বহিঃবিশ্ব থেকে আগত

এলাকার এক কথিত জ্ঞানী  বিদ্বান ব্যাক্তি একদা… .. অহংকার করিয়া গাল ভরিয়া কথা শুনাইয়া বিনা কারণে আমাকে অপমান করিয়াছিল বলে, আমাদের বিল্ডিং এর পাশ দিয়া যাইবার সময় আমি  পাঁচ তলা থেকে পাথর মারিয়া তাহার মাথা ভাঙিয়া ছিলাম! পরে যখন আমার বন্ধুরা তাহাকে জানাইলো, আমাকে অপদস্ত করিবার কারনে এবং তার এই অপকর্মের কারণে তাহাকে এমন সাজা [বিস্তারিত বহিঃবিশ্ব থেকে আগত]

আত্মহত্যার প্রভাবন

  কথায় মানুষ খুব দ্রুত প্রভাবিত হয়, তবে সবার কথায় না। কিছু কিছু মানুষ আজীবন শুধু বলেই যায়, তাদের কথা কেউ বিশেষ কর্ণপাত পর্যন্ত করে না। কিন্তু এই কিছু মানুষের বাইরে আরও অল্প কিছু মানুষ থাকে, যাদের দীর্ঘশ্বাসও মানুষের মনে বিশেষ অর্থ জাগিয়ে তোলে। ঠিক কী কারণে কিংবা কেন এমনটা হয় তার সঠিক কোন ব্যাখ্যা [বিস্তারিত আত্মহত্যার প্রভাবন]

অদ্ভুতুড়ে ‘ঢাকা-একা’

  ঢাকা-একা। কথাটা একটু অন্যরকম মনে হলেও বাস্তবতায় একদম হাতে-নাতে মিলে যায় ঢাকা নামের এই শহরটাতে। এখানে দিনের শুরুতে যেমন হাজার মানুষ একসাথে চড়ে বেড়ায় তেমনি দিন শেষেও এক সাথেই ঝগড়া আর বাগড়া বাগাতে বাগাতে নীড়ে ছুটে চলে। এই যে একসাথে ছোটাছুটি আর বাগড়া দেয়ার উৎসব, তবুও এদের মাঝে থেকে যায় যোজন যোজন দূরত্ব। একসাথে [বিস্তারিত অদ্ভুতুড়ে ‘ঢাকা-একা’]

অদ্ভুতুড়ে ভালোবাসা

  এক পাখির দম্পতিদের একজন ছিল অন্ধ। অন্য পাখিটা নিজের পাশাপাশি অন্ধ পাখিটার দেখাশোনা করত। তার খাবার জোগাড় করা, বাসা তৈরি করা, নষ্ট বাসা পুনরায় ঠিকঠাক করা। এই সবই করত চোখে দেখা পাখিটা। অন্ধ পাখিটা শুধু তার অনুগ্রহেই বেঁচে থাকত। আর অবসরে দুজন মিলে খোলা আকাশে উড়ে বেড়াত। সেখানেও অন্ধ পাখিটাকে তার সাথী পাখিটা

জগজ্জীবন

নীল পেয়ালায় রাখা ছিলো নিহিলা বিষের আরক – তাকে বলা হলো, এই মুহূর্তে দুইটা পথ খোলা তোমার সামনে । আটপৌড়ে একঘেয়ে জীবন , জ্বালা যন্ত্রনা নাই নিরুপ্রদব বেঁচে থাকবে । খাবে , ঘুমাবে , বংশবিস্তার করবে । অথবা নীল বিষের পেয়ালা তুলে নাও … সমগ্র জীবনের তুলনায় পলকমাত্র তুমুল বেঁচে – তারপর আজীবন যন্ত্রনা ভোগ [বিস্তারিত জগজ্জীবন]

অনুগল্পঃ মোহনার অপার্থিব ছায়া

হুট করেই স্যাঁতস্যাঁতে একটা অনুভূতি ঘিরে ধরল মোহনাকে। মনে হচ্ছে জোড় করে কেউ তার গা ভরে শ্যাওলা ঘষে দিচ্ছে । বিরক্তিকর একটা অনুভূতি। হাত থেকে মোবাইলটা রেখে বিছানায়ই একটু আড়মোড়া ভাঙ্গবার জন্যে হাত-পা ছুড়ে দিল। তারপর আবার মোবাইল হাতে ফেসবুকে ডুবে গেলো। বেশ অনেকক্ষণ পার হবার পরেও যখন সেই অনুভূতিটাকে পিছু ফেলতে পারছিল না তখন বিরক্ত হয়েই বিছানায় [বিস্তারিত অনুগল্পঃ মোহনার অপার্থিব ছায়া]

ছুটে চলা শহরের সুরের মুগ্ধতা….

  উদ্দেশহীন ভাবে শহর ঘুরে দেখছিল ছেলেটি। দুনিয়ার সব আশ্চর্য দিয়ে ভরপুর এ শহর হাজার বছর ধরে দেখলেও দেখা শেষ হবে না। প্রতিটি মুহূর্তেই এই শহরের রং বদলাচ্ছে, সাথে বদলাচ্ছে তার ভঙ্গী। আর এই বদলানো রং আর ঢং এর সাথে তাল মিলিয়ে নিজেদের ভঙ্গিমাকেও শহুরে আদতে বদলে নিচ্ছে শহরে বাস করা মানুষগুলি। এখানে সবাই ক্রেতা, [বিস্তারিত ছুটে চলা শহরের সুরের মুগ্ধতা….]

মানব-দানব এবং ইট-পাটকেল থিউরি

মানুষ কখনো দানব হয় না, বরং আমাদের ভয়গুলিই কিছু মানুষকে দানবে পরিণত করে। যেমন আমার কথাই ধরেন, আমি বড় নিরীহ একজন মানুষ। কিন্তু সময়ে সময়ে আমিও দানব হইয়া যাই, যখন  অপারেশনে যাওয়া দরকার হয়। হ্যা, অপারেশন — মানে বাস পুরানো আর কি! আজকেও আমার একটা অপারেশন আছে। সাকসেস হইলে ভালোই টাকা পয়সা পামু। তো নির্দিষ্ট [বিস্তারিত মানব-দানব এবং ইট-পাটকেল থিউরি]