এক নিদারুণ সন্ন্যাস

সময় বয়ে যায় নিয়মের নিয়মে
নিয়মের বেড়াজাল টপকে,
একা ফেলে যায়, একাকী রেখে,
দারুণ অবহেলে;
নিমজ্জিত সময়ে যুক্ত করি
অনুপম স্বপ্নের আকাশ-বাড়ী
ধারাপাতের বৃক্ষটি আগলেও রাখি।

তুচ্ছতায় ভাবি
কেটে যাবে প্রেমের শীত-নিদ্রা এক্ষুনি,
দহন জ্বালায় জ্বলে জ্বলে আঁকিনি
অবিরল অনুভব উচ্ছলতায় নৈঃশব্দের
কোন এক নিপুণ অবদমিত সন্ন্যাসিনী;

সময়ের সিঁড়িতে সিঁড়িতে পা ফেলে ফেলে
দূর-নিকট-পড়শির ফানুস জানালায় চোখ রেখেছি
দারুণ নির্মোহ প্রেমাবেশে;

ঘুম-অ-ঘুমের কাজল-মেয়ে ঘুমোয় এবার,
চাঁদহীন রাত-অন্ধকারের আতীব্র ঝলকের নিকুচি করে;
ছিটেফোঁটা ভেজাশ্রুর স্মারক পেছনে ফেলে।

মোট পড়েছেনঃ ৬৩৭জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

২৪টি মন্তব্য

      1. অনুপম স্বপ্নের আকাশ-বাড়ি,,,খুঁজতে বেশি সময় লাগেনি।ঐরকম বাড়ি খুব বেশি নেইতো তাই।

        আজ আর কিছু বলবো না।স্বপ্নের বাড়িটা দেখে মন স্বপ্নালু হয়ে গেছে।কাজল-মেয়েটি কি এবাড়ি তেই থাকে? তাকে কোথাও দেখলাম না!! ঃ(

      2. আপনি দেখছি ভাগ্যব্রতদের একজন, প্রায় না-খুঁজেই পেয়ে যাচ্ছেন অঢেল!
        ঠিক আছে আজ না হয় কাল বা অন্য কোন দিন বললেও হবে!! তবে বলা -বলি চালু থাকলেই হবে।

        কাজল-কালোটি আমি-ও-তো খুঁজে পেতে জেরবার হচ্ছি!

  1. সময়ের সিঁড়িতে সিঁড়িতে পা ফেলে ফেলে
    দূর-নিকট-পড়শির ফানুস জানালায় চোখ রেখেছি
    দারুণ নির্মোহ প্রেমাবেশে;

    দারুণ অনুভুতি প্রকাশ -{@

  2. ‘ঘুম অঘুম এক কাজল মেয়ে ঘুমায়
    আধো তার খোলা চুল, আধো খোলা চোখ
    অথচ কানে বাজে তার শিশিরের টুপটাপ, রাতচোরা পাখির আর্তনাদ।
    উঁকি মারে দূরে সে আধো খোলা চোখ,
    যেখানে এক বাসর সাজে।
    স্বল্প আয়ুর জীবনে হাজার কল্পনার এলোমেলো তুলির আঁচড়।’
    হুম, শীত বেশ জেঁকেই বসেছে। শীত বড় প্রেমের ডাকে সাড়া ফেলে আবারো প্রমাণিত।
    শীতের সকালে এমন কবিতার জন্য ধন্যবাদ গুরুজী।

    1. সাবধানে থাকবেন এমন শীতে!!
      জেঁকে বসা শীতে কিছুতেই শীতার্ত হওয়া যাবে না, যা দিন-কাল!!

      কাজল মেয়েকে যে কে ঘুমপাড়ানিয়া গান শোনাবে কে জানে!!

  3. শীতের জন্য এতো এতো কবিতা? তাই বুঝি আজ আমাদের এখানে এই মধ্য-ডিসেম্বরে ভারী জ্যাকেট লাগছেনা পরতে। প্লাস তাপমাত্রার ভেতর আজকের দিনটা কেটে গেলো। শনিবারটা যেনো আজকের মতোই থাকে, কুবিরাজ ভাই গো একটু ফুঃ দিয়া দ্যান তো!

    কুবিতায় আসি।
    ###########
    কালো মেঘ আঁকা ছিলো শাড়ীর গায়ে,
    লাল সূর্যের হম্বিতম্বি যতোই জোড়ালো হোক না কেন;
    জয়ী হতে গিয়েও পারেনি।
    কেবল শাড়ীর পাড় ধরে ঝিমুচ্ছিলো।
    অপেক্ষার দরোজায় কড়া নেড়ে ফিরে চলে গেছে মুহূর্ত
    অথচ, তখনও বৃষ্টি নামেনি নদীর ধার ঘেঁষে।
    তাই পৌষ এসেছে, কিন্তু শীত আসেনি কাজল মেয়ের কাছে।

    1. বিনা দক্ষিণায় ফু!! বরফ নামিয়ে দেব কিন্তু।

      হায়, অভাগা শীত!
      অপেক্ষার কাজল মেয়ে ঐ যে দাঁড়িয়ে
      আঁচলে বাঁধবে বলে, বুকের ওমে ঘুম পরাবে,
      আগলে রেখে খাইয়ে দেবে,
      এসো তবে এক্ষুণি, গড়ি স্বপ্ন-বাড়ী দুজনে।

      1. প্লিজ এমন একটা ফু দিন, শনিবার যেনো রোদমাখা, প্লাস তাপমাত্রা থাকে। কথা দিলাম হেব্বি একটা লেখা দেবো, যদি তাপমাত্রা মায়নাস না হয়।

মন্তব্য করুন