(১) একুশ সালে যা ছিল বিষ চঞ্চলা বা পীড়িত, হোক সবই তা বাইশ পেয়ে রূপান্তরে অমৃত! স্নান করুক সুখ অতল তৃষায় শুদ্ধ দুখের নহরে, নিত্য রূপে মন মানুষের বক্ষে হয়ে জাগ্রত! (২) উড়াল দে রে কাল পাখি তুই বল গিয়ে ওই একুশকে, যা ছিল তার ঘুন বা জরা দেয় যেন তা সব ফুঁকে! আমি বাইশ… [বিস্তারিত]
সর্বশেষ লেখা
সকালের সূর্যটা গোধূলি লগ্নে ডুব দিলো পশ্চিমাকাশের শেষ প্রান্তে। জীবন থেকে খসে পড়ল আরও একটি বছর। এভাবেই পুরাতন হারিয়ে যায় নতুনের ভিড়ে। একটি বছর ৩৬৫ দিন। শুরুতে মনে হয় অনেক দীর্ঘ, অথচ চোখের পলকে এক এক করে সময় চলে যায়। করোনার থাবায় বিশের মতো বিষময় হয়ে উঠেনি। যদিও করোনা থেকে বিশ্ব এখনো মুক্তি পায়নি। তবুও… [বিস্তারিত]
সবকিছু আজ উল্টো পথে চলে। ঘড়ির কাটা। আমার জীবন। রাশি ফল। এমনকি মাস শেষের মাইনে... যারা বুঝে আমাকে, যারা চলেছে একসাথে, অথবা যাদের সাথে দু-কদম হেঁটেছি, আড্ডা মেরেছি ছোট্ট কোন চায়ের দোকানে। সবাই আজ উল্টো পথে।কেউ আর এগোয় না। করমর্দন করে বলেনা কেউ, একদিন সব ঠিক হয়ে যাবে। তোমার কি হলো! তুমিও ঠিক নিয়ম ভেঙে… [বিস্তারিত]
তোমাকে ভেবে ভেবে যে ফুল ফুটে সে ফুলের সু-ঘ্রাণ আমার নাকে লাগে। মাধকতাময় সে গন্ধ... রাত্রির আধারে আমি চুপিচুপি যাই সে ফুলের কাছে। সদ্য ফুটেছ তুমি - এখনো আড়মোড়া ভাঙেনি। অবাক নয়নে তাকিয়ে থেকে বলো - প্রেমিক এতো রাতে কেনো এলে? কেনো মনে বাড়ালে জ্বালা। তুমিতো জানোই, আমার ঘরের বাহিরে যেতে মানা। তবুও কেনো এলে!… [বিস্তারিত]
ঢাকা টু কুড়িগ্রাম আন্তনগর ট্রেন তখনও চালু হয়নি। এর আগে ঢাকা রংপুর থেকে যাওয়া যেত। তবে কুড়িগ্রাম থেকে ঢাকা যাওয়ার সর্ট- কাট উপায় ছিল। সন্ধ্যা সাড়ে সাতটা নাগাদ একটা বগি লেংটি সাপের মতো হেলে-দুলে এসে লোকজন ভরিয়ে নিয়ে পার্বতীপূর যেত। সেখানে অজগর সাইজের ট্রেনের সাথে এক হয়ে তারপর ঢাকা গমন। কোন কোন সময় পার্বতীপূর না… [বিস্তারিত]
ছোট্ট মোদের রাজকন্যা বয়স যখন, নয় বেশি তার অতো, বুড়ির মতোই বলতো কথা ভর দিনমান, গল্পে অবিরত। স্পর্শতে তার ঝরতো মায়া সবুজ গাছের, স্নিগ্ধ ছায়ার তুল, শান্ত সুর আর সরল আভায় মুখ ছিল তার, সদ্য ফোটা গুল। গুন গুনিয়ে গাইতো সে গান আঁকতো বসে, মনের সুখে ছবি, উঠতো নিতি খুব সকালে পূব আকাশে, মেলতে না… [বিস্তারিত]
এশার আযানে আমার উঠানে নেমে আসে এক ঝাঁক শূন্যতা। কেউ কোথাও নেই। আকাশে চাঁদ নেই, ঢেকে আছে ঘন কুয়াশা। আমি জানালার পাশে এসে দাঁড়াই। দূরে দেখা যায় একটা বাতির টিমটিমে আলো। দোল খায় - হয়তো কোন জেলে পল্লীর নৌকায়। বাড়িতে বধূ উঠানে চড়িয়েছে রান্না, বধূর চোখে ও কি মাঝে মাঝে ভেসে আসে! দূর দেশ থেকে… [বিস্তারিত]
ছোট গল্পের জীবন__ বালিয়াড়িতে রেখচিত্র এঁকে ক্লান্ত অবসন্ন হয়, কেন ফের ছোটেনা নতুন কোনো দ্বীপের বেখেয়ালি সীমানায়? শেষ হয়ে ও যেন হয়না, এ নিদারুণ আশার ব্যপ্তি ঝুলে আছে সংক্ষিপ্ত পাণ্ডুলিপির পাতায় পাতায়। রাত্রির গাঢ় অন্ধকার দুচোখে, চিকচিকে হিরকদ্যুতি গড়িয়ে পড়ে ; গ্রীবা দ্বয় ভিজে চুপসে থাকে। শিথানের পাশে ঘুমন্ত নিষ্পাপ পাঁপড়ির আলতো স্পর্শে, ব্যাথার যোজনাকারী… [বিস্তারিত]
এক একটি ধূম্রকুন্ডলীর বাঁকে বাঁকে হতাশার কালিমা; চারপাশটা ঘিরে রেখেছে নিরাপত্তার বলয়ে। এখানে সবাই নিষিদ্ধ শুধু ফেলে আসা তত্ত্ব সাম্যবাদ চোখ রাঙিয়ে যায়। বেহুলা আজো লক্ষিন্দরের প্রত্যাশায় ঢেঁকুর তোলে, চন্ডীদাস ও ছিপ ফেলে অপেক্ষায় রজকিনীর; অবহেলার শহরে নিত্য বেজে ওঠে ডামাডোলের আত্মচিৎকার। পরিযায়ী পাখি হয়ে উড়ে যায় মৌসুমী প্রেমিক, শূণ্যতায় বাস করে লাল-নীল-বেগুনী মেঘের দল;… [বিস্তারিত]
পত্রিকাটির নাম "ইচ্ছেঘুড়ির বনবাস" আজ সকালে একটি নিখোঁজ সংবাদ বড় বড় ছাপা অক্ষরে বের হয়েছে, মনের সব ইচ্ছেরা চুক্তি করে বনবাসে যাওয়ার যাত্রা শুরু করেছে। রাস্তার সব অলিগলিতে, সেই নিখোঁজ সংবাদের খবর মাইকে প্রচার করা হচ্ছে। সবার মনে একই প্রশ্ন ইচ্ছেরা কেন এভাবে নিজেদের জলাঞ্জলি দিয়ে হারিয়ে গেল??? অনেক অন্বেষনের পরও পাওয়া যাচ্ছে না ইচ্ছেদের!!!… [বিস্তারিত]
কোথায় চলেছো তুমি ওহে মনু মাঝি? জানো কি পৌঁছতে সেথা কতো পথ বাঁকি? সুরুজ যে পাটে যেতে হয়নি অরাজি? কোথায় চলেছো তুমি ওহে মনু মাঝি? কেন হে ধরতে চাও ঘোরে তবু বাজী? কভু কি পারবে দিতে লহরীরে ফাঁকি? কোথায় চলেছো তুমি ওহে মনু মাঝি? জানো কি পৌঁছতে সেথা কতো পথ বাঁকি? ছবিঃ সোনেলা গ্যালারী থেকে। [বিস্তারিত]
সত্যই রাতের গায়ে এক ভয়! নরম বিছানায় ঘুমাতে হয়; বিস্মৃতি স্মৃতিচারণ চাঁদের সাথে কথা কয়! দীর্ঘশ্বাসে একটা আতঙ্ক; সব ভাবনাকে অম্লান করে যায়, অথচ রাতকে উপভোগ করি অনেক কিছু লাল পানি- উষ্ণ শীতল বুক- তবুও ভয়ে জাগ্রত হয় না আপন সত্তা; কেনো করবে চোখে যে রঙিন নেশা উম্মাদ পাগল নয় বরং আঁধারের কাছে বিলিন হওয়া… [বিস্তারিত]
এই ধরণীর ধারায় জন্মেছিনু একদা দু’জনে কোন ক্ষণে তোমাতে-আমাতে এসেছিনু মিলন তিথি হয়েছে একই সনে। গেথেছিনু মালা পরেছিলে তুমি লেগেছিলো মোহ মন পুরিতে লক্ষ্য পুরণে গেয়েছিলে তুমি তোমারে চায় আমি হৃদয় খনিতে। যক্ষনি হইলো দেখা, সখা দুজনে দেখেছিনু অন্তর ভরে চক্ষু জুড়ায়ে হৃদয়খানিতে দিয়েছুনি ঠায় তোমারে তুমিও নয়ন, না ফেলে রয়েছিলে দাঁড়িয়ে। তোমার ছায়া তোমার… [বিস্তারিত]
ভূতোর বাড়ি রোজ রাতে কেউ দৌড়ে বেড়ায় ঘুরে, ভয়ে সবাই জাগ্রত রয় যায় বলে ঘুম উড়ে। সন্ধ্যা হলেই জানলা যা দোর বন্ধ করে তারা, দেয় না ভুলেও ভোর না হলে কারোর ডাকে সাড়া। দিন গত হয় দিনের শেষে পায় না তবু গতি, কষ্টে ভূতোর লাজ হেরে যায় খিটমিটে হয় মতি। ভাবে মোরা রাজ চিরকাল ঘোর… [বিস্তারিত]
প্রিয় নবীণা, চার দেয়ালের সীমানা পেরিয়ে যত বার ই আকাশ দেখতে চাই, তত বার ই বিরূপ প্রভাবে সংকীর্ণ গণ্ডিতে আবদ্ধ হয়ে যায় আমার পৃথিবী । এতো নেতিবাচক তরঙে দোদুল্যমান আমার নিয়তি, তার হিসাব কষে শেষ করা যাবে না । তারপর ও আমি সম্ভাবনার আলো দেখি, প্রতিনিয়ত স্বপ্ন দেখি, সম্মুখে ছুটে চলি, অবিরাম, ক্লান্তিহীন । সময়ের… [বিস্তারিত]










