কবিতা! শুনতে পাচ্ছিস? এমন করে ডেকে সারা হচ্ছি! ট্রেনের বগির সাথে পাল্লা দিয়ে শব্দগুলো পালাচ্ছে, আমি অসহায় চোখে তাকিয়ে আছি! চিরচেনা মাঠ-ঘাট,সরষে ক্ষেত, গরুর পাল, কৃষকের নাঙ্গল। হারানো শৈশব-কৈশোর__ সাথে অশোকের ঝুলে দোল! চোখদুটো হাত বাড়িয়ে ছোঁয়ার তরে ব্যাকুল! কবিতা! জানিসতো তুই দুরপাল্লার পথে ছায়া সঙ্গী। নিবিড়ভাবে জড়িয়ে গেছি আমরা__ যাকে বলে অঙ্গাঅঙ্গি। জীবন এখন… [বিস্তারিত]
বিভাগ: একান্ত অনুভূতি
প্রমথেশ বড়ুয়া যে কত বড় মাপের চলচ্চিত্রকার, অভিনেতা, গায়ক তা আমরা কজনই বা জানি? আমি নিজেই তো জানতাম না যে তিনি ভারতের চলচিত্রে প্রথম কৃত্রিম আলোর ব্যবহার করেছেন ইউরোপে সিনেমা সম্পর্কে শিক্ষা নিয়ে। বাংলা চলচিত্রে তিনি দেবদাস চরিত্রে অভিনয় করেন। পরবর্তীতে ব্যক্তিগত জীবনেও তিনি সত্যিকার দেবদাস হয়ে মৃত্যু বরণ করেন। একটি সময়ে নায়ক উত্তমকুমারের কাছে… [বিস্তারিত]
একবার আকাশের দিকে তাকিয়ে দেখো। সবে পূর্ণিমারচাঁদ। সে এক চাঁদ নয়, দেখতে অবিকল তোমার মতো এক ষোড়শী কিশোরী। খোঁপায় ঝিনুকের মালা। কর্ণে গ্রথিত মহুয়াফুল। চোরাবালির মতো চিকচিক করছে নাকের নোলক। একবার আকাশের দিকে তাকাও, দেখতে পাবে সে চাঁদ অবিকল তোমার মতো। রূপোলী জ্যোৎস্নায় মাঠভরা ইরিধান। গাভীর পদচিহ্নে জমে থাকা বৃষ্টির জল। নববধূর কণ্ঠে ব্রজবুলি। চারদিক… [বিস্তারিত]
তুমি আমার নয়নের আলো। দূর করেছ জীবনের সব আঁধার কালো। তুমি আমার কাম ক্রোধ স্নেহ মমতা ভালবাসা। অর্জন করেছ আমার জীবনের সমস্ত আস্থা আর ভরসা। তুমি আমার জীবনের প্রেমমময় শান্তি-প্রশান্তি। তোমার কারণে দূর হয়েছে সব দুর্গতি অশান্তি। তুমি আমার জীবনের উৎসব আনন্দ উচ্ছ্বাস। তুমিই আমার জীবনে এনেছ স্বস্তি আর বিশ্বাস। তুমি আমার চপলা চঞ্চল হরিণী।… [বিস্তারিত]
আমি আবার সেই ছোট্ট বেলায় ফিরে যেতে চাই। সেই ছোট্ট বেলায়; ছোট বেলায় বাবা যখন কাঁধে জাল নিয়ে মাছ ধরতে যেতেন তুলশী গঙ্গা নদীতে, আমি তখন খোলই হাতে ঘাসফড়িং এর মতো- লাফিয়ে লাফিয়ে ছুটতাম বাবার পিছে পিছে। যেতে যেতে ঘাসের ডগায় একটা লাল ফড়িং দেখলেই বাবার পিছু ছেড়ে দলছুট হয়ে ছুটতাম ফড়িং এর পিছে ।… [বিস্তারিত]
শকুন একপ্রকার পাখি। যদিও এখন দুর্লভ। এটি মৃত প্রাণীর মাংস খায়। শকুন মানুষের কাছে অপছন্দের একটি পাখি। অথচ এরা উপকারী। তবে, এরা প্রয়োজন না হলে জীবন্ত প্রাণী শিকার করে না বা খায় না। একবার আমাদের গরু মরেছিলো। রাতে মরদেহটা মাঠে রেখে আসা হয়েছিলো। সকালে উঠে দেখি, কোত্থেকে শকুনের দল এসে অর্ধেক সাবাড় করেছে। আর আশ্রয়… [বিস্তারিত]
কোন এক বিবস্ত্র তিথিতে অনুভূতি প্রদক্ষিণ করে চুপিসারে দাঁড়াবো সোনেলার গা-ঘেঁসে সবার অলক্ষ্যে, আশ্চর্যরকম সতর্কতায়; ষষ্ঠ, সপ্তম, অষ্টম ইন্দ্রিয় টান টান করে, দেখে নেব এখানে-সেখানে কী-হয়, কে কী-লেখে, লিখবে বলে ভাবে; ভেবে ভেবে টো টো করে, ইতিউতি-ও; শুনতে পাই, এখানে অতি সামান্যের একটি মাত্র অক্ষর এঁকে দিলে, আনন্দ-বেদনা নিয়ে ভাবলেও, সেই ভাবনার সুলুক সন্ধান সমুত্থিত… [বিস্তারিত]
অ-কবিতা_ সেই রাত আর ফিরে আসেনি আমাদের প্রতিদিনের রাত গুলোতে, আমাদের কথা গুলো থেমেছে, থমকে গেছে কখনো-সখনো / সবটাই থেমেছিলো কি? কথা ছিলো একদিন সব কথা ফুরিয়ে গেলে আমরা হিসেব নিবো অফুরান কথা গুলোর, কত কথা বলার ছিলো! হাসি-কান্নায় গল্প-কবিতায় না বলতে পারা কথাতে-ও! কিছু-কিছু দিনে আবদ্ধ কথা গুলো জমা থাকে ছোট-ছোট অক্ষরে, ঘেমে উত্তপ্ত… [বিস্তারিত]
চারিদিকে আজ বৈরী আবহাওয়া বইছে মন খারাপের দীর্ঘশ্বাস খাঁ খাঁ করা শূন্যতা আর শূন্যতা ভালো নেই কেউ ভালো নেই ভালো নেই গাছ পাতা আর ফুল ভ্রমরটাও আজ করছে না গুন গুন প্রজাপতিটাও আজ মেলছে না পাখনা ঘাসফড়িংটাও আজ রয়েছে নিশ্চুপ ঘাসফুল গুলোও আজ ফ্যাকাসে ধূসর বিবর্ণ শিশিরও আজ বসছে না দূর্বার গা'য় ভালো নেই কেউ… [বিস্তারিত]
কাল সারারাত কেমন দুঃস্বপ্নের রাত ছিলো। গভীর ঘুম যাকে বলে তা হয়নি। একটি স্বপ্নই বারবার হানা দিচ্ছিলো, লিকলিকে চিকন একটি সাপ কখনো বালিশের নীচে আসে, কখনো কানের মধ্যে ঢুকে যায়। একবার তো নাকের মধ্যে দিয়ে পেটেই ঢুকে যাচ্ছিলো, লেজ টেনে বেড় করেছি। এই সাপ সাপ স্বপ্ন কাটিয়ে আজানের পরে কখন যেন ঘুমিয়ে গিয়েছি। নয়টার পরে… [বিস্তারিত]
একটু দেরিতে দেরি করে হলেও চিনে/বুঝে ফেলেছি চিনি ও লবণের তফাৎ, রং ও স্বদে; গ্যাসের ফুঁয়ে ফোলানো বেলুন, মৌসুমি কাকতাড়ুয়া কলা পাতায় আঁকা ভিঞ্চি আর্ট, টেনে টুনে কতক্ষণ আর টিকিয়ে রাখা যায়, টিকে থাকে!! জড়ো করা বীজে চিটে ধান চিনে ফেলে বিস্মিত কৃষক বিপুল অভিজ্ঞতায়, সময়ের ঋতুতে; গাঢ় নির্জনতায় লৌকিক-অলৌকিক বিকেল,সন্ধ্যা বা রাতের যে কোন… [বিস্তারিত]
সুখ-দুঃখ, পুলক-বেদনাময় কত বিচিত্র অভিজ্ঞতা, কত মানুষের সাথে মেলা-মেশার মধ্য দিয়ে জীবনের এই পথ অতিক্রম করে চলেছি আমি; জানি সে পথ একদিন শেষ হয়ে যাবে। জীবনের সবকিছুই পলাতকা ছবির বন্ধন হতে মুক্তির জন্য ঝুঁকছে। হাসি, অশ্রু, প্রেম লজ্জা, ভয়, অপমান, অত্যাচারের কোন নির্দিষ্ট স্থায়ী সত্ত্বা নেই। জীবন তার নিজ গতিতেই চলমান। এই গতিবেগের মধ্যে এসব… [বিস্তারিত]
ঈদ করেছি বহুকাল আগে বাবার হাত ধরে। তারপর তাকে ছাড়া ১৫টি ঈদ; অন্যদিনের মতোই। তোমরা বাবারা কেন বুঝতে চাও না বিশেষ দিনগুলোতে মেয়েরা সবচেয়ে বাবাকেই মিস করে, ফিল করে। ভীষন ইচ্ছে করে তোমাদের সাথে স্পেশাল মোমেন্ট কাটাতে। অন্যের বাড়িতে বউ, অমুকের মা হয়ে থাকতে ভালো লাগে না। ঈদ আসার আগে আগে আমি অজুহাত খুঁজতে থাকি।… [বিস্তারিত]
মেয়ে তাঁর বড্ড রাগী জেদী আর অভিমানী। কোনো কারণে একবার যদি বলে না তো না-ই। আর কারো বাপের সাধ্য নেই হ্যাঁ করায়, মেয়ের বাপের ও না। তাই তো তিনি সারাদিন না খেয়ে কোরবানির কাজ শেষ করে রান্না হওয়া মাত্রই খাবার প্যাকিং করে নিয়ে ছুটলেন মেয়ের কাছে। হঠাৎ বাবার আগমনে মেয়ে হতভম্ব, অশ্রুসিক্ত। কোনো রকমে অশ্রু… [বিস্তারিত]
দিন-ক্ষণের নিরিখ নেই, নেই দিন বা রাত্রির ঘণ্টা-মিনিট, বৃষ্টি বা ঘন-তাপ, আনন্দ-বেদনা হাসি-তামাসা কটু-ফুর্তি, খেতে খেতে ঘুমুতে ঘুমুতে ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে শুধুই পড়তে/লিখতে ইচ্ছে করে; ইদে-ও; গাছ-পাথর লতা-পাতা ফুল-পাখি ইট-কাঠ নিরেট দেয়াল, সবার সাথে কথা বলতে/শুনতে ইচ্ছে করে, শুনি, শুনে শুনে লিখিও; এ এক অনিন্দ্য সুন্দর বন্ধুত্ব, দ্বিধা দ্বন্দ্বের বর্হি-সীমায়, সবুজ-গোলাপ ভালোবাসা; উঁচু চৈতন্যের আদিখ্যেতা নেই,… [বিস্তারিত]























