জোড়াসাঁকো ঠাকুর পরিবারের মাটিতে রামধনু রঙে উজ্জ্বল প্রতিভার গভীর সাগর¡ ধান ভাঙতে ভাঙতে হঠাৎ খই ¡ সোনার খনিতে হীরের জ্বলে ওঠা¡ পড়ার টেবিল ,পুকুড়পাড় বড় বট গাছ ছোট্ট রবিঠাকুর কে দেখছে ,শেখাচ্ছে নিরবতার অগ্নিদগ্ধ পাঠ ,জ্ঞানের গুরুবাক্য¡ স্নিগ্ধ দুটো চোখের গভীরতায় হারিয়ে যাচ্ছে প্রকৃতি¡ পেন থেকে লেখা ঝরার আগেই চোখ ঝলসে কাব্য ¡ লক্ষণগন্ডীতেও অবাধ [বিস্তারিত রবীন্দ্রনাথ]
ট্যাগ অরুনিমা মন্ডল দাস এর কবিতা
কলেজে ,স্কুলে পতাকা উত্তোলন —- দুদিক থেকে বয়ে গেল সাইক্লোন— স্তম্ভিত অশোক চক্র কম্পমান বয়স্ক দেশপ্রেমী——– সংসার চালাতে ক্ষুদিরাম গরিব টিউশন মাষ্টার? পটল আলুর দিকে তাকিয়ে বিপ্লবী আত্মা—- রাষ্ট্রপতি ভবনের প্যারেডের জাতীয় সংগীত বিধবা নারীর গোঙানি¡ পতাকা— আস্তে আস্তে হাঁটছে, চুপ করে বসে আছে নিঃস্ব বাবার কোলে —- জাগল না ,জাগিয়ে গেল—– বক্তৃতার থুথুকে থাপ্পড় [বিস্তারিত স্বাধীনতা]
লাঠির মারের কাঁপুনিতে লাল দাগে কাতর ঝাউ বাগানে গিয়ে গাছকে দোষারূপ করি না¡ কোন বলিউডি ম্যাগাজিনের হান্ডসম হাঙ্ক গিলে মন ভরাই না¡ সদ্য নতুন যুবক কবির কামাতুর ছটফটানি কবিতাতেও শান্ত হই না! কোন আইটেম গার্লের বুক কোমর আওয়াজের ঝঁাকুনিতেও মন ভেজে না¡ কারন , আমি কবিতাকে ভালোবাসি! বাড়ির উঠোনের পাতাগুলো যখন উনুনে জ্বলে, সাগরের বুকে [বিস্তারিত কবিতাকে ভালোবাসি]
বৃষ্টিকে ডাকো ,ডাকো! কতদিন মাছের আঁশের পোড়া গন্ধ শুঁকবে! দিনের শেষে সাপের বিন বাজিয়েদের হাতে তালে তালে নাচবে! পাহাড়ী ফুলের ধৈর্যের রেশে সাইকেল চালাবে¡ আর নয়¡ আকাশ টা এবার ভাঙল বলে রাস্তার কীর্ত্তনীয়া এবার নরসিংহ অবতার¡ # শুনতে পাচ্ছো ?মেঘ ডাকার আগে ত্রিশূলের রাশি ! খই ছড়াতে ছড়াতে ক্লান্ত লক্ষী প্রতিমা! বেশ্যা ভুলে গেছে ব্যাভিচারের [বিস্তারিত বৃষ্টিকে ডাকো]
খন্ড খন্ড বিছানার চাদর করে দিও¡ আমি টেইলারিং মেশিনে সেলাই করে নেব¡ বালিশের তুলো উড়িয়ে দিও¡ আমি হাওয়া হয়ে সবকটা তুলো আঁকড়ে নেব¡ # কোন করাতের মেশিনে রেখে দেহখানা ফালাফালা করে দিও¡ তোমার স্মৃতিতে বটগাছ হয়ে দাঁড়িয়ে থাকব¡ রাতের আকাশের কোন হতাশ তারাকে জিজ্ঞেস করে নিও¡ আমি তাঁর বুকে তোমার নাম লিখে রেখে যাব¡ # [বিস্তারিত প্রেমিক কবিকে]
বিবাহিত পুরোনো প্রেমিককে চোখের দিকে তাকালেই দুদিকের রাস্তা বন্ধ হয়ে অন্ধকার যমপুরীতে নেমে আসে¡ একবার দেখলেই প্রতারক ছুরি শরীরে তৃপ্তি নেয়¡ আলিঙ্গনের সন্ন্যাস প্রেমে রাধিকার সঙ্গম¡ মুচকি হেসে কথা র থার্মোমিটারেরসব তাপ শুষে কাতর হিম¡ ব্লেড দিয়ে কি স্মৃতির মুখ দাঁড়ি গোঁফ চোখ উপড়ে ফেলা যায়? অণ্য কোন শাড়ির ভাঁজে খোলার লুকোচুরি খেলায় ব্যস্ত স্ত্রৈণ [বিস্তারিত বিবাহিত পুরোনো প্রেমিককে/প্রেমিকাকে]
সদ্য কাটা টমেটোর চাটনির কড়াইর লাল আবীর¡ আঠারো তে পা দেওয়া মেয়েটির ব্রণ¡ হাঁফানো আনন্দের মিলন হোলি ¡ আবাসিক পাকাবাড়ির প্লাস্টার রং করা দেহ¡ # মেয়েটি গাছের তলায় ঘুমিয়ে একরাশ স্বপ্ন¡ কাদা পিচকারি প্লাবনে ভূমিকম্প¡ কৃষ্ণের কোলে বিষধর কেউটে¡ হিংস্র কুমীর আদরে কুপোকাত নম্র লজ্জাবতী¡ # সুদর্শন ঠাকুর দর্শন পাঁচ টাকা দক্ষিণা¡ প্রসাদে তেতো উচ্ছে [বিস্তারিত হোলিখেলা]
ঝঁাকুনিতে উপছে পড়ল। উনুনের দুধ চরে পরিণত হল বঙ্গোপসাগরে। যাই বলতে নেই কেননা বারবার আসতেই হয় জ্বলন্ত আগুনে পুড়তে। # পুড়তে ভালো লাগে যতক্ষণ না চোখ মুখ জ্বলে প্রেসার কুকারে সিদ্ধ ভাত হচ্ছে বারুদের অল্প দোলুনির ট্রেনে জার্নিটা টলিউডি ফিল্মের ধামাকাতে দঁাড়ায় । বলিউডি মশলার তড়কা হয় না সিটি বাজার আগেই নেতিয়ে পড়া দেশলাই হয়ে [বিস্তারিত ট্রেন]
আলোর ঝর্ণায় ভরে দিলি মোলায়েম রঙের আবীর মাখিয়ে দিলি মনের পর্দা উঠিয়ে দিলি কিন্তু কাছে এসে গান শোনালি না? কোলেও ঘোরালি না কাছে বসে গল্পও শোনালি না? # চাঁদমামা ,চাঁদমামা তুই মামা ? তবে কেন খেলতে এলি না মাঠের ওপারে? বনপিশিমা মুঠোভরে খই গুড়মুড়ি দিচ্ছিল তুই কেন এলি না? বদ্দ্যি কাকিমা ধান ঝাড়াচ্ছিল না? পাপাই [বিস্তারিত চাঁদমামা]
কৃষ্ণ তুমি কবে বুঝবে রাধার জ্বলন্ত পোড়া ঘায়ের যন্ত্রণা! প্রেমের পাগল বাঁশিতে বারবার ডেকে, সামান্য মিলনের নেশার মোহ দিয়ে, মাতাল করে হারিয়ে যাও!? বিরহের আগুনে পুড়তে পুড়তে গলা, বুক, ঠোঁট শুকিয়ে গেলে/ মধুর হাসি আর স্বর্গীয় অমৃত জল নিয়ে সামনে দাঁড়াও!? # ছেড়েই যদি যাবে তবে কেন এসেছিলে মন চাইতে! কলঙ্কই যদি মাথার মুকুট বানালে [বিস্তারিত কৃষ্ণ তুমি কবে বুঝবে?]
ম্যানিকিওর ,প্যাডিকিওর করে মুখে ফেসিয়াল করে সংসার অট্টালিকার স্নেহ ভালোবাসার ইঁটগুলি হাতুড়ি দিয়ে টুকরো টুকরো করছ!!!??? উল্লঙ্গ বাঘকে নিয়ে খেলা করতে করতে সাপের মত বেঁকে যাচ্ছ !!?? সিংহ র মত্ততা বশে আনতে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে সানিয়া মির্জার মত টেনিস খেলে আ্যওয়ার্ড নিয়ে জিতে যাচ্ছ!!?? তুমি ই নারী!!! তুমি কি সেই নারী !!!?? যার বুকের শক্তিশালী [বিস্তারিত নারী]