জীবনের গল্প-১৫ এখানে ☚ জীবনের গল্প-১৫-এর শেষাংশ:☛ সত্যিই তো, মেয়েতো কয়েকবারই দেখেছি। কিন্তু ভালো করে তো দেখতে পারলাম না। আচ্ছা আবার আসুক! মনে মনে এই বলেই বেশ কিছুক্ষণ ঘাটে বসে থাকতাম, আবার দেখার আশায়। এরমধ্যেই কালাম বাজার থেকে এসে হাজির হল। কালাম পুকুর ঘাটে এসেই বললো, 'ওস্তাদ বাড়ি চলেন খাবেন!' কালামকে খুবই ব্যস্ত দেখাচ্ছিল। সেসময়… [বিস্তারিত]
বিভাগ: একান্ত অনুভূতি
শুভ্রনীল! ভেবেছিলাম তোমার জন্য কত্তো কিছু করবো। তোমার জন্য একটা আকাশ বানাবো, সেই আকাশের গায়ে মেঘ ভাসাবো, মেঘে মেঘে সংঘর্ষে বৃষ্টি ঝরবে, বৃষ্টির শীতল স্পর্শে শিহরণ জাগবে! জানো শুভ্রনীল! আমি আরও ভেবেছিলাম তোমার জন্য একটা সমুদ্র বানাবো, সেই সমুদ্রের বুকে ঢেউ তুলবো, ঢেউয়ে ঢেউয়ে সংঘর্ষে জলোচ্ছ্বাস হবে, জলোচ্ছ্বাসের স্রোতে ভাসবে! অথচ এই এক জীবনে এসবের… [বিস্তারিত]
অপেক্ষা রাখি আগামীর/আগামীকালের, কোন এক উজ্জ্বল অলৌকিক শৃঙ্খলের, দ্বিধা দ্বন্দ্ব সংশয় বিড়ম্বনা প্রতিবন্ধকতা শেষে দেখা পাব এক প্রশান্তির কোমল পেলব পরশ, বান-বৃষ্টি ঝঞ্জার উন্মাতাল উত্তালতা আর বিরূপ প্রান্তিকতার বৃত্ত পেরিয়ে; সুখের বেদীতে সুন্দরের ধ্যানী হয়ে পরিত্রাণের পথ খুঁজে পাবো চিরন্তন অবিনাশী সত্তার। প্রভাতী-মোরগ-ডাকে ঘুম-ভাঙ্গা-হৃদয় উন্মোচিত হবে চিরন্তনের সীমাহীন সুখে; ঘূর্ণিপাক অভিশাপের ছেলেমি সুড়ঙ্গের দ্বার ভেঙ্গে… [বিস্তারিত]
সোনেলা! নামটির প্রেমে পড়ি প্রথমদিনেই। এতো সুন্দর একটা নাম, যার অর্থ খুঁজে নিতে হয় অনুভব দিয়ে। শৌখিন সুন্দর এই জগতের সন্ধান পাওয়ার পর সোনেলা অঙ্গনে নীড় বাধতে দেরি করিনি। একটুকরো জমিতে পরম মায়ায় গড়ে তুলেছি নিজের একখানা ঘর। আমার একান্ত নিজের ছায়া সুনিবিড়, শান্তির ঘর। এই আঙ্গিনায় পেয়েছি শত শত বাড়ি। একেকটা বাড়িতে বসত করেন… [বিস্তারিত]
যখন আমি চিকনা ছিলাম,কত যে হাহুতাস করেছি মোটা হবার জন্য। কমলা,আপেল,আংগুর,মধু,ডাব ভেষজ চালাইছি। কাচা ডিম,পাকা ডিম কোন ডিমই বাদ দেইনি খাওয়া থেকে। দুধের মধ্যে কাচা ডিম দিয়া শ্বাস বন্ধ করে গেলা, ভোর ভেলা ছোলা বুট কাচা খাওয়া, কাচা বাদাম থাকতো প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায়। বাসার পাশের ডাক্তার টি, আহমেদ সাহেবের ফার্মেসির কম্পাউন্ডার রাজেন দার পরামর্শে শুরু… [বিস্তারিত]
স্বপ্ন প্রতিটি মানুষই দেখে। কারণে অকারণে দিনে-রাতে স্বপ্ন দেখেই যাচ্ছে। কেউ ঘুমের ঘোরে স্বপ্নের ডান মেলে এদেশ-ওদেশ ঘুরে বেড়াচ্ছে। আর আমি স্বপ্নের মাঝে খুঁজি সোনেলা ব্লগের ব্লগারদের। উদ্দেশ্য তাঁদের নামগুলো আমার সোনালী ডায়রিতে লিখে রাখার জন্য। এছাড়া আমি অন্যকোনো বাজে স্বপ্ন দেখি না। আমি স্বপ্নে কখনোই প্যারিস, লন্ডন, আমেরিকার শিকাগো শহরেও যাই না, যাইওনি। কারণ… [বিস্তারিত]
ঢুকতেই আমরা মুগ্ধ হয়ে যাই!!! ফ্লোর দেখে চোখ যেনো ছানাবড়া !!!!!!!!! জীবনের প্রথম ইন্টার্ভিউ দিতে যাওয়া। উত্তেজনাপূর্ণ মূহূর্ত। কারণ জীবনের প্রতিটি "প্রথম" উত্তেজনা পূর্ণ হয়ে থাকে। যা আমরা এক্সাইটেড , নার্ভার্সনেস সব মিলেয়েই বলে থাকি...তেমনি কিছু। ইন্টার্ভিউ শেষে আমি নিশ্চিত ছিলাম আমার বান্ধবি মুন্নাকেই ডাকা হবে। কারণ সে যথেষ্ঠ স্মার্ট। তাকে বলে বলেই হাঁটতে হাঁটতে… [বিস্তারিত]
স্বপ্ন ব্লগারদের সম্মিলিত গল্প। একটি গল্প কি আসলে সম্মিলিত ভাবে লেখা সম্ভব? একজন লেখক একটি লেখার প্লট ভেবে লেখা আরম্ভ করেন এবং শেষও করেন তার প্লট অনুযায়ী। পাঠকরা সে লেখা পড়ে যে যার মত গ্রহন করেন। লেখকের চিন্তার কাছাকাছি খুব কম পাঠকই পৌছাতে পারেন। তবে লেখকের চিন্তাকে কেউ সম্পূর্ন ধারন করতে পারেন বলে মনে হয়না।… [বিস্তারিত]
চিরচেনা পথের প্রান্ত ছুঁয়ে দিলেই মনে পড়ে যায় তোর কথা, দৃষ্টির বিভ্রমে ডুবেছি যতবার, তুই তারও বেশিবার জাপটে ধরেছিস আমায়। কী ছিলো ঐ জবরদস্তি আলিঙ্গনে! তোর লোমশ বুকের স্পর্শটা আজ বড্ডো অচেনা লাগে যেনো মরিচিকার অলস বাধ, যে দিগন্তের গোধুলিতে হারিয়েছি নিযুত-কোটি লগ্ন আজ তাকে লাগছে চোখের ঘোলা মণিতে স্বপ্ন পাতা ফাঁদ, তুই শেখালি ছলনা… [বিস্তারিত]
জীবনের গল্প-১৪ এখানে☚ জীবনের গল্প-১৪-এর শেষাংশ:☛ দুইদিন পর থেকে কাজ জয়েন্ট করবো বলে, অফিস থেকে বের হলাম। নিচে এসে সব তাঁতিদের সাথে দেখা করে মিল থেকে বের হওয়ার সময় মিস্ত্রি আমার হাতে ২০০/= টাকা দিয়ে বললো, এটা আজকের কাজের মজুরি। ২০০/= টাকা থেকে কানাইকে ১০০/= টাকা দিয়ে মিল থেকে বের হয়ে বাসায় চলে গেলাম। বাসায়… [বিস্তারিত]
"কৃতজ্ঞতা পোষ্ট" আমি সুরাইয়া নার্গিস সোনেলার পরিবারের একজন ক্ষুদে সোনালী ব্লগার (সোনালী নামটা জিসান শা ইকরাম ভাইজান দিসেন) "ব্লগ" আমার ফেসবুক ওয়ালে,আমার পেইজে নিয়মিত গল্প লিখতাম তা দেখে সবাই বলতো আলিফ ব্লগে লিখো। অনেকেই ব্লগে লেখার জন্য অনুরোধ করতো কিন্তু আমি রাজি হইনি, এস.জেড বাবু ভাইয়া সব সময় বলতেন আপু ব্লগে লেখেন আপনার সেই গুন… [বিস্তারিত]
মুর্ছা যাওয়া পৃথিবীর অবিন্যস্ত মহল্লায় মহল্লায় কচু পাতায় মোড়ানো বিকল শরীর নিয়ে বেঁচে আছি আমরা কোনরকম। গ্লিসারিন শূন্য ঠোঁট থেকে অক্ষর শুষে নিয়ে ফেরারী হয়ে গেছে বেওয়ারিশ সময়। হাসির বিরুদ্ধে জারী হয়েছে ১৪৪। অতীতে পাখা মেলা অভ্যস্ত চোখ, সাঁতার ভুলে হাওয়ায় ভেসে বেড়ায়। রিক্সার বা গাড়ির হর্ণ আর করুণ চিৎকার ছাড়া অন্যকিছু প্রবেশ করেনা। অপ্রিয়… [বিস্তারিত]
ভালোবাসার অঙ্গীকারে অঙ্গার হয়েছি আমি, তবুও অঙ্গ জ্বলে উঠে নিরুৎতাপ দহনে.. হায় প্রিয়তম, এমনই প্রেম দিলে, সব পেয়েও নিঃস্ব হলাম তোমায় ভালোবাসি বলে.. কোথায় তুমি, আমি কোথায়! অদম্য আকাঙ্ক্ষায় নদী-কূল ভেসে যায়, পথিকের গন্তব্য এখনো বহুদূর ; ভুলে যাই কতো স্মৃতি স্বরণীয় স্বরণ, কারণ-অকারণে, তবুও কেন ভালোবাসতে ভুলি না! কেন বারবারে কন্ঠ শুকিয়ে আসে অনিবার্য… [বিস্তারিত]
জীবনের গল্প-১৩ এখানে☚ জীবনের গল্প-১৩-এর শেষাংশ:☛লোকটার কথা শুনে বললাম, আজ আর যেতে পারবো না। আপনি ম্যানেজার সাহেবকে বলবেন, নিতাই আগামীকাল বিকালবেলা এসে দেখা করবে।’ আমার কথা শুনে লোকটা চলে গেলো। কিন্তু আমি ভাবতেছিলাম! নতুন মিল। কোরিয়ান মেশিন। এখানেই বা কাকে দিয়ে যাই। এসব নিয়েই ভাবছিলাম! ভাবতে ভাবতেই সারাদিন কানাইকে নিয়ে ফাইন টেক্সটাইল মিলে কাজ করলাম!… [বিস্তারিত]
ভাবলেশহীন নিস্পলক চোখে স্মৃতির পাতা উল্টাই হিসেবের নিকেশ ছাড়াই, স্বপ্নের সীমা ছাড়িয়ে, আনন্দ শয়ানে –না, অধীর হয়ে ফেলে আসা দিন পঞ্জির; রঙ্গিন পাতা জুড়ে কলম-রেখায় আঁকা হয়ে আছে কত কী! আনন্দ বেদনার বাঁকে বাঁকে বৃষ্টি ধারার মত ভালোবাসা-বাসির নকশী কাঁথায়; নীলাকাশ ছুঁয়ে জ্যোৎস্না-প্লাবিত কাশবন বয়ে যাওয়া ধানসিড়ির স্তব্ধ নিস্তব্ধতায় কত গল্প কত স্মৃতি, বৃষ্টি ধোয়া… [বিস্তারিত]








