এই সংসার রঙ্গমঞ্চের আপন মাঠে
আমার দেহ-ছন্দ সেজেছে আজ নটরুপে-
কখনো আবৃত্তিতে,
কখনো হেসে কিংবা কেঁদে।
যে মহিমা সংসারের সীমা ছাড়িয়ে দূরে
অতীতে অনাগতে রেখেছিলাম ব্যস্ত,
অতীতে চিরন্তন ব্যাপ্তিতে;
উন্যাসিকতায় মত্তে-
হলো কি লাভ কিছু বলো?
মানব-জীবন চির যৌবন শক্তির প্রকাশে
অনন্ত শিখার অংশ রাখে প্রজ্জ্বলিত,
দিনের জনতামাঝে যে বাণী নিরব ছিলো;
রাত্রিতে তাই নিভৃতে ইঙ্গিতে ব্যক্ত করে-
অঙ্গুলি বাঁকিয়ে।
জীবনের নাট্যমঞ্চে সাদাকালো কিংবা রঙ্গিনে
নিজেদের অভিনয় ব্যস্ত সবাই,
ইতিউতি সাঙ্গ করে চলে গেলো;
আপন বিন্যাসে-
হলো কি লাভ কিছু বলো?
শরতের আলোকনাচে
আমলকি বীথিকার গাছে গাছে,
আমার সঙ্গীতেরা হারিয়ে যায়;
অদৃশ্য অজানায় সুক্ষ্ম নীলিমায়-
নিবিড় আনন্দে, ভাগাড়ে পল্লবের স্তুপে।
মোট পড়েছেনঃ ১,০১৫জন
আজ পড়েছেনঃ ০জন
রঙ্গমঞ্চে নিরন্তর অভিনয়। ক্লান্তি আসে, নানা প্রশ্ন জাগে মনে। সেসব পাশ কাটিয়েই চলে জীবন, চলে রঙ্গমঞ্চ ।
খুব ভালো লাগলো ভাই আপনার লেখা।
আপনার মন্তব্যেও অনেক ভালোলাগা আপু। জীবন আসলে এরকমই। এভাবেই চলছে চলবে।
শুভকামনা রইলো।
ছবিটা চমৎকার।ছবির মতই জীবনের সব রঙ্গ মেলা সাঙ্গে- দিন শেষে আমি একেলা। খুব ভাল অনুভুতি কবি।
ছবিটি আমারও ভীষণ পছন্দের ভাই। ছবি কথা বলে।
ধন্যবাদ ভাইটি
এ সংসার রঙ্গমঞ্চ
এ মঞ্চ ঘিরে কত অজানা অভিনয়।
কত অভিনেতা আর কত অভিনেত্রী মিলে রোজ মোহিত হয়। কত ক্লান্ত হয় তবুও নাহি ছাড়তে চায় হাল।
.
ভালো লেখনী দাদা।
বাহ! সুন্দর বললেনতো দাদা!! ক্লান্ত হয়েও এই অভিনয় করতেই হয় আমাদের সবার।
অনেক ধন্যবাদ।
এই সংসার কার! কখন! কেউ কি বলতে পারবে? মনে হই না।
কারন আমার খুব ঘনিসঠ বন্ধু। বাড়ী রংপুর মেডিক্যালের ধাপের পাশেই। গিত ১৯ তারিখ ঢাকায় একমাত্র ছেলের বাসা থেকে গেল রংপুর পৌছাল রাত আনুমানিক বারোটা। সকালে খালাম্মা নাস্তা খাওয়ার জন্য ডাক্লে বল্লল আমার শরির টা ভাল লাগছে না, পরে উঠছি।
খালাম্মা নাস্তা রেডি করে ডাকতে গেলেই নাই!!!
সব শেস।।।।
খালাম্মার জন্য দোয়া রইলো ভাই। আমাদের জীবন আসলেই ক্ষণিকের!!
এক মুহুরত সময় নাই মানুসের। তাই এত বড়াই
চোখ বুঝিলে দুনিয়া আন্ধার, হায়রে চোখ বুঝিলে দুনিয়া আন্ধার। কিসের বাড়ি কিসের ঘর, কিসের সংসার, চোখ বুঝিলে দুনিয়া আন্ধার।
ছোট্ট এই দুনিয়া, কিসের বড়াই করে সবাই? মরিলেই সাঙ্গ হবে, জীবন মানেই কেন মিথ্যের বড়াই?
মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ দাদা।
অভিনয় সর্বস্বতা দিয়ে আর কত দূর এগুনো যায়!
নিবিড়ের আনন্দটুকু মাঠে মারা যায়।
বানান!!!
তবুও কিসের প্রতিযোগীতায় সবাই দৌড়ায়!! সাঙ্গ হবে ভবের মেলা, ভঙ্গ হবে এ মঞ্চমেলা সেদিন বুঝবে তারাই।
ভাইজান, আমার না হয় ভুল হয়েছে আপনে এত্তু কষ্ট করে ঠিক করে দিলে কি ই হয়!! জানেনইতো সোনেলার অনেকপাশে চোখ রাখতে হয়।ব্যস্ত ব্যস্ত!! বড্ড ব্যস্ত। বড়ভাই হইয়া মাঝেমধ্যে ঠিক কইরা দিবাইন উক্কে??
রঙ্গমঞ্চে আমরা আসলেই অভিনেতা!😐ভাল থাকবেন ভাইটি🤘
আপনিও ভালো থাকবেন ভাই।
শুভকামনা রইলো🤘
কবিতা ভালো লেগেছে।
শুভকামনা জানবেন।
পুরো জীবনটাই একটা মঞ্চ। ক্লান্তিহীন অভিনয়ে পার করে যেতে হয় সময়-কাল। মঞ্চের আলো শেষ হয়ে এলেই মনে পরে আমিও মানুষ ছিলাম।
মন খারাপ কেন?
একদম ঠিক আপু। সবচেয়ে খারাপ লাগে সংসারে যাদের জন্য, যাদের সাথে মিলেমিশে থাকেন তারাই যখন আপনাকে মিথ্যে অহমিকা দেখায়!! মানুষকে মানুষ হিসেবে বুঝতে হয়, জানতে হয়। তবেইতো আমরা মানুষ।
এখন মন ভালো আছে ☺☺
হু, কাছের মানুষদের দেয়া দুঃখ গুলোই আমাদের পরাজিত করে দেয়। যাদের জন্যে বেঁচে থাকা, একেক সময় তারাই মরণের পথ তরান্বিত করে তোলে, তাদের কথায়, আচরনে।
মন ভালো হওয়ায় আমরাও খুশি। ভালো থাকুন, হাসি-আনন্দে থাকুন।
শুভ কামনা 🌹🌹
আপনিও ভালো থাকবেন আপু।
জীবন একটি রংগ মঞ্চ, যে বেশী ভালো অভিনয় করবে তার উপর সবাই বেশি খুশি থাকবে। সবাই অভিনেতা পছন্দ করে ভাই।
আমার এটাতেই আপত্তি। অভিনয় করতে পারিনা। আমি যেমন তেমনই, মিছেমিছি অভিনয়, অহংকার এসব মোটেও পছন্দ করিনা। তাই আমার সাথে কারও মতের মিল হয়না।
মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ আপু।
জীবনের রঙ্গ মঞ্চে নিরন্তর অভিনয়, বাহ চমৎকার লিখলেন ভাই।
ভালো থাকবেন দাদা।
শুভকামনা ভাই।