গল্পটা আমার বাবার কাছে শোনা।
“খঞ্জন পাখি খুব ভাল নাচতে পারে। তাই দেখে কাকের ইচ্ছা হল নাচ শিখার। বেচার কাক গেল নাচের উস্তাদের কাছে নাচ শিখতে। এক সপ্তাহ নাচের প্রশিক্ষন নেওয়ার পর যে ঘটনা ঘটলো তার জন্য কাক মোটেও প্রস্তুত ছিল না। এই এক সপ্তাহের প্রশিক্ষনে কাক নাচ শিখতে পারে নাই। উস্তাদ বলে দিলেন যে তোমার দ্বারা নাচ সম্ভব না। তো কাক খুব কষ্ট নিয়ে বাড়ির দিকে রওনা দিল। ঠিক তখনই ঘটল বিপত্তি। কাক আর আগের মত হাটতে পারে না। নাচের প্রশিক্ষন নিতে গিয়ে এখন স্বাভাবিক হাটাও ভুলে গেছে। বেচারা কাক এখন নাচতেও পারে না, হাটতেও পারে না। শুধু লাফায়।”
মোরালঃ নিজের মত করে বুঝে নেন। আর যদি কেউ না বুঝেন তাহলে বুঝে নিয়েন আপনাকে দিয়ে কিচ্ছু হবে না।
মোট পড়েছেনঃ ১,০৬১জন
আজ পড়েছেনঃ ০জন
(y)
🙂
বুঝলাম যার যেই কাজ তাকে দিয়ে সেই কাজটিই করাতে হবে তাই না পাগলা ভাইয়া। -{@ (y)
(y)
আমি আমার মত করে বুঝে নিয়েছি। শুধু ইমো দিয়ে জবাব না দিয়ে আপনি একটু বলুন আপনি আপনার মত করে কি বুঝে এই পোষ্ট দিলেন।
যখন লিখছিলাম তখন তো মনে হইছে অনেক কিছু বুঝছি। কিন্তু এখন মনে হচ্ছে আমি কিছুই বুঝি নাই।
মুইত কিছুই পারিনা কি করব পাগলা ভাই।
তাহলে তো খুবই ভাল। পাগলা কিমিটিতে যোগ দেন।
আহারে বেচারা কাকা
:p
প্রত্যেককে তার নিজ অবস্থানেই খুশি হওয়া উচিত।
ঠিক বলেছেন। কিন্তু এই বিষয়টি আমরা বুঝতে চাই না।
নিজ অবস্থানে খুশি থাকা উচিত, তার ভিতর কি প্রতিভা আছে সেই অনুযায়ী তার প্রতিভার বিকাশ ঘটানো উচিত ——-
হুম