আবার ডুইব্বি চাটগাঁ শঅর !
হার হবর হনে লঅর !
চাটগাঁর বাপ ঘুম যার !
চেয়ারের খুডা শক্ত হঅর !
নালাত পরি মানুষ মরের !
হারো হেয়াইনত দুঃখ নাই।
তাঁর যে ভাই হায়াৎ নাই !
মরণ বাঁচন আল্লাহ্র হাতত।
তাঁর এডইল্লা আছিল মউত।
বৃষ্টি হইলে পানি জমিবু।
শঅরত তাইলে হষ্ট হরন পরিবু।
সুখে থাইলে ভুতে কিলায়!
শঅর পানিত ডুবিলে গ্রামের মজা লায়!
বিনা পইসায় মজা লুডি লও।
চাটগাঁ শঅরত নেতা নাই ভালা মত বুজি লও।
( বুঝার সুবিধার্থে — “চাটগাঁ শহর আবার পানিতে ডুবেছে।
কেউ কারো খবর নিচ্ছে না।
নগরপিতা ঘুমুচ্ছেন।
তাঁর ক্ষমতার খুঁটি শক্ত হচ্ছে।
নালায় পড়ে মানুষ মরছে।
তাতে কারো দুঃখ নেই।
তাঁর বেঁচে থাকার হায়াত নাই।
জীবন মরণ আল্লাহ্র হাতে।
এভাবেই তাঁর মৃত্যু লেখা ছিল।
বৃষ্টি হলে পানি জমবেই।
শহরে থাকতে হলে কষ্ট স্বীকার করতে হবে।
সুখে থাকলে ভুতে মারে।
শহর ডুবলে গ্রামের মজা বা আমেজ পাওয়া যায়।
বিনা টাকায় মজা বা আমোদ লুটে নাও।
চাটগা শহরে যে কোনো নেতা নেই তা ভালো করে বুজে নাও”। )।
মোট পড়েছেনঃ ১০০জন
আজ পড়েছেনঃ ০জন
এটএকুই বুঝলাম….. চট্টগ্রাম পানিত ডুইব্ব বা ডুবিছি।
মানে আজীবনের দুঃখ চাঁটিগা শহরের বর্ষার পানি। শহরে নেতা ফেতারা শহর উন্নয়নে কোনো কাজই করছে না। বড়ই হতাসাজনক।
জ্বি আপনি মূল কথাগুলোই বুঝেছেন। আসলে বহুল প্রচারিত দৈনিক আজাদী’ র চট্টগ্রামের আঞ্চলিক ভাষায় হেড লাইন করায় আঞ্চলিক ভাষায় নিজের ক্ষোভ প্রকাশ করেছি। ধন্যবাদ মতামতের জন্য ।
হা হা হা শহর পানিতে ডুবলে গ্রামের মজা।
গ্রামে এতো পানি হয় না। বৃষ্টি হলেই নেমে যায়, টিনের চালের রুমঝুম কাব্যিক শব্দ বড়ই মধুর।
সমালোচনা না করে পারা যায় না, টিভি খুললেই মেয়রদের ধানাই পানাই বহুকালের। বিরক্ত লাগে, যখন বলে জনগনকে উন্নয়নে ভাসিয়ে দিচ্ছে। বরং বলা যায় জনগনের টাকায় এসব নির্বাচিতরা আয়েশী জীবন যাপন করছে।এখন কে ডুবলো, কে ভাসলো তাতে কি আসে যায়।
জ্বি , আমিও গ্রামের ছেলে। যেহেতু চট্টগ্রামে গ্রাম আছে তাই একটু রসিকতা করার জন্যে লিখেছি। সত্যিই — “বৃষ্টি হলেই নেমে যায়, টিনের চালের রুমঝুম কাব্যিক শব্দ বড়ই মধুর” । আমাদের গ্রামের বাড়িটিও টিনের চালের তাই এই মজা আমি অনুভব করেছি। সঠিক বলেছেন — “এখন কে ডুবলো, কে ভাসলো তাতে কি আসে যায়”। ধন্যবাদ মতামতের জন্য।
বেশ কঠিন লাগছে শব্দ। বিনা পয়সায় মজ লুডি লও- এটা মনে ধরলো। শুভকামনা।
চাটগাঁ শহর পানিতে ডুবে গেছে। কেউ কারো খবর নিচ্ছে না। নগরপিতা ঘুমুচ্ছেন। তাঁর ক্ষমতার খুঁটি শক্ত হচ্ছে। নালায় পড়ে মানুষ মরছে। তাতে কারো দুঃখ নেই। তাঁর বেঁচে থাকার হায়াত নাই। জীবন মরণ আল্লাহ্র হাতে। এভাবেই তাঁর মৃত্যু লেখা ছিল। বৃষ্টি হলে পানি জমবেই। শহরে থাকতে হলে কষ্ট স্বীকার করতে হবে। সুখে থাকলে ভুতে মারে। শহর ডুবলে গ্রামের মজা বা আমেজ পাওয়া যায়। বিনা টাকায় মজা বা আমোদ লুটে নাও। চাটগা শহরে যে কোনো নেতা নেই তা ভালো করে বুজে নাও।
ধন্যবাদ।
চলছে এই অবস্থা। আমরা কাদা খাচ্ছি। ওরা উপরে বসে মজা নিচ্ছেন।
হ্যাঁ আপা সত্যিই বলেছেন। শুভ কামনা।
তবে নালায় ডুবে হারিয়ে যাওয়া!! এর চেয়ে হৃদয় বিদারক আর কী হতে পারে।
লাশটির জন্য স্বজনেরা অপেক্ষা করছে।
হ্যাঁ ভাইয়া অত্যন্ত মর্মান্তিক এবং হৃদয় বিদারক। এখনো লাশ পাওয়া যায়নি। ভেতরে মনে হয় আটকে আছে। ভালো থাকবেন ভাইয়া।
আয়ু হচ্ছে বিধাতার হাতে তাই নগরপিতা থেকে শুরু করে প্রশাসন ঘুমিয়েই কাটাচ্ছে। এতো কঠিন ভাষা তবুও কিছু কিছু বুঝি। সাধারণ মানুষের কিছু হলে তাতে তাদের কি তারা তো একফোঁটা বৃষ্টির পানি ও গায়ে মাখে না। সব মুখের বুলি কাজে ঠনঠন।
দিদি বুঝার জন্যে দিলাম — “চাটগাঁ শহর পানিতে ডুবে গেছে। কেউ কারো খবর নিচ্ছে না। নগরপিতা ঘুমুচ্ছেন। তাঁর ক্ষমতার খুঁটি শক্ত হচ্ছে। নালায় পড়ে মানুষ মরছে। তাতে কারো দুঃখ নেই। তাঁর বেঁচে থাকার হায়াত নাই। জীবন মরণ আল্লাহ্র হাতে। এভাবেই তাঁর মৃত্যু লেখা ছিল। বৃষ্টি হলে পানি জমবেই। শহরে থাকতে হলে কষ্ট স্বীকার করতে হবে। সুখে থাকলে ভুতে মারে। শহর ডুবলে গ্রামের মজা বা আমেজ পাওয়া যায়। বিনা টাকায় মজা বা আমোদ লুটে নাও। চাটগা শহরে যে কোনো নেতা নেই তা ভালো করে বুজে নাও”।
সুন্দর মন্তব্যের জন্য অশেষ ধন্যবাদ — “সাধারণ মানুষের কিছু হলে তাতে তাদের কি তারা তো একফোঁটা বৃষ্টির পানি ও গায়ে মাখে না। সব মুখের বুলি কাজে ঠনঠন”। শুভ কামনা নিরন্তর।
একে বার বাস্তবমুখি তুলেছেন কবি দা স্যালুট জানাই
ধন্যবাদ আর শুভ কামনা রইলো ভাইয়া।
চট্টগ্রাম শহর পানিতে ডুবিয়ে আছে। অধিক বৃষ্টি হলে আমাদের ঢাকা ও পানিতে ডুবে যায়। তুমি খুব দুঃখজনক নালায় পড়ে মানুষের হারিয়ে যাওয়া। শুভ কামনা রইলো।
অনেক শহর বন্দর গ্রাম পানিতে ডুবে এটা অস্বাভাবিক নয়। জ্বি সঠিক বলেছেন — ‘খুব দুঃখজনক নালায় পড়ে মানুষের হারিয়ে যাওয়া”।
শুভ কামনা রইলো আপনার প্রতিও।
সাম্প্রতিক দূর্ঘটনা গুলো মন থেকে মেনে নিতে পারছি না। ড্রেনে পরে মানুষ নিখোঁজ হয়ে গেলো, অথচ কর্তৃপক্ষ এখনো জরুরী পদক্ষেপ নিতে উদাসীনতা দেখাচ্ছে!
হ্যাঁ আপু আপনি ঠিকই বলেছেন — “সাম্প্রতিক দূর্ঘটনা গুলো মন থেকে মেনে নিতে পারছি না। ড্রেনে পরে মানুষ নিখোঁজ হয়ে গেলো, অথচ কর্তৃপক্ষ এখনো জরুরী পদক্ষেপ নিতে উদাসীনতা দেখাচ্ছে”! তবে অতীব দুঃখের বিষয় হচ্ছে দুই দফা বৃষ্টিতে এ বছর তিন জনের প্রাণ গেছে।
শুভ কামনা।