অর্ধেক পৃথিবী পুড়ে গেলে ছাই পড়ে থাকে - অনাগত প্রজন্মের তরে, দাউদাউ আগুনের লেলিহান শিখা - মৌহারী মৌরীর নির্যাসটুকু পানকৌড়ির ঠোঁটের ডগায় শেষ চুম্বনের অপেক্ষায় যেমন উদগ্রীব ব্রজাঙ্গনা, বিমিশ্র ললনার গোপন প্রকোষ্ঠে দিনান্তে বেড়ে উঠা ভ্রূণ সেও সিংহাসন চায় এবং চায় সুশোভিত মখমল। পৃথিবীর দ্বিতীয় প্রান্তে বিগলিত ক্ষমতার কেন্দ্র ঘিরে অজস্র কাকতাড়ুয়ার শিরোত্থান - আঁজলা… [বিস্তারিত]
সর্বশেষ লেখা
আসুক যতোই ঘাত প্রতিঘাতআসুক যতোই ঝড়দেশের জন্য লড়বো মোরাকরবো নাকো ডর। আপন দেশে পরের শাসনমানবো না'রে ভাইআপন দেশে আপন শাসনকরতে মোরা চাই। আপন দেশে পরের বিধানমানতে কষ্ট হয়পর তাড়াতে লড়তে হবেযোগ্য নেতা কয়। দেশকে মুক্ত করতে হবেদেশই হলো মাতার গর্ভে যে জন্ম মোদেরমোরা যে তার ছা। মনে আছে ভাই যাদের ডরথাকবে দাস তাইঐক্য গড়ো বাঙালি… [বিস্তারিত]
ছাত্র জীবনে বহু চিঠি লিখেছি ,পাড়া প্রতিবেশীদের ফরমায়েশি চিঠি। এক বড়মা ছিলেন, দুবাইয়ে ছেলেকে চিঠি লিখাতেন আমাকে দিয়ে। লিখা শেষে পড়ে শোনালে আমাকে অনেক দোয়া করতেন। এক বড় বোন ছিলো, শশুর বাড়ি থেকে আসতেন, আমাদের বাড়িতে দুদিন থেকে আমাকে দিয়ে প্রবাসী স্বামীকে চিঠি লিখাতেন। সেই চিঠি পড়ে মানুষটার নাকি রাগ পড়ে যেত। আমি মোটামুটি ইন্ট্রোভার্ট… [বিস্তারিত]
ঝরে পড়া শিউলি ফুলে নাই বা মালা গাঁথলে, রাতের আঁধারে যে ফুটেছিলো সংগোপনে। মোহিত করেছিল আপন সুবাসে তোমাতে আমাতে ক্ষণিকের তরে দিয়েছিলো প্রাণ আপন ভুবনে। হেসেছিলো মলয় জানালার ফাঁকে, আকণ্ঠ মাদকতায় ডুবেছিল বাঁশ বাগানের আধখানা চাঁদ। ক্ষণিকের আয়ু তার জাফরানি হাসিতে বেদনা লুকায় শুভ্রতার ছোঁয়ায় হাসে ভোরের আকাশ। ক্ষণিকের অতিথী হয়ে বেঁধেছিলো মায়াডোরে , তাকে… [বিস্তারিত]
আমি স্বপ্ন হতে চাই, কাউকে ভালোবাসা নয়, শুধু একজনকে ভালবাসতে চাই । আমি কবি হতে চাই, কিন্তু আমি কবি নই, আমি মানুষ মানুষের মাঝেই বাঁচতে চাই । আমি স্বপ্ন হতে চাই, কারো মনের স্বপ্ন হব, এমন মানুষ হয়ে থাকতে চাই, আমি মানুষ হতে চাই । আমি বাঁচতে চাই, ভালোবাসা নয়, কারো ভালোবাসা হয়ে বাঁচতে চাই।… [বিস্তারিত]
খোকা খুকি দেখতে পেলো ছোটন নাকি নাইতে গেলো নদীর জলে সাঁতার চলে মায়ের ভয়ে এলোমেলো। মায়ের কথা খোকা বলে ছোটন সোনা দৌড়ে চলে মনে মনে ক্ষণে ক্ষণে শাপলা শালুক নদীর জলে। খোকা খুকি বিকেল বেলা মন আনন্দে করে খেলা ছোটন ডাকে মায়ের হাঁকে নদীর তীরে শিশুর মেলা। দারুণ কাব্য শৈলী কথা ছোটনের মন আছে ব্যথা… [বিস্তারিত]
৴ঐ কৈ যাও? ৴কেন? ৴চল একটু দলিল লেখকের কাছে যাই... ৴কেন? ৴আরে কিছু জমি কিনমু৴একটু আলাপ কইরা আহি। ৴কী কইলি জমি কিনবি? ৴হ কেন? কোন সমস্যা? ৴না মানে আমি বলছিলাম কী৴ এই দুনিয়ায় জমি না কিন্না চাদে জমি কিন৴তোর ভবিষৎ ছেলে মেয়েদের স্থায়ী একটা উপায় হবে। ৴কছ কী সত্যিই নাকি? আরে দূর বেটা চাদে জমি… [বিস্তারিত]
গাছের পাতাগুলো চুপ অদ্ভুত শুধু উড়ন্ত ধূলিবালি মেঠোপথ আর এ রাস্তার অলি গলি! আজ কাল ডালপালা জুড়ে যা হচ্ছে স্ববিরোধিতা ছাড়া কিছু নয় অথচ বুঝার আত্মা মৃত প্রায়; আপন ভাল করতে গিয়ে বিদ্বেষী রুপ টেনে ধরছে সময়; মৃত দাঁড়িয়ে আঙ্গুল তুলি- মন্দ করাটাই আপন বিরোধ গাছের দু'চোখ তাই বলে- অথচ জল বিন্দু ঘাসের প্রণয়! আপনে… [বিস্তারিত]
পৃথিবীর আয়ুরেখা চিনি-নি/চিনি-না, দেখি-ও-নি শেষের ঠিকানা, তবুও একটু একটু ঝরে যাচ্ছে শিশির কণা ঘাসের পরতে পরতে, লুকিয়ে সময়ের ডানা; ভেবেছিলাম পাখি হয়ে উড়ে যাবো নীলাকাশ ছুঁয়ে ছুঁয়ে, টুপ করে নীল-ভেদে উড়ে উড়ে মিলিয়ে যাবো শূন্যতার মহাশূন্যে ; যাচ্ছি যাচ্ছিতো, টের ও পাচ্ছি দিনান্তে, রাতের শেষ প্রান্তে; এমনি করে একদিন ঠিক ই পৌঁছে যাবো নিজ নিজ… [বিস্তারিত]
গরীবের ছেলে ভোলানাথ ভোলা সহজ সরল প্রাণ, দিনমান তার খুঁটিনাটি চলা বাড়াতে গ্রামের মান। খুশিতে সে করে বৃক্ষ রোপণ পরের জমিন খুঁড়ি, অন্তরে আশা গৃহগুলি হবে পাখির স্বপ্নপুরি। পর মঙ্গলে যেচে করে কাম নেয় নাকো চেয়ে টাকা, না দিলেও কেউ হাসি তবু তার স্বর্ণের মতো পাকা। চলার আধারে সাফ করে পথ রাখতে তা পরিপাটি, গর্ত… [বিস্তারিত]
পরম পিতা রতির মিতাকরছে ক্ষতি সবেআপন পরে সকলে মরেবাড়লে অতি তবে। জীবন খসে খারাপ রসেহয়ে যে জ্ঞান হারাখুশিতে যারা আত্মাহারাপ্রাণ দেয় যে সারা। রতির যাদু শিখায় সাধুপ্রেমের কথা বলেভবের হাঁটে তুমি খাটেশিক্ষা নিয়ে চলে। সবার প্রাণে রতির টানেআঁধার নেমে আসেরতির খেলা রাতের বেলানর নারীরা ভাসে। রতি দমন করো এমননইলে মরে যাবেজীবন রথে সঠিক পথেশাস্তি তবে… [বিস্তারিত]
চারদিকে শারদীয় দুর্গোৎসবের আনন্দ শিহরন। শুরু হচ্ছে বাঙালি হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রাণের উৎসব শারদীয় দুর্গোৎসব। আজ রবিবার মহাপঞ্চমী। কাল মহাষষ্ঠী। আর এ মহাষষ্ঠীতে দেবীর বোধন। এ বোধন মানে জাগরণ বা শিহরণ। ইতিমধ্যে খড়-কঞ্চি-মাটি-রঙ কর্মযজ্ঞে দেবী দুর্গার রূপদান সমাপ্ত হয়েছে। শাস্ত্র মেনে ত্রিনয়নী দেবীর চক্ষুদান হবে আগামীকাল। শরৎ মানে কাশফুলের গন্ধে আগমনী বার্তা।রামচন্দ্রের অকাল বোধনে দেবী দুর্গার… [বিস্তারিত]
দেখছি, ভালোও লাগছে; মজাও পাচ্ছি তোমার সেই চিরচেনা ব্যস্ততা, খুনসুটিময় সংলাপ, বিগলিত আহ্লাদী সুর ও কনকনে প্রেম, যা কিছুদিন আগে আমার জন্যও ছিলো। উহ্ শব্দের শশব্যস্ততা, কষ্ট পাবার রঙগুলিও ভীষন চেনা। আর ওই আগলে রাখবার যে সবুজ সোনালীকে বারবার বেঁচে খাও এদোরে ওদোরে, আর কতোকাল তা বেচাবেচি করবে এভাবে? গন্তব্য বলে একটা শব্দ তো আছে?… [বিস্তারিত]
এক, সিগারেটে কষে এক টান দিয়ে রেশমীর কাছে জানতে চায় ইদ্রিস কী রে, কয় টুকরা করুম ? এইগুলা তুমি কি কথা কও ? একটু আগেও মানুষ টা আমার সোয়ামী আছিলো। আরে, ব্যাক্কল ছেমড়ি, সোয়ামী মইরা গেলে বেগানা পুরুষ হইয়া যায়। বিশ -বাইশ টুকরা কইরা ফালাই, কি কছ? তুমি যা ভাল বুঝো, তাই করো আমি ভিত্রে… [বিস্তারিত]
গাঁয়ের বধু হেলে দুলে নদীর ঘাটে যায়, ঝুমুর ঝুমুর শব্দ তাহার দিয়ে নুপুর পায়। নুপুরের ওই দারুণ ছন্দ পথিক ভোলে পথ, গায়ের বধু সুন্দর দেখায় দিলে নাকে নথ। নুপুর পায়ে হেঁটে চলে গাঁয়ের বধু ভাই, কলসি কাঁখে নিয়ে যখন জল আনিতে যাই। মিষ্টি মুখের মিষ্টি কথা পাখির মতো ডাক, পিছন থেকে কে দিলো রে মায়া… [বিস্তারিত]












