নাম্বার এক

নীলাঞ্জনা নীলা ১৮ ডিসেম্বর ২০১৫, শুক্রবার, ০৭:১৭:৪৯পূর্বাহ্ন একান্ত অনুভূতি, কবিতা ৩১ মন্তব্য
অক্ষর-লিখন...
অক্ষর-লিখন…

একটি অসমাপ্ত সম্পর্কের অন্ধকারে হাতড়ে ফেরা গেঁয়ো ভাবনায়
স্বপ্ন দেখে কোন বোকা?
হেই হেই পথ ছাড়ো! এক সিপ টেনেই নেশা? কে, কে কথা বলে?
চুপ!আজকাল বেশ বেড়েছে একা একা কথা!!
“তোর কি? তুই কি বুঝবি?”
কবিতার সেতুর এপাশ-ওপাশ “তুমি”-“আমি।”
আহা পাহাড়ের পাদদেশে, সামুদ্রিক স্পর্শে মধুচন্দ্রিমার কটেজ অপেক্ষমাণ।
প্রেমের শরীর নাকি শারীরিক প্রেম! জানে সবই পুরুষ শাবক।
বোঝা গেলো মুগ্ধতাও সন্ত্রস্ত ভঙ্গী নিয়ে পালাতে পারে লজ্জ্বা মিশিয়ে–
খবরের খবর হয়, টিভি-খবরের কাগজে দুনিয়ার কিছুই বাকী নেই।
ঠোঁটে স্বপ্ন উচ্চারণ, নাকি অসমাপ্ত কথা এক নারীর?
ঠোঁট ছুঁয়ে ছোঁয়ার ইচ্ছে অন্ধত্ত্বের অন্ধকার,
ইস পুরুষ সম্পর্কের খেলায় এত্তো মজা, আনন্দ পাওয়া যায়!
পুরুষের বিশাল গুণ, দালালিতে একেবারে শীর্ষে।
আর মিথ্যে স্বপ্ন দেখার বোকামীতে নারীর অবস্থান নাম্বার “এক।”

 

শমশেরনগর চা’ বাগান, মৌলভীবাজার
২৬ আগষ্ট, ১৯৯৫ ইং।

**গতকাল বুকশেলফটা গোছাতে গিয়ে পুরোনো নোটবুকটা পেয়ে যাই। লেখাটি সেই ছেঁড়া পাতাতেই পড়ে ছিলো কতো কতো বছর ধরে। যখন লিখেছিলাম, তখন পত্রিকার পাতায় খবর চলছিলো ইয়াসমিন ধর্ষণ নিয়ে। “রক্ষক যে ভক্ষক” হয় তার প্রমাণ ছিলো ওই তিন পুলিশ। লেখাটি তথাকথিত পুরুষদের নিয়ে লেখা, কেউ ধর্ষণ করে, কেউবা স্বপ্ন দেখিয়ে নারী শরীর নিয়ে খেলা করে আর কিছু পুরুষ শরীর না পেয়ে খুণ করে। কিছু পুরুষ আবার প্রেম করে প্রেমিকার হাত ধরে পথ চলে, অন্যদিকে আড় চোখে দেখে। আরোও পুরুষ স্বামী আছে যারা স্ত্রী শরীর ব্যবহার করে, কিন্তু চিন্তা-ভাবনায় রাখে অন্য নারীকে।

লেখাটি যেমন পেয়েছি, সেভাবেই তুলে দিয়েছি। ১৯৯৫ সালের আমি’টার সাথে পরিচয় করিয়ে দিতেই বদলাইনি কিছু। 🙂

৪৪৮জন ৪৪৮জন
0 Shares

৩১টি মন্তব্য

মন্তব্য করুন

লেখকের সর্বশেষ মন্তব্য

ফেইসবুকে সোনেলা ব্লগ