এক মুঠো ভালোবাসা (৪১তম পর্ব)

দুই মাস পরের ঘটনা   অনিক ছায়া লাঞ্চ করছিলো, আজ রোববার বলে অনিকের অফিস নেই, দুজনেই বেশ ফুরফুরে মেজাজে আছে, অনিক খাওয়ার মাঝে ছায়ার সাথে খুনসুটি করছিলো, ছায়া পাল্টা অভিমান দেখিয়ে বললো, আরেকবার জ্বালাবে তো এই মোটা চামুচ দিয়ে মাথা ফাটাবো বলে দিলাম। অনিক মাথাটা এগিয়ে দিয়ে ইশারা করলো যেন ছায়া ফাটাতে পারে, ছায়াও কম [বিস্তারিত এক মুঠো ভালোবাসা (৪১তম পর্ব)]

ওদের রুখে দাও

এক. নদীর পারে একটি নৌকা বাঁধা। রাতের অন্ধকারে নৌকার ভিতরের চার্জার লাইটের আলোয় গোল হয়ে বসে আছে কয়েকজন। এদের মধ্যে সর্দার টাইপের একজন কি যেন বলছে আর বাকিরা শুনছে। শুন কেরামত! তুমি তোমার কাজ কিন্তু ঠিক মত কর নাই। কোন কাজ বস! বেকুব মহা বেকুব। এখনো বুঝ নাই। না বস! তুমি বর্না না ঢল মাইয়াটারে [বিস্তারিত ওদের রুখে দাও]

“আনন্দপুরের ভূতের কান্ড” পর্ব-১২

জমিদার হরিবাবু নামীদামী লোক হলে কি হলো বড্ড লোভী মানুষ ছিলেন। শ্বশুর বাড়ি অনেক জায়গা সম্পত্তি গোলাধকরণ করেছেন। এক পা দু পা করে লালমোহন বাজারের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে মাছ কিনতে। কি মাছ কিনে আনবে হরিবাবু তা স্পষ্ট করে বলেন নি। কিন্তু টাকা দিয়েছেন অনেক। রাস্তায় হঠাৎ দেখা হয়ে গেলো বিনু ও রাঘবের সাথে দুজনি বাজার [বিস্তারিত “আনন্দপুরের ভূতের কান্ড” পর্ব-১২]

গন্তব্য স্বপ্নপুর : শেষ পর্ব

সকাল ছয়টার দিকে দুজনে বের হয়ে আসলো চিটাগাং স্টেশনের বাইরে। সাম্য এর আগে মাত্র একবার চিটাগাং এসেছিল। কিছুই বলতে গেলে চেনে না। কক্সবাজার যেতে কোথায় গেলে গাড়ি পাওয়া যাবে তা জিজ্ঞেস করলো এক সিএনজি ড্রাইভারের কাছে। ড্রাইভারই বলে দিল কোথায় যেতে হবে। ঐ ড্রাইভারের সিএনজিতে উঠলো। কিছুক্ষনের মধ্যে বেশ বড় একটি মোড়ে এসে সিএনজি থামিয়ে [বিস্তারিত গন্তব্য স্বপ্নপুর : শেষ পর্ব]

এক মুঠো ভালোবাসা (৪০তম পর্ব)

চিন্তিত অনিক অফিসে প্রবেশ করার সময় অফিসের সবাই সম্ভাষণ জানালেও অনিক জবাব না দিয়ে এগুলো নিজ কেবিনের উদ্দেশ্যে যা অন্যান্য দিনে কখনো হয়নি, আফরিন তা খেয়াল করে নিজেই উঠে অনিকের কেবিনে গেলো। কফি খাবে, আফরিনের জিজ্ঞাসা? অনিক ফিরে তাকালো আফরিনের দিকে তারপর বললো, তুমি খাবে? আফরিন নড করে দুই কাপ কফি নিলো কফি মেকার থেকে, [বিস্তারিত এক মুঠো ভালোবাসা (৪০তম পর্ব)]

“আনন্দপুরের ভূতের কাণ্ড” পর্ব-১২

শীতের সকাল। ঘণ্টাখানিক পর বিনুর জ্ঞান ফিরেছে। চারদিক জুড়ে ঘন কুয়াশা। দিঘীর পাড়ের বকুলগাছের ডালে বসেবসে বিনু নিমের ডাল দিয়ে দাঁত মাজছে। আর পানকৌড়িদের সাঁতার দেখতে দেখতে বেলা কাটিয়ে দিচ্ছে অনেকটা। কখনো দু একটা ঢিল ছুড়ে মেরে তাড়িয়ে দেয় পানকৌড়িদের। রাঘব বারান্দা সামনের শিউলিতলায় বসে হরিবাবুর ভূতময় ছবি আঁকছে। ছবির চোখমুখ জুড়ে ভূতের প্রতিচ্ছবি। রাঘবের [বিস্তারিত “আনন্দপুরের ভূতের কাণ্ড” পর্ব-১২]

এক মুঠো ভালোবাসা (৩৯তম পর্ব)

এক বছর পরঃ ছায়া গোসল সেরে বের হলো টাওয়াল জড়িয়ে, ঘুমন্ত অনিকের দিকে তাকিয়ে হাসলো, চোখে ওর দুষ্টামি খেলে গেলো, অনিকের পাশে গিয়ে ওর মুখের উপর ঝুকে অনিকের মুখে ভেজা চুল গুলো দিয়ে ভুলিয়ে দিলো, এতেই অনিকের ঘুম ভেঙ্গে গেলো। চোখ খুলে বললো, গুড মর্নিং বিউটিফুল।  ভেরি গুড মর্নিং, সাহেবের ঘুম ভাঙ্গলো?  তোমাকে খুব সুন্দর [বিস্তারিত এক মুঠো ভালোবাসা (৩৯তম পর্ব)]

গন্তব্য স্বপ্নপুর : দ্বিতীয় পর্ব

ট্রেন ছুটে চলছে। সাথে দুজনের স্বপ্নও ছুটে চলছে। রাতে ডিনার করেনি, কিছুটা ক্ষুধা লাগলো দুজনেরই। রেস্টুরেন্টের এক বয় বিশাল এক পলিথিনের বস্তায় বিভিন্ন খাবার নিয়ে এসে নক করলো দরজায়। প্যাকেট করা খিচুড়ি,কেক, বিস্কিট, চিপস, সফট ড্রিংক্স। সাম্য তৃপ্তির দিকে তাকালে তৃপ্তি শুধু চিপস আর কোক নিলো। স্টেশন থেকে কেনা কেক আছে সাথে। খিচুড়ি খেতে ইচ্ছে [বিস্তারিত গন্তব্য স্বপ্নপুর : দ্বিতীয় পর্ব]

“আনন্দপুরের ভূতের কান্ড” পর্ব-১১

নিশিত রাত্রি বিনুর হতকান্ড দেখে রাঘব আর সইতে পারছে না। রাস্তার পাশের জঙ্গল হতে একে একে ধেয়ে আসছে ভয়ংকর অদ্ভুতরকমের শব্দ। দুজনের হাতে নেই টর্চলাইট। ভূতেরা এখনি চাইলে তাদেরকে নিঃসন্দেহে ধরতে পারে। রাঘব তার দাদুর কাছ হতে ভূত ধরার যে মন্ত্র শিখেছিল তা অনেকাংশ ভুলে গিয়েছি। যদিও খানিটা মন্ত্র মুখস্থ আছে তা দিয়ে কোনমতেই ভূতকে [বিস্তারিত “আনন্দপুরের ভূতের কান্ড” পর্ব-১১]

গন্তব্য স্বপ্নপুর : প্রথম পর্ব

সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেললো দুজনে, পালাতে হবেই। প্রস্তুতি নিলো চারদিন ধরে। তৃপ্তি কখনো ট্রেনে চড়েনি এখনো, তাই সাম্য আর তৃপ্তির পরিকল্পনায় ঢাকা থেকে পালানোর যান হিসেবে ট্রেনকেই বেছে নেয়া। রাত এর ট্রেনে প্রথম শ্রেনীর কামড়া রিজার্ভ করা হয়েছে। রাত বারোটায় বিমান বন্দর স্টেশন থেকে উঠবে দুজনে। কমলাপুর স্টেশনে মানুষের ভীর খুব বেশি, কখন কে দেখে ফেলে [বিস্তারিত গন্তব্য স্বপ্নপুর : প্রথম পর্ব]

এক মুঠো ভালোবাসা (৩৮তম পর্ব)

তিন মাস পরঃ আজ পুরা ফ্ল্যাট জুড়ে হৈচৈ নাচ গানে ভরপুর, আজ অনিক এবং ছায়ার মেহেন্দি, অনিকের দি ভাই বোন এসে পড়েছে দেশ থেকে, আফরিনের মন খারাপ থাকলেও ওর মা বুঝিয়ে শুনিয়ে নিয়ে এসেছে, এদিকে লেভিন, ওর ওয়াইফ, মামা লুসিও হাজির। অনিক লেভিনের জন্য পাঞ্জাবি আনিয়েছে, ওদিকে ছায়া আনিয়েছে আফরিনের জন্য লেহেঙ্গা। অনিকের মা বাবা [বিস্তারিত এক মুঠো ভালোবাসা (৩৮তম পর্ব)]

বন্দী

গত তিনঘন্টা যাবত আমি এই দোকানের ভেতর আটকে আছি।  বাইরে থেকে শাটার বন্ধ। মাঝে মাঝে শাটারের ওপাশে মানুষজনের শব্দ পাই। কেউ কেউ আমাকে উদ্দেশ্য করে দুই একটা কথা বলে হেসে গড়িয়ে পরে। কেউ গালি দিচ্ছে। আমি আতংকিত হই। খুব পাতলা এই শাটারের এই ব্যবধান মনে হচ্ছে মানুষের জগত থেকে আমি যোজন যোজন দূরে আছি। না, [বিস্তারিত বন্দী]

তুমি থেকে আপনি

আমার ভাবনা গুলো তো প্রায়ই সত্যি হয় তাহলে কেন এতো বড় ভুল হয়ে গেলো? আমাদের সম্পর্কের শুরু তে দু’জন দু’জনকে ‘তুমি’ ডাকা নিয়ে টানাপড়েন শুরু হয়ে গেল। তুমি বয়সে অনেক বড় হবার পরও আমাকে কিছুতেই ‘ তুমি’ বলে ডাকবেনা । আর আমিও গো ধরে রইলাম তুমি না বললে আমিও বলবো না। যাইহোক আমাদের বন্ধুত্বের আদান-প্রদানের [বিস্তারিত তুমি থেকে আপনি]

“আনন্দপুরের ভূতের কান্ড” পর্ব-১০

শীতের দুপুর তারমধ্যে এক ফালি রৌদ্রের আনাগোনা। শরীরকে তাজা করে দিতে এ যেন মিষ্টিময় রৌদ্রের আগমন। হরিবাবুর গায়ে কুষ্টিয়ার চাদর। পরনে বাঙালি পাঞ্জাবী। একথায় বেশ সৌখিন বিলাসী লোক বলা যায় তাঁকে। কিন্তু টাকাপয়সা লেনদেনে বড্ড কাঁচা। একটাকা ধার পাওয়া যায়না। প্রায় গোপাল ভাঁড়ের কাছাকাছি। অনেকেই বলে থাকে হরিবাবু না কি গোপাল ভাঁড়ের মাসিতো ভাই! ভূত [বিস্তারিত “আনন্দপুরের ভূতের কান্ড” পর্ব-১০]

এক মুঠো ভালোবাসা (৩৭তম পর্ব)

অনিকের বাসা থেকে সবাই দ্রুত চলে এলেন হাসপাতালে, অনিকের মা তো ছেলেকে জড়িয়ে ধরে কান্না শুরু করে দিলেন, সবার চোখেই পানি। মা তুমি কাঁদছো কেন, আমি ঠিক আছি তো। অনিকের মা চোখ মুখ মুছে বললেন, না আর কাঁদবোনা বাবা, তুই একদম সুস্থ হয়ে যা, বাসায় ফিরেই তোদের বিয়ের আয়োজন করবো, রবিন, সায়মা (অনিকের ভাই বোন) [বিস্তারিত এক মুঠো ভালোবাসা (৩৭তম পর্ব)]