আম্মা এবং আমি

ছোট বেলায় আমার বুকে সব চাইতে বেশি Palpitation হতো,
(I mean দিলকা ধারকান বেরে যেত),
যখন কী না বাসায় আসা মেহমান টাকা দিতে চাইত,
আর আম্মা বলত টাকা দেয়া লাগবে না,”দোয়া কইরেন”।
তখন আমার Heart beat এত বাড়া বারত যে,
মনে হইতো এই বুঝি টাকা না দিয়ে গেল,
এই বুঝি Heart fail করলাম।

Second এর কাটার চাইতে বেশি Speed এ আমার মন দুনিয়ার যত কানা গলি ঘুরে চলে আসত।
দুনিয়ার যত অলক্ষি প্যাঁচা তখন আমার মনের ভীতর এক সঙ্গে কু-কু-কু ডাক ডেকে আমার Survive ক্ষমতা Minus Zero Degree নিচে নামিয়ে দিত।

এই বুঝি না দিয়া চলে গেল রে
তখন আম্মাকে মনে হইত Villain.
এমন একটা অসহায় চাওনি আম্মার দিকে দিতাম,
যে ভাষা ধরার ক্ষমতা পৃথীবির কোন Dictionary তে নাই।
আর তখন সেই মহেন্দ্র ক্ষনে শরীরের সমস্ত Nerves Response করা বন্ধ করে দিয়ে, মস্তিষ্ক আম্মার Opposition এ Bond ডাকত।
যার ফলশ্রুতিতে কিছু ক্ষন নিজ কাজে ইস্তফা দিয়া, আম্মা Character Sketch নিয়া দুই-চারটা বই লিখে ফেলতাম মুহূর্তের মধ্য।
আর মুখের Expression এমন হতো যে,
আর যে সইতে পারি না এ জ্বালা……………..­…..

মোট পড়েছেনঃ ১,৫৪৮জন আজ পড়েছেনঃ ০জন

৩২টি মন্তব্য

  1. আপনার মায়ের উদারতা আর আপনার টাকা নেবার লোভ দেখে খুবই ভালো লাগলো। সুন্দর করে লিখেছেন। তবে আরো ভালো লাগতো আমার কাছে যদি পুরা লেখাটাই বাংলায় হতো। মাঝে মাঝে ইংলিশ শব্দগুলি আমার খুব একটা ভালো লাগেনি। যে শব্দগুলি ব্যাবহার করেছেন তার খুব সুন্দর সুন্দর বাঙলা আছে। ধন্যবাদ আপনাকে লেখাটা পড়ার সুযোগ করে দেবার জন্য।

  2. হা হা হা,,,আহা বেচারীও।
    না পেতো সইতে না পেতো কইতে😭😭
    আপনার সেই মুহূর্তের কথা ভেবে একবালতি সমবেদনা জ্ঞাপন করছি গো আপু,,,😝😝

  3. হাজার টাকা তো। এই টাকার জন্য মান সন্মান খোয়াচ্ছে দেশের দামি দামি আমলা, ব্যাবসায়ি, রাজনিতিবিদ্দ্রা আর আপনি আছেন কান্না নিয়া। ধুর মশায় তাড়াতাড়ি অন্যপথ ধরেন। টাকা আসব। টাকা!
    খুব মজাই পেলাম।

  4. লাইন ধরে বাচ্চারা দাড়িয়ে, একজন নতুন বান্ডেল থেকে সালামী দিচ্ছে,

    যিনি দেন তার অনুভুতি শুনতে মন চাইছে এইবার।

    চমৎকার লিখেন

  5. একটি বয়সে সবার কাছেই মায়েরা ভিলেন থাকে আপু। লেখা পড়ে মনে পড়ে গেল সেই কষ্টের কথা যখন কেউ বলতো তোমার সালামি তোমার মায়ের কাছে দিয়েছি 😥

মন্তব্য করুন