আষাঢ়ে গল্প ( ১ )

আষাঢ় মাস আমার ভালো লাগে। এই রোদ, এই ঝিরঝির বৃষ্টি। খানিক মেঘলা। কখনো একদিকে রোদ, আর একদিকে বৃষ্টি। ইদানিং আবার বিজলীর ঝলকও যোগ হয়েছে। অদ্ভুত স্বভাব এই মাসের। আবার হঠাৎ করে ভারি বৃষ্টি হলে  ঠাণ্ডা লাগে। ঠাণ্ডা গরমের লাক ভেলকি লাক খেলা চলে। ছাতা হাতে না থাকলে মরণ। একবার ঘামে ভেজা। পরক্ষণেই বৃষ্টিতে ভেজা। অনেক সময় রুটিন মানতে ভালো লাগে না। তবে, রোদ বৃষ্টির এই ভিন্নতা ভালো লাগে। এই সময়ের জ্বরটাও ব্যতিক্রম। নাক বন্ধ হয়ে আসে। চোখ জ্বালা পোড়া করে। মাথা ব্যথা হয়। জ্বর কখনো ১০৪ ডিগ্রী ; তো কখনো নেমে ৯৫ ডিগ্রি। নাপাতে কাজ হয় না। নাপা এক্সট্রা লাগে। অভিনব। জ্বরের ঘোরে আবোল তাবোল বকলে, আমি নাকি আজকাল  তোমার কথাই বলি। কি জানি ? অন্যান্য ব্যথার থেকে ঐটাও কম নয়। তোমার অনুপস্থিতি। জ্বর পোড়ায় শরীর।  আর তুমি মন।

মোট পড়েছেনঃ ১,৩৩৭জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

১৯টি মন্তব্য

  1. ‘জ্বর পোড়ায় শরীর। আর তুমি মন।’ অনুগল্পের শেষাংশ টা মুগ্ধ করে দিলো। ভালো থাকুন নিরাপদে থাকুন এই রোদ-বৃষ্টির কানামাছি খেলা থেকে।

  2. এমন জ্বর আমারও চাই, বারবার। আহা কি রোমান্টিক অনুগল্প। বাকি সবও চাই। কানামাছি মনে চলতে থাকুক চুপচুপে খেলা। লেখিকার হাতে আল্লাহ রহম করুক।

  3. ’সুখের মাঝে বিরহের প্রীতি
    বরষায় গায় অন্তরে গীতি’

    প্রকৃতির চিত্রণে বেশ হৃদয়ছোঁয়া নিবেদন।
    মুগ্ধতায় শুভ কামনা রাখলাম নিরন্তর।

  4. আহা আহা, জ্বর থেকে যদি এমন কিছু হয় তাহলে জ্বর-ই হোক।
    সুন্দর হইছে অনুগল্প।
    পড়তে পড়তে ভাবতে ছিলাম কোথায় কতদূর নিয়ে যায় লেখিকা!!

  5. এক সময় বৃষ্টিতে ভিজতে খুব ভালো লাগতো । আপনার লেখাটিতে সে অভিজ্ঞতা টি মনে করিয়ে দিল । সুন্দর প্রকাশ ভঙ্গি । ভালো থাকবেন

মন্তব্য করুন