আড়াল চোখ

কেউ এক জন দেখছে আমায়, আড়াল থেকে আড়াল হয়ে, চোখ টান করে টানাটানা চোখে,
সকালের ঝাঁপি খুলে, স্বপ্ন বোনা মায়াবী চোখে, স্বপ্নের সোনা বিকেলের রং মেখে,
অপলক মিষ্টি হাসির দ্বার খুলে। চোখ গেলে কাঁদেন, কাঁদলেও রাগে না, স্বপ্নময় জাদু চোখ,
সাবিত্রী সে, মায়াবিনী সে,

স্বপ্নে থেকে স্বপ্নের চোখে নিরন্নের থালায় চোখ ফেলে নির্নিমেষ; এলো চুল, বুকে জলপাই ঘ্রাণ,
প্রশ্নহীন নির্জন রাতের অভিসারে অনিদ্রিত স্বপ্ন হেঁটে বেড়ায় রাত্রির এ কুল থেকে ও কুলে, বিবক্ষায়।

অপ্সরীর নতজানু সেঁজুতি চোখ জেগে থেকেই ঘুমায় অনিঃশেষ সুবিশ্বাসী স্বজনপ্রীতিতে,
হাসির সৌরভ মেখে, দ্বিধার দ্বন্দ্বে।

মোট পড়েছেনঃ ৭৭৯জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

৪৫টি মন্তব্য

  1. কেউ একজন দেখছে আড়াল থেকে?আপনি জানলেন কিভাবে?তাহলে তো আর আড়াল থাকলো না,প্রকাশ্যেই দেখছে 🙂
    আউলা ঝাউলা অবস্থা নাকি?

        1. আমার কি দোষ যেমন চোখের বর্ণনা দিয়েছেন তা হয় আমার চোখ নয় কুরবানীর গরুর চোখ। ওই যে বড় বড় টানা টানা মায়াবী।
          জানি বোঝার ভুল।কিন্তু দোষ কিন্তু আমার নয়। 🙁

  2. আড়াল থেকে বুঝিয়ে দিচ্ছে যে সে দেখছে আপনাকে?
    বাপরে এ যে দেখছি সন্ত্রাসী একজন আড়ালি।

    লেখা ভালো হচ্ছে
    কেউ একজন লিখিয়ে নিচ্ছে এসব বুঝতে পারা যায়।

    1. অবশ্যি ভয়ানক আড়ালী, দুর্ধর্ষ ও বলতে পারেন।
      কে যে কাকে লেখায় বোঝা বড়ই দুরূহ, লেখা পালালে কারো সাধ্য নেই লিখিয়ে নেয়ার।
      সবই মায়া ক্ষনিকের।

  3. খুব মিষ্টি কবিতা। কড়া মিষ্টিও না, আবার একেবারে সুগার ফ্রীও না। ঠিক নারকোলের সন্দেশ। আপনার লেখা থেকে অনেকগুলো বছর পর নারকোলের সন্দেশ খাওয়া হলো।

    তবে একটি কথা, আমি খুবই সাধারণ একজন। আজকাল আপনার লেখাগুলো একই টাইপ হয়ে যাচ্ছে লাগছে। হয়তো আমার ভুল। অবশ্য মন্দও নয়। অন্ততপক্ষে রাই-এ এসে কিছুটা থিতু তো হলেন! যা লম্বা লাইন। রাই কে জানিনা, তার প্রতি কৃতজ্ঞতা যে সে আপনার গতিতে ব্রেক লাগাতে পেরেছে। জয়তু রাই। (y) -{@

    গান শুনুন http://mio.to/album/Swagatalakshmi+Das+Gupta/Ekla+Gitabitan+Vol+61+%282012%29
    আমার বুড়োর কিছু বিরল সঙ্গীত।

    1. সামনে পূজো, দৈবক্রমে ঠাকুরের কৃপায় কিছু পেয়ে গেলে সে সবারই আনন্দ।
      আপনি পেলে বা বিলালে তো কথাই নেই।
      ভালুবাসা বয়ে যাচ্ছে অহর্নিশ প্রান্তর থেকে প্রান্তরে। ‘সদা আনন্দ এ ধামে’ এই সিস্টেমে।
      তবে ‘রাই’ পর্বে এমন গড়াগড়ি কিন্তু স্বাভাবিক। তা ঠিক বিনোদিনী কঠিন এক বস্তু। ব্রেক না মেরে উপায় আছে!!
      তবে গুরু কৃপায় যে দিকে চোখ সে দিকে সোনা না ফলাতে পারলেও আব জাবের অভাব কোন কালেই হবে না সে নিশ্চয়তা দিচ্ছি বুকে ফুঁ হাতে তুড়ি দিয়ে।

      1. এতো কঠিন মন্তব্য করলে আমি কিন্তু আর লিখবোই না।
        রাই তো এখন রূপকথা নাকি দেবীতে গেছে। মাগো মাথা আউলাইতাসে ^:^

        1. ইস অমন মায়াবিনী এ জীবনে আমি হতে পারলাম না। ;(

          কবিভাই বেশী বেড়েছেন কিন্তু। গরম জল আপনার মাথায় ঢালবো। আর পিঠে-পুলির সাথে পিটাও থাকবে। কঞ্চি চেনে তো? :D)

    1. অবশ্যই তিঁনি সুন্দর! উনি আড়াল পছন্দ করে আড়ালেই থাকতে চান।
      অবশ্যই আমরা তার কথা শুনব যদি তিনি তা বলেন।
      ধন্যবাদ।

  4. আড়াল মানেই রহস্য আর রহস্য মানেই কৌতুহল , কৌতুহল মানেই খোজ , খোজ মানেই পাওয়া । ছাইরাছ ভাই পেলে জানাবেন ইয়ের তারিখটা কবে 😀

  5. আড়াল চোখে কি দেখছে তা যদি প্রকাশ করে দেন,লজ্জা পাবেনা সে?তার চেয়ে থাকুক না কিছু অপ্রকাশিত আবেগ। প্রকাশ করিয়া লজ্জা দিবেন না 😀

  6. এমন চোখ আড়াল করে আর পালাবে কোথায়? কবির চোখ যে তাহার চোখের চাইতে ধারালো, ধরা তাকে পড়তেই হবে। কএক গাছি এলো চুল কপাল আর চোখ জুড়ে ছড়িয়ে ছড়িয়ে মায়াবিনী এমনি করেই দেখুক কবিকে, দেখাক মায়ারা কিভাবে বাঁধে বিনিসুতোয়। শতশত প্রশ্নের বানে প্রশ্নহীন হতে পারা কম কথা নয়। আপনার লেখা আপনার মতোই।

    1. কারো ই কোথাও পালাবার পাথ নেই, আকীর্ণ করে রাখি নিজেরাই মায়ার ছলে।
      শুধু লেখককে কেন সবাইকেই চোখ চোখে রাখে, বাঁধুক বিনি সুতোয়, কেন সোনার শিকলে নয়!!
      প্রশ্নহীন হলে প্রশ্নবাণ এড়ানোর সহজ পথ, আপনার মন্তব্য ও আপনার মতই।

  7. আপনি দেখছি আড়ালের দিকেও নজর রাখছেন!! চোখের যা বর্ননা দিলেন, সায়রা বানুর মতো লাগছে। কিন্তু সে আপনারে দেখছে ক্যান? ;?

মন্তব্য করুন