রাতের ঝলমলে নগরী ম্যানহাটনের ডিলেনসি ষ্ট্রীটে প্রায়ই উজ্জ্বল শ্যাম বর্ণের এক সুদর্শন যুবককে দেখা যেত লকডাউনের সময়টাতে। আমরা মহামারীর ভয়াবহ আতঙ্কিত দিনগুলোতে গাড়ি নিয়ে বের হতাম রাতের ম্যানহাটন দেখতে। জনমানবহীন শহরটিতে মাঝে মধ্যে নিস্তব্দতা ভেঙে দীর্ঘ বিরতিতে ২/১ টি গাড়ি ছুটে যেত। ডিলেনসি ষ্ট্রীটে রেড লাইটে গাড়ি থামলে সেই যুবককে ছুটে আসতে দেখা যেত। হাত… [বিস্তারিত]
সর্বশেষ লেখা
তোমাকে ভুলার জন্য বেঁচে নিলাম কবিতা। আমার মাথার শিওরে বসে থাকে - আব্বাস কিয়ারোস্তামি, ইমরা উল কায়েস, জাক প্রেভে, শক্তি চট্টোপাধ্যায় সহ আরো অনেকে। সারারাত জেগে উনাদের সাথে আলাপ করি, রাত গাঢ় হলে,পাশের বনে শেয়ালের কোলাহল উঠে। বুকের ভেতর বিঁধে যায় মিশরের নীরবতা - জানালা খুলে দেখি দূরে কে যেন সাওয়ার হয়েছে উটের পিঠে, জোৎস্না… [বিস্তারিত]
তুমি বলেছিলে কী চাই বলেছিলাম, একটু ভালোবাসা, তুমি বললে, আর কী চাই বললাম, একটু আগলে রাখা, তুমি বললে, আর কী চাই পাশাপাশি বসে গল্প করা, তুমি বললে, আর কী চাই মধ্য দুপুরে একসাথে হাঁটা, তুমি বললে, আর কী চাই পূর্ণিমায় ছাদে বসে তোমার প্রিয় কবিতা শোনা, তুমি বললে, আর কী চাই হেমন্তের সন্ধ্যায় নতুন ধানের… [বিস্তারিত]
ভাষা মানে মা! মায়ের মুখে বাবা ডাক শুনার আকুতি; তার জন্যে যত রক্ত গেলো রফিক,সফিক, সালাম বরকত জব্বার আরও কত নাম না জানা শহীদ; তাঁদের বুকে দাগ লেগে আছে বাংলা বলার রক্ত মাখা মা জনম জনম ধবে কি ঋণি করে গেলে বলো কি করে সোধ দিবো তাঁর অম্লান যেনো বাংলা ভাষার প্রাণ! একুশ এলেই যে… [বিস্তারিত]
গত রাতে ওরা এসেছিলো... দরজায় ঠক,ঠক শব্দ। কে? আমরা। আমরা কে? কোন উত্তর নেই। আমি বিচলিত হই... ..... লাফিয়ে উঠি বিছানা ছেড়ে। টেবিলে রাখা জগ থেকে পানি ঢেলে ঢকঢক করে গিলি এক-শ্বাসে। চশমাটা চোখে দিয়ে, এক পায়ে জুতো আরেক পা খালি.. .. .. আমি দরজার পাশে যাই। দরজার ও পাশে দাঁড়ানো বাংলার বর্ণমালা- রফিক, সালাম,বরকত… [বিস্তারিত]
একুশ আসলো আবারো ঘুরে ফিরে। শহীদদের আত্মার প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানাতে এখন আর যাওয়া হয় না শহীদ মিনারে। আগের মত দেশপ্রেমটা বোধহয় আর নেই। জীবিত মানুষের দেশে মৃত আত্মার ভিড়, সেই শহীদদের আর স্মরণ করি না আগের মত। শ্রদ্ধাবোধটাকেও গলা টিপে মেরে ফেলেছি! আমার আত্মাটাও আজ মৃত বলে মনে হয়। লিখাটাকে আর এগুতে পারলাম না… [বিস্তারিত]
অনেকদিন পর তাহিরপুর এলো রুকু। বাবার সাথে নয় হাজবেন্ডের সাথে। একমাস হলো রুকুর হাজবেন্ড ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে এই উপজেলায় জয়েন করেছে। তাহিপুরের সবকিছু রুকুর চেনা।ওর শৈশব কেটেছে এখানে। তাহিরপুরে পা রাখতেই রুকুর মনে হলো সে যেনো শৈশবে ডুকে গ্যাছে। পুরো শৈশব কেমন যেনো ছবির মতো চোখের সামনে ভেসে উঠছে। তাহিরপুরেই রাশেদরা থাকতো। রাশেদ তার তিনবছরের সিনিয়ার।… [বিস্তারিত]
একুশ আমার উচ্ছাস একুশ আমার ভাবনা। একুশ আমার মনের দেয়ালে আঁকা স্বপ্নের আলপনা , একুশ আমার চেতনায় জাগ্রত প্রদীপের জ্বালানো সলতে। একুশ আমার ভালোবাসার আলিঙ্গনে জড়ানো স্নেহের পরশ, একুশ আমার অষ্টপ্রহর ব্যাস্ততায় কাটানো সুখ -দুঃখের ব্যর্থ প্রলাপ। একুশ আজ নয় শুধু শোক একুশ আজ এগিয়ে যাবার দীপ্ত শপথ, একুশ আমার রক্তের হিমোগ্লোবিন একুশ মুক্ত বাতাসে… [বিস্তারিত]
শিথিল নিদ্রার অভেদ্য রাত্রিতে লিখিত প্রাণ খোঁজে আদি সরোবর, আধ-জ্বলা অন্তহীন দীপ প্রাণের কোণে কোণে, গুছিয়ে নেয়া মেঘের মত দূর ছোঁয়ায় রহস্য চঞ্চল নিশি পাহারার মত, অবসাদ। ভালোবাসা-বাসির নির্ঘণ্টে মিলছে না হিশেব কিছুতেই দুষ্প্রাপ্য যখন ফুল ও ফল। নিরামিষ গাছের মত তবুও ঠায় জেগে থাকা বিঁধে থাকা, এফোঁড় ওফোঁড় হয়ে, আড়াল-হীন মহাকালের গহ্বরে; এখন শুধুই… [বিস্তারিত]
কবিতা, এ প্রেম জেগেছে যে হৃদয় হারাবার নয় তা, এ নিশ্চয় বার বার প্রেমে পড়ি যে মুখে ফিরে আসি তত বার কবিতার অসুখে স্মৃতি হয়ে থাকে সব, কাব্য গাঁথা দিন পুঞ্জিতে মজুত বাড়ে, কবিতার খাতা তবুও যেন মন চায়, উপমা দেই ঢেলে উৎজ্জীবিত হই, তার প্রেম পেলে তাতেও নিরাশ হই,ভার হয় কবিতার ঝুলি বড় অসহায়… [বিস্তারিত]
একদা হেঁটে যাচ্ছিলাম মরণপাখা হাতে, একটি বৃক্ষ এগিয়ে এলো ছায়া হাতে, বললো খানিক জিরোতে, কেমন ঘুমঘুম চোখে দেখলুম তাকে আদর করতে চাইছে ঝুঁকে! তন্দ্রাঘোরেই ঝটিকায় সরিয়ে দিলাম, বললাম অনুমোদন আছে? সে কিছু বলেনি, আহত হয়েছে হয়তো। ব্যস আমাদের হবে হবে করে প্রণয় হলোনা যা হলো তা ও সুখকর নয়। অতঃপর লাইসেন্সধারী আগন্তুকের অপেক্ষা প্রতীক্ষায়... আদরের… [বিস্তারিত]
ফাল্গুনের অনল রঙ আকাশের গায়ে দেখি! এক কোকিলের গান শুনি- তবু মন ভরে না, একমুঠো মাটির দিকে তাকালে ধূসর মনে হয়; সব ফুলের গন্ধ যেনো বোতলের মধ্যে বন্ধ। অথচ বাতাসে হিম শীতল ঠান্ডা অনুভব-এতো শীতের পাণ্ডা শেষ- এখন রৌদ্রতাপ উষ্ণ! খারাই তুফানের মেঘ শেষে নীল মেঘ হঠাৎ বৃষ্টিপাত তারপর রাতে শীত উষ্ণ অপেক্ষা! কি দেখালে… [বিস্তারিত]
সামান্য একটু নিরাল আলতো শব্দ নৈশ-শীত-নির্জনতার গভীরে প্রবেশ করে ইস্পাত-চিৎকারে তীক্ষ্ণ প্রতিধ্বনি নিয়ে; প্রস্রবণ টের পাচ্ছি না তোতাদের সমবেত ধ্বনি মৃতদের আর্তনাদ বনাঞ্চলের শব্দ যজ্ঞ গনগনে আগুনে মুখ বাসের চাকায় চিড়ে চ্যাপ্টা ডাস্টবিন-শিশুর কান্না স্পর্শাতীত অশরীরীর দুরন্ত আনাগোনা স্পর্শযোগ্য শরীরী কসরত অনস্তিত্বের মত দাঁড়িয়ে ঠায় আছে; পিছলে পড়া পরিশুদ্ধ সোনা-আলো সময়ের পা-ছুঁয়ে, ফুটে উঠবেই সঙ্গম-সৌহার্দে।… [বিস্তারিত]
-বুবু, এই নিন গ্যারেজ, স্টোর রুম আর রান্নাঘরের চাবি। কাল আমি বাসায় থাকতে পারবো না। রান্না করে রেখেছি, তাই গরম করে খাবেন। ছুটিও নিতে পারেন। যদি না নেন তাহলে আপনি রিকসায় অফিস যাবেন কারণ আমি গাড়ি নিয়ে যাবো। সরিষা দানা বালিশে মেশালে শুতে যেমন মাথায় সুরসুরি লাগে। সেরকম মনের ভেতর সুরসুরি অনুভূত হলো। বলেই ফেললাম… [বিস্তারিত]
নদীর অপেক্ষা ফুরায় না। আজ আসবে, কাল, পরশু -তরশু এই-সেই করতে করতে দিন শেষে রাতও যায়। কিন্তু কাঙ্ক্ষিত মুহুর্তের কোন দেখা নেই। তাহলে কি সে ভুলে গেলো! কত জল্পনা চলে মনের ভেতর! কত কল্পনা ভেসে বেড়ায় দু'চোখে! সবারটা আসে,সবাই পায়/পাচ্ছে-দেখায়/দেখাচ্ছেও! ভাবতে ভাবতে সময় হয়ে এলো। ঋতু বদলে গেলো এক সকালে.. দীর্ঘ পাঁচদিনের প্রতীক্ষার পর ফাগুন… [বিস্তারিত]























