আজ এ পথে পিছনের যতোশতো নিঃসঙ্গ মুহুর্তের বিচিত্র ছবিগুলো ভেসে উঠছে তন্ময় হয়ে বসে ভাবছি, সেই সব অনাবিষ্কৃত গভীরতায় আমি তখন ঢুকে দেখিনি, আজ এক্ষণে, দেখছি তাকে, শিখছি তাকে। অধরা সে সময়গুলো আমার, যা মুহূর্তের মধ্যে পালিয় গেছে তা সে আমার চোখের কোনে উজ্জল মুক্তো। সেই অনাবিল দৃষ্টিটুকু খুঁজি এখন। আজ রাতের এ বাঁকা আধখানি… [বিস্তারিত]
বিভাগ: একান্ত অনুভূতি
স্বপ্ন জানো, অকস্মাৎ উড়াল জানো, নিঃশব্দ দ্বৈরথের স্মৃতি জানো-না তা-কী হয়! ছায়া হয়ে সন্ন্যাস-গামী হই, সন্ন্যাস নেই, কৈ, সন্ন্যাসী হতে-তো পরি না, খর-চোখের আরশিতে-ও ঐ আর্যমুখ ভেসে ওঠে ঘুম পালিয়েছে একলা ফেলে, এই বিজু বনে। খুব মনে পড়ে তাকে, পড়ুক বেশি বেশি করে পড়তেই থাকুক, মনের গহীন গভীরে অনন্ত না-সুখেও পারিনি ভুলে যেতে, অনির্ণীত থেকে… [বিস্তারিত]
ছোটবেলা থেকে দেখে আসছি রিকশা নামক একটি ত্রিচক্রযান । এটি শুধু এই বাংলাদেশেই নয়, রিকশা বা সাইকেল রিকশা একপ্রকার মানবচালিত মনুষ্যবাহী ত্রিচক্রযান, যা এশিয়ার দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় দেশগুলোতে প্রচলিত একটি ঐহিহ্যবাহী বাহন । বর্তমানে এই ঐতিহ্যবাহী ত্রিচক্রযানটির বিস্তার এশিয়া মহাদেশের বহু দেশের শহর- বন্দর আর গ্রাম-গঞ্জে সবখানে সবজায়গায় । যদিও দেশভেদে এর গঠন ও আকারে বিভিন্ন… [বিস্তারিত]
স্যার আজ গাড়ি রাস্তায় নামানো যাবে না। ফিল্ডে যাবেন কিভাবে? ড্রাইভারের চোখে মুখে চিন্তা। আজ মে দিবস তারপরেও সে এসেছে প্রতিদিনের মত ডিউটি করতে। কোন ড্রাইভার আজ গাড়ি চালালে তার খবর আছে। একই সময়ে মিছিল যাচ্ছে, বেশ বড় মিছিল। শ্লোগান ভেসে আসছে- মে দিবস মে দিবস... সফল হোক সফল হোক দুনিয়ার মজদুর... এক হও এক… [বিস্তারিত]
জাস্টিস ফর উইমেন গ্রুপে ডায়েস ভাইয়ের একটা পোস্ট দেখলাম। বিষয়টা সংক্ষেপে এমন যে, একটি ছেলে ছাত্রাবাসে থেকে পড়াশোনা করে, প্রতি সপ্তাহে বাড়ি যায়।এবার দু'তিন সপ্তাহ যাবত সে বাড়ি যাচ্ছে না।কারণটা হলো, তার মা কান্নাজড়িত কন্ঠে ছেলেকে ফোন করে বলেছে, "তোর বাবা আবারো মেয়ে নিয়ে আসা শুরু করেছে। প্রতি রাতেই এটা করে"। একথা বলার সময় নিজের… [বিস্তারিত]
তোমার বলার প্রতিটি নিঃশব্দ-ভাষা, প্রতিটি হরফ-যতির অনুপুঙ্খ সবই জানা, শ্বাস-নিশ্বাসের মত, ঐ-যে শব্দ-চোখ-মুখ-ঠোঁট-চিবুক, টইটই করা থেকে হামাগুড়ি দিয়ে রাত জাগা, প্রতিটি লোমকূপের স্বেদ-ঝর্ণা, গড়গড় করে চোখ-মেলে-বুজে পড়ে যেতে পারি; শ্রুতি গ্রাহ্য অনুচ্চারতায়ও, প্রকাশের ভাষাটি শুধু শিখতে পারিনি। মুখের কবর-নিস্তব্ধতা ঝেড়ে ফেলে জ্যোৎস্না-আঁকা শান্তিদূত হয়ে হাসো, পূষা-বিভূষণা ঊষা, দ্বার খোলো, একবার-ই, হাসি-হাসি-মুখে; বক-জ্যোৎস্নার-ঝিলমিল সুখে। “এই শোনো… [বিস্তারিত]
সকাল-সন্ধ্যা-রাতের জ্যামিতিকে পাশে রেখে মধ্যবিত্ত কবোষ্ণতায় পানকৌড়ি হই চলো। প্রবহমান প্রতীক নির্জনতার ভেতর দিয়ে ইশারায় বহুমাত্রিক বিভাজন তুলি, তুমি তো জানোনা, তুমি মানেই ভিন্টেজ ওয়াইনের স্বাদ, জীবন বিবর্তিত ব্যাকরণ মায়াবী মৃগয়াভূমি। আবার তুমি-ই অসমাপিকা ক্রিয়ার ভেতর জেগে ওঠা একজন অহঙ্কারী খুনী প্রবহমানতা থামিয়ে দিয়ে অশরীরী হওয়া এক অসম্ভব ছায়ার মায়া শোনো, তোমার জন্যে 'আমাদের' মৃত্যু… [বিস্তারিত]
সন্তান কি চায়? অনেকদিন যাবত ভাবছিলাম কিছু লিখব এ বিষয়টা নিয়ে।আজ লিখেই ফেললাম। ১. শায়লার দুই বাচ্চা।একজনের বয়স ৫ বছর, অন্যজনের ২। শায়লা খুব সহজ সরল, কাওকে মুখের ওপর কথা শোনাতে পারে না। এই সুযোগে তার বড় বোন প্রায়ই তাকে বলে : "তোর মেয়ে দেখি কিছুই পারেনা, আমার মেয়ে কত কাজ জানে!" (তার মেয়ের বয়স… [বিস্তারিত]
ক্রীতদাস শাস্তিঃ বেঁধে চাবুক মারা ক্রীতদাস শাস্তি দেওয়ার সবচেয়ে প্রচলিত পদ্ধতি ছিল চাবুক দিয়ে মারা। ক্রীতদাস প্রভু তার বাড়ির আঙ্গিনায় একটি প্লাটফর্ম তৈরি করতেন এতে ক্রীতদাসদের বেঁধে চাবুক মারা হতো। যাতে করে চাবুক মারা সময় নড়াচড়া করতে না পারে। ক্রীতদাস নারী কি পুরুষ উভয়ের বেলাতেই উলঙ্গ করে তাকে চাবুক মারা হতো। আর অন্য ক্রীতদাসদের সম্মুখেই… [বিস্তারিত]
এই যে বাঁচতে বাঁচতে আবার জেগে ওঠা ভালোবেসে ভালবাসতে পারা জলজ-বসন্তে গা-এলিয়ে দিয়ে ভিজে যাওয়া কেউ-কেউ পারে, সবাই কিন্তু না; শুকিয়ে যাওয়া জল-স্রোতে পদ্মপাতার হাতছানি ছল-ছল জল-জল জল-স্রোতের পদধ্বনি, উষ্ণতার উষ্ণতায় ফিরে ফিরে এই-যে আসি কবিতার কবিতায় বাধাহীন জলরাশি ভালবাসে ভালোবাসি। তোমার ঠোঁট ছোঁয়নি বলে নাম-জানা-না-জানা শব্দেরা আজ অভিশপ্ত, তরঙ্গ-ছবিতে ঝুলে থাকে শব্দানুভব ধনুকের টান-টান… [বিস্তারিত]
যেদিন আমার মৃত্যু হবে, সেদিন সমস্ত দিন আবহাওয়া থাকবে নাতিশীতোষ্ণ দিনের আলোতে গহীন সবুজের ভেতর চোখ মেলে দেখবো খোলা ওই আকাশ আর আমার নিঃশ্বাস হঠাৎ করেই চুপ। যেদিন আমার মৃত্যু হবে, স্বাধীনতার স্বাদ নেবো নাকি পরাধীন হবো, জানা নেই; তবে সেদিন আমাকে আর সন্ধ্যের মুখোমুখি হতে হবেনা, ভরপুর রোদের হাসি চোখে মেখে অজানায় পাড়ি দেবে… [বিস্তারিত]
গাঢ় নীল পাখিটি ডেকে যায়, ডেকে ডেকে থেমেও যায়, ক্লান্ত-দুপুর সতেজ রৌদ্রস্নানে তন্দ্রা-ছন্ন হয়, ক্ষয়ে যাওয়া চারাগাছটি ঝিমোয়, এক সুটকেস ক্লান্তি হেলায় পড়ে রয়, বিস্তৃতের পথ ধরে ঝাপসা চোখে কত কী ই না দেখি! সমাপ্ত সংলাপের বেশে দৃষ্টিহীনের দৃষ্টি নিয়ে থমকে দাঁড়াই ক্ষণকাল, দু’চোখের বিপ্লবী ঝিলে চুপিসারে মাছরাঙ্গার ব্যস্ততা। অপেক্ষা চাঁদের সঙ্কেতের, অপেক্ষা ঘাস-শিশিরের নগ্ন… [বিস্তারিত]
পহেলা মে আন্তর্জাতিকভাবে শ্রমিকের ন্যায্য দাবী আদায়ের লক্ষ্যে একটি সংগ্রামের ঐতিহাসিক দিন। যে দিনে শ্রমিকরা আটঘন্টা শ্রম দেওয়ার জন্য আন্দলন করেছিলেন। কিন্তু বর্তমানে এই দিনে পুজিবাদি মালিকরা শমিকদের কিভাবে ব্যাবহার করছে! এই দিনে তাঁদের গলায় মালা, লাল ক্যাপ দিয়ে মিটিং, মিছিল করছে পক্ষান্তরে এই শ্রমিকরা যখন তাঁদের দাবী আদায়ের আন্দোলন করছে পুজিবাদী সরকার, কলকারখানার মালিকরা… [বিস্তারিত]
ব্যক্তিগত পরিচয় তেমন নেই। সোনেলা ব্লগে লেখার সুত্রেই তাঁকে চেনা। চিনলাম তাঁকে বটবৃক্ষ হিসেবে। ব্লগের সর্বপ্রথম আইডি কারকদের একজন। তিনি আমাদের ছাইরাছ হেলাল ভাই। আজ তাঁর জন্মদিন। আমি খুবই আনন্দিত যে আমার জন্মদিন উইশ প্ল্যানের প্রথম পোস্ট আমি তাঁকে নিয়ে দিচ্ছি। উনার সম্পর্কে বলতে গেলে বলতেই হয়, উনার পোস্ট আমি খুব ভয় পাই। কি কঠিন… [বিস্তারিত]
স্বপ্নময় স্বপ্ন জেগে আছে বলেই বেঁচে আছি, অহোরাত্রি মায়াময় স্বপ্নের চিৎকার চেঁচামেচি, জলছোঁয়া শুচি জ্যোৎস্নার ঝিকিমিকি, বৃষ্টির চোরাচোখের উঁকিঝুঁকি, শীতের কনকনে গভীরতায় একটুখানি ওম, লাল চাল ভাতের ধোয়া ওঠা, নিভু প্রদীপের দপ করে জ্বলে ওঠা, বিবশ প্রবাস হৃদয়ের আবারও জেগে ওঠা, বেঁচে যাওয়া, ক্লান্ত ঘোড়া, বোবা জীবন, বিদীর্ণ বাগান, অসংখ্য তালি-তাপ্পি, হৃদ্ধ অনুভবে। ছায়া ফেলে… [বিস্তারিত]







