জীবন ভবিষৎ ভাবনা (সোনেলা ম্যাগাজিন ২০২২)

কোথায় শুরু করি, আর কোথায় যাইবো … সবই স্রষ্টার হাতে। আমি কেন? কারো পক্ষেই সামনের একইঞ্চি বা একমুহুর্ত পর কি হবে বা ঘটবে জানিনা। আর সেটাই আমি জানি- ভবিষৎ। আজ আছি , কাল নাই। প্রবাদ কথন। আমি মনে করি, কাল অনেক সময় মুহূর্ত আছি কিনা সেটার দাবি কিন্তু আমি করতে পারিনা। ছোট্ট এই জীবন। জন্ম [বিস্তারিত জীবন ভবিষৎ ভাবনা (সোনেলা ম্যাগাজিন ২০২২)]

নির্বাসন

তোমার দেয়া নির্বাসনে বেশ আছি! সাথে আছে আমার একাকীত্ব, যার উপর ভর করে কাঁটিয়ে  দিতে পারি বাকিজনম। যদি পরের জন্ম বলে কিছু থাকে তবে পরের জন্মেও এই নির্বাসন চাই, ভাগ্যিস তুমি দিয়েছিলে এই নির্বাসন। খুব সন্তর্পণে গুটিগুটি পায়ে এখন আমি খুঁজে ফিরি ভোরের আলোর ঝলকানি। খুঁজে ফিরি রক্তিম সূর্যের সীমানায়  প্রখর রোদের তাপদাহে সিক্ত হওয়ার [বিস্তারিত নির্বাসন]

আমিনার স্বপ্ন

   আমিনার স্বপ্ন  সেদিন ছিল পদ্মা ব্রিজ উদ্ভোদনের দিন। সারা রাত জেগে সে দেখছিল টেলিভিশনে মানুষের আনন্দ আর নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন।  কখন  যেন সে ঘুমিয়ে পড়ে।  সে চলে যাচ্ছে দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরের দিকে কুয়াকাটায় । কত যে নদী পার হতে হল ফেরি করে। কোন ব্রিজ নাই। কীর্তিনাশা, সুগন্ধা, আরিয়ালখাঁ, সিকারপুর, দপদপিয়া, পায়রা, লাউখালি, আন্ধারমানিক, সোনাতলা আর [বিস্তারিত আমিনার স্বপ্ন]

অনুভূতি লিপি

স্নেহসিক্ত শিশির যখন শিলাবৃষ্টি হয়ে মাথায় পড়ে, তখন মাথা গোঁজার বৃথাচেষ্টা আশ্রয় খোঁজে  সমুদ্রে সলিল সমাধির তরে। অবোধ্য নিয়তি আজন্ম প্রতারক, বিধিলিপি পড়তে যখন পারিনি শেষতক যা হয় হউক। আমি ও আজ থেকে  নির্বাক দর্শক।রাতের জঠরে দুঃখ ভ্রুণ বেড়ে উঠে ঘুম চুষে, নির্ঘুম চোখের জ্বলুনিতে তার কি যায় আসে ? ভোরের সূর্যের হাসিতে সদ্যজাত শিশুর [বিস্তারিত অনুভূতি লিপি]

যেন এক পথশিশু

হারিয়েছি যখন শব্দের তোলপাড় অহংকার! তখনই বিধ্বস্থ  আমাকে পাই আমি বাস্তকোনে ঘোলাটে আয়নার সম্মুখীন। ভেজা স্যাঁতস্যাঁতে কাপড়ে ঘসটে যায় আয়নার শরীর,,,তবু ফেরেনা প্রতিবিম্বের নিরেট প্রতিচ্ছবি। বিশ্বাস আর অবিশ্বাসের নাগরদোলায় চক্কর কাটতেই যেন পৃথিবী বিধ্বংসী  হয়েছে বারবার। হাতের আঙুল আর রেখা বরাবর হাজারো প্রতিবন্ধকতা টেনে দিয়েছে ডানা ভরা নিকষ আঁধারের বাতাস। রাতগুলো জমকালো আলোয় ভর করে  [বিস্তারিত যেন এক পথশিশু]

ঘুম কেনার অপেক্ষায়( সোনেলা ম্যাগাজিন ২০২২)

তোমার উপেক্ষায়, আমার অপেক্ষার প্রহরগুলোর সময় কাটে বিচ্ছেদের আঙ্গিনায়। বিরহ-বিলাসে স্নান করে সন্ন্যাসীর মত নির্বাসনে আজ  ঘুমের যাত্রা। অগ্নিকান্ডে সকল সুখ পুড়ে,চেতনায় জমা আমার কড়াল দীর্ঘশ্বাস। প্রত্যেকটা রাত কেটে যাচ্ছে ঘুমহীন-তুমিহীনতায়। তাই চড়া দামে ঘুম কেনার অপেক্ষায়,,, অনিশ্চয়তা আর  না পাওয়ার দুশ্চিন্তাগুলো এখন আকাশে তাঁরা হয়ে ফুটছে। অন্তপুরের অতলে আমার স্বপ্নগুলো ভেঙ্গে কাঁচের টুকরার মত [বিস্তারিত ঘুম কেনার অপেক্ষায়( সোনেলা ম্যাগাজিন ২০২২)]

কাঁঠাল কেন জাতীয় ফল

ফলের নাম-কাঁঠাল। কাঁঠাল হলো আমাদের দেশের(বাংলাদেশের) জাতীয় ফল। আকারে বড়,লম্বা কিছুটা মোটাসোটা হয়। আবার গোলাকৃতিও হয়। বাইরের দিকটা কাঁটাযুক্ত কিন্তু কাঁটা গুলো ভোঁতা থাকে। ভেতরের রঙ হলুদ/গাঢ় হলুদ হয়ে থাকে। খেতে মিষ্টি লাগে। পাঁকা কাঁঠালের ঘ্রাণ খুবই তীব্র। অনেকেই সহ্য করতে পারে না। কিন্তু যাদের কাছে এই ফল অত্যন্ত প্রিয় তারা এর ঘ্রাণেই মুলত বেশি [বিস্তারিত কাঁঠাল কেন জাতীয় ফল]

ভুত নয় অদ্ভুত

সেদিন ছিল শনিবার। সময় আনুমানিক ৭:৩০/৮ টা । ঈদের কেনাকাটা শেষে গেলাম জুতার শোরুমে। হঠাৎ চোখে পড়লো একটা কিউট বাচ্চা কালো বিড়াল। দেখেই কোলে নিতে ইচ্ছে করছিল। ইশ কি সুন্দর দেখতে! আমি শুধু একবার বললাম বাসায় নিয়ে যাই। ব্যস কন্যা তার বাবার মাথা খারাপ করে দিচ্ছিল বিড়াল ছানাটাকে বাসায় নেওয়ার জন্য। মেয়ের বাবা নিরুপায় হয়ে [বিস্তারিত ভুত নয় অদ্ভুত]

ঘুষ অথবা স্পিড মানি

বাংলাদেশে ঘুষ ব্যতীত কোন কাজ সম্পাদন হয় কিনা আমার জানা নেই। আমার পেশাদারী জীবনে ঘুষ প্রদান ব্যতীত আমি কোন কাজ করাতে পারিনি। একটি মাত্র ব্যতিক্রম আছে অবশ্য। ঠিকাদারি জীবনের একেবারে প্রথম দিকে একজন উপজেলা প্রকৌশলী যার নাম শহিদুল ইসলাম, তিনি আমার কাছ হতে ঘুষ নেন নি। পরে জেনেছি উনি কারো কাছ হতেই ঘুষ নেন না। [বিস্তারিত ঘুষ অথবা স্পিড মানি]

সভ্য পৃথিবী

আত্নবিলপ্তি, জীবন সমাপ্তি -সভ্য পৃথিবী মানব মনুষ্যত্ব ভূলন্ঠিত হচ্ছে! সভ্যতা/ সংস্কৃতি /আশা- আকাঙ্খা/ দৃষ্টি হীন সুখ, যন্ত্রণার আঁধারে নিঃশব্দ সরীসৃপের মধ্যবর্তী সংযোগস্থল!   সুখ, মিথ্যে মোহের ছলনায় -বিলুপ্ত , খণ্ডবোধ উচ্ছিষ্ট আবেগ মামতা শূন্যতা জুড়েই চলছে, ছলনায় ছুটে চলে দিগবিদিক -অন্তিম সুখের উল্লাসে!   শূন্যতায় ক্রমাগত কসেপড়ে আমার পৃথিবী, আমি মুক্তি চাই- তোমার উষ্ণ আলিঙ্গনে [বিস্তারিত সভ্য পৃথিবী]

পঞ্চ প্রপঞ্চ

১| চিমটি কেটে দেখো! এখনো মরিনি…. নিশ্বাস নিয়ে যাচ্ছে বুকের করোটিতে আমার সকল সাফল্যের রোজনামচা। উনুনের হাড়িতে টগবগে ভাত আর ডালের উপচে পরা শৃঙ্খলতা আটকে দেই যখন তখন! আগুন আঁচে সেঁকে নেই দুচোখের ভেজা নুনের জল। নির্লিপ্ত ঠোঁটে আলগা রং ঠেসে দিয়ে সঙ সেজে দাঁড়াই ঘরের বাস্তকোনের আয়নার সামনে; ঐ তো ও ঠোঁটে হাসি লেগে [বিস্তারিত পঞ্চ প্রপঞ্চ]

আঙুলের ডগায় এখন আর নেই শব্দের নাচন

সুনীল আকাশ এখন আর আমায় হাতছানি দিয়ে ডাকে না। শুভ্র মেঘের চাহনি এখন আর আমায় পেঁজো তুলোর ভেলায় ভাসায় না। টিনের চালে বৃষ্টির রিনিঝিনি নূপুরের ছন্দ এখন আর আমায় আবেগ তাড়িত করে না। শুষ্ক মাটির বুকে প্রথম স্পর্শ করা জলের সোঁদা গন্ধ এখন আর আমায় বিমোহিত করে না। হঠাৎ সামনে পাওয়া লাল ফড়িংয়ের দর্শন এখন [বিস্তারিত আঙুলের ডগায় এখন আর নেই শব্দের নাচন]

বোহেমিয়ান

নিঃসঙ্গ দাঁড়কাক দখিনা জানালার গড়াদে প্রায়শই আসে, ডাকে শুকনো মরমরে কর্কস বেসূরো তাল,লয়, সুরে। বড্ড মায়া হয়, কি চায় সে?   আমার কেঁপে ওঠা চোখের পাতায় তার প্রশয় আভাস বলে হয়তো আমার মতো দুঃখী সেও। অত:পর তাকে বসতে দিই, খেতে দিই, মনের জানালাও দিই খুলে। বেশ এবেলা ওবেলা তার আনাগোনায়, আমার শুস্ক উঠোনময় যেন আনন্দ [বিস্তারিত বোহেমিয়ান]

হাবিজাবি

কত ঘন্টা, মিনিট, সেকেন্ড গেলো চলে! আমার আর হুঁশ ফেরে কিসে! অন্ধকার আর অন্ধকার হবে কবে! নাকি সেও সেই মিথ্যে প্রহসনে দাঁত কেলানি হাসি দিয়ে যাচ্ছে বলে- এই দ্যাখ…আলো জ্বলা তীব্র আঁধারেই আমার জীবন বাঁচছে কেমন হেসে খেলে!” সয়না যেন এমন তরো কিপ্টপমিতে রাত্রি দিন সমানতালে পার হতে দিতে! একফোঁটা ঘুমের তরে হাড় হাড্ডির কচর [বিস্তারিত হাবিজাবি]

অজানা গন্তব্য ( সোনেলা ম্যাগাজিন ২০২২)

চেয়েছিলাম আমার জীবনের প্রথম প্রেমিক পুরুষ তুমিই হবে প্রেমিক পুরুষ! অথচ তুমি হলে এক তৃষ্ণার্ত যাযাবর, দিকভ্রষ্ট, স্বার্থপর প্রেমিক, যে কিনা হাজার নদীতে নোঙ্গর ফেলে মিথ্যে আর নিছক আলোর সন্ধানে হাতড়িয়ে মরে, সাতার কাঁটে অস্বচ্ছ পানিতে পদ্মে ভাসা কাকভেঁজা জল ফড়িং এর ন্যায়! এভাবেই কেটে যায় তোমার সময় তবুও মেলে না আলোকিত অলিন্দ। এভাবেই অবিরাম [বিস্তারিত অজানা গন্তব্য ( সোনেলা ম্যাগাজিন ২০২২)]