে কাজ হতো।
গানটি শুনছি আর শুনছি।
প্রথম টুকু মনে হয় অন্যকোন ভূবনের ছবি। -{@
মনের মত কোন ভুবন পাইলাম না।
গাছের ঘ্রাণ, শীতল পরশ, দু একটি পাতা পরা গায়ের উপর
এভাবে শান্ত মন ।- অসাধারণ অনুভূতি হচ্ছে!
ভালো লাগা রেখে সাথেই রইলাম।
ধন্যবাদ ভাই,
যদিও তাতে শান্ত এখন আর হয়না।
আপনি ভাগ্যবান কারন মন শান্ত করার সূত্র পেয়েছেন। এভাবেই নিজেকে শান্ত রেখে আমাদের সুন্দর সুন্দর লেখা উপহার দিবেন, এই প্রত্যাশা রইলো ….. -{@
ধন্যবাদ আপনাকে।
এখনো ছুটে চলছো নানা? কবে যে পথের শেষ প্রান্তে পৌছাবে?
হ
আলো লাগবে, আলো।
গানটি গাইলাম মনে মনে পুঁথি স্টাইলে 😀 । কবিতাটিতে কোথায় যেন একটু বেদনাবিধুর পরিবেশের ছোঁয়া পেলাম। পিছনের কালের কথা মনে করিয়ে দেয় ।
গান সোনার সময়ে গানের মধ্যে চলে যাচ্ছি বারবার।
এত খুঁজে কি হবে, খুঁজে কে কি পেয়েছে কবে?
ঠিক ঠিক
পথ ই পথের ঠিকানা। খোঁজ চলবে। পাওয়া না পাওয়ার ভাবনা ছাড়াই।
পথই পথের ঠিকানা
ভাবনার খোরাক আছে।
পুরো লেখার মাঝেই একটা শান্ত মায়া বিরাজমান (y)
মায়া,আচ্ছন্নতা,ভালোলাগা, ভালোবাসার বর্ণিল সময়গুলো-এগুলো ছেড়ে আসলেই কি ভাল থাকা যায়?
পথের একটি পর্যায় পর্যন্ত থাকে সব
এরপর আসলে কমে যেতে থাকে।
“মায়া,আচ্ছন্নতা,ভালোলাগা, ভালোবাসার বর্ণিল পালকগুলো
প্রতি বাকে একটি একটি করে
দশ থেকে নয় আট সাত ছয়……….তিন দুই এক শূন্য।”
লাইন গুলো বেশ মনে ধরেছে… (y) (y) (y)
ভালো থাকুন আপনি।
সব পালক গুলো খসে যায়, আমরাও কি থাকিনা আপনার সাথে? (y)
এখনতো আছেন ।
গানটি অসাধারন। কি হয়েছে দাদা?
গানটি আসলেই ভালো। কিছুনা এটি শুধু লেখা।
কোথায় যাচ্ছেন? মায়াদের মাঝেই থাকুন। গানটি অন্তর স্পর্ষ করে গেলো।
আছি তো, যাবো কোথায়? 🙂
মামা সার্চ দা খোঁজ চরম হইছে। আপনার জন্য শুভকামনা
শুভকামনা সীমান্তর জন্যও -{@
ওরে বাবা। কবিতার মধ্যে থিসিসের সারাংশ চলে আসছে দেখি।
একবার পড়ে বুঝিনাই, লাইনগুলো আলাদা আলাদা গল্প বলে। তাই ইউনিট হিসেবে না, আলাদা আলাদা গল্পে ভালোলাগা।
এন্ড হোয়াট এ টিউন। আমার এক বন্ধু এমন দরদ দিয়ে এমন সুরে গায়। আমি ওকে হিংসা করি, ঘৃনা না।
ধন্যবাদ
কবিতা আমাকে দিয়ে হবে না
আপনি ঠিকই বুঝে গিয়েছেন…… লাইনগুলো আলাদা আলাদা গল্প -{@
গানের কথা গুলো,সুর অসাধারন,প্রায়ই শুনি আমি এটি।
ধন্যবাদ আপনাকে।