“আনন্দপুরের ভূতের কাণ্ড” পর্ব-১৬

বাগানবাড়ির ভূতের লাইব্রেরি ভাঙাচোরা ও শ্রীহীন। তারমধ্য চারদিক জুড়ে অন্ধকার হয়ে আছে গাছগাছালিতে। কয়েকশো বছর পূর্বের বাড়ি কোনরকম দাঁড়িয়ে আছে। এ বাড়িতে মোটেও সংস্কার কাজে হাত দেন নি হরিবাবু। লাইব্রেরির ভেতর ভূতপ্রেতের কারুকার্যে ভরপুর। এসবের উপর তলানি পড়ে আছে। বইগুলো প্রাচীন বটগাছের কাঠের সিন্ধুকের ভেতর থাকায় কোনকিছু নষ্ট হয়নি। এ বাগানবাড়ির লাইব্রেরির একপাশে থাকতো যতীন্দ্রনাথ [বিস্তারিত “আনন্দপুরের ভূতের কাণ্ড” পর্ব-১৬]

“আনন্দপুরের ভূতের কাণ্ড” পর্ব-১৫

ঘোর অমাবস্যা, তারমধ্যে ঘড়ির কাটায় বারোটা বেজে পনেরো মিনিট। লালমোহন শালুক কাপড় পরে তৈরি হচ্ছে বাগানবাড়ির অশ্বত্থ গাছের নিচে বসে তার জামাইবাবুকে নিয়ে প্লানচেটের মাধ্যমে ভূতপ্রেতের আবাহন করতে। চারদিক জুড়ে অন্ধকার নেই আকাশে তারারত্নের আনাগোনা। পুরো শহর ঘুমঘোরে আচ্ছন্ন। হরিবাবু ভিন্ন রঙের রঙ দিয়ে আবাহনী দাগ টানছেন।  লালমোহন প্লানচেটের আবাহনী শুদ্ধতার মন্ত্র দিয়ে পবিত্র করছে। [বিস্তারিত “আনন্দপুরের ভূতের কাণ্ড” পর্ব-১৫]

এক মুঠো ভালোবাসা (৪৪তম পর্ব)

এক সপ্তাহ পরঃ সকাল নয়টার সময় অনিকের ঘরের সবাই ব্রেকফাস্ট করছে, এই সময় কলিংবেলের শব্দ হলে ঘরের কাজের ছেলেটা গিয়ে দরজা খুললো, কিছু সময়ের মধ্যেই ও ফিরে এসে অনিককে বললো, ভাইজান দুইজন মানুষ এসেছেন আপনার সাথে দেখা করতে।  অনিক অবাক হয়ে বললো, কে এসেছেন জিজ্ঞেস করেছো? সোহেল সাহেব। ওহ আচ্ছা আসছি, উনাদেরকে বসাও আর কফি [বিস্তারিত এক মুঠো ভালোবাসা (৪৪তম পর্ব)]

ইদের গল্প  : তবু খোঁজে চাঁদ 

মাহবুবুল আলম।। ঢাকার বুকে এমন নীল আকাশ এর আগে কোনোদিন দেখেছে কিনা এ মুহূর্তে মনে করতে পারছেনা মারজিয়া। পুরো আকাশ গাঢ়ো নীল সামিয়ানায় ঢেকে দেয়া হয়েছে যেন। কারওয়ান বাজার ও এর আশপাশের এলাকায় এখন লোডসেডিং চলছে । মারজিয়া আজ একটা এ্যাসাইনমেন্ট নিয়ে এসেছে কারওয়ানবাজার রেলবস্তিতে। লোডসেডিং এর কারণে পুরো এলাকাটি ঘুটঘুটে অন্ধকারের চাদরে ঢাকা। সন্ধ্যা [বিস্তারিত ইদের গল্প  : তবু খোঁজে চাঁদ ]

এক মুঠো ভালোবাসা (৪৩তম পর্ব)

ছায়া তুমি চাও ভালো কথা, কিন্তু এক পার্সেন্টের উপর ভর করে তুমি বাবাকে প্রমিজ করতে পারো না। দেখো এই মুহূর্তে বাবার জন্য আমার মাথায় যা এসেছিলো তাই বলেছি, কিন্তু এখন আমি সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছি, আমি মা হবো, তোমার সন্তানের মা।  অনিক মাথায় হাত ভুলিয়ে দিয়ে বললো, আচ্ছা হতে পারলে হবে, এখন এ নিয়ে টেনশন করোনা।  [বিস্তারিত এক মুঠো ভালোবাসা (৪৩তম পর্ব)]

“আনন্দপুরের ভূতের কাণ্ড ” পর্ব-১৪

অদ্ভুত কথা কেন বারবার বলতে যাও বিনু। আমি একজন জমিদার আমার মুখের উপর তোমার কোন কথা মানায় না। দূর গাঁ হতে এসেছে বলে কিছু বলতে যাচ্ছি না। না হলে বাড়ির কালোবিড়াল দিয়ে ঝেঁটিয়ে বিদায় দিতাম দুজনকে। আজ্ঞে কর্তামশাই আপনার কালোবিড়াল নাকি রাতের বেলা কালোভূত হয়ে যায়! কে বলে বিনু এমন উদ্ভট কথাবার্তা? আজ্ঞে কর্তামশাই কে [বিস্তারিত “আনন্দপুরের ভূতের কাণ্ড ” পর্ব-১৪]

ক্রাইম রিপোর্টার শান্তা : পর্ব ২

দুপুর ১২ টা। বান্ধবীর বাসা থেকে বের হয়ে কালামের বাসায় গেলাম। ওর বৌ বললো, ” আফা ওনার তো ব্যবসা, আসতে ৩/৪ টা হবে।” কিসের ব্যবসা ওর? ডিস আর হোটেলের। আচ্ছা। ভাবলাম, এই ফাঁকে রমযানের বৌদের খবর নিলে কেমন হয়? কিন্তু এমন এক মহিলা দরকার যাকে সবাই এক নামে চেনে। একটু খু্ঁজতে পেয়েও গেলাম। আসিয়া বেগমকে। [বিস্তারিত ক্রাইম রিপোর্টার শান্তা : পর্ব ২]

এক মুঠো ভালোবাসা (৪২তম পর্ব)

ডাঃ তৌফিক অনিকের বাবাকে খুব ভালো করে চেক করে অনিককে নিয়ে বের হয়ে এসে নিজ চেম্বারে গিয়ে বসলো। কি বুঝলে বন্ধু। আনকেল এখন অনেক সুস্থ, আশা করছি দুই একদিনের মধ্যে উনি আরও সুস্থ হয়ে যাবেন, এরপর আমরা উনাকে ঔষধপত্র দিয়ে রিলিজ করে দেবো। সত্যি বলছিস? হাঁ বন্ধু, রিলিজের পনেরো দিন পর আনকেলকে আবার ভর্তি করিয়ে [বিস্তারিত এক মুঠো ভালোবাসা (৪২তম পর্ব)]

“আনন্দপুরের ভূতের কাণ্ড” পর্ব-১৩

শীতের রাত্রি। হরিবাবু ঘুমানোর পূর্বে বারান্দায় বসে প্রতিনিয়ত তামাক খেতেন। আজও আপনমনে টান দিতেছেন তামাকে। লালমোহন খেয়েদেয়ে শুইয়া আছে এখন আর ডেকে তোলা তাকে সম্ভব নয়। চারদিক নিস্তব্ধ, রাত্রি গভীর হতে চলছে। হরিবাবু হুঁকাটি সযত্নে বারান্দার দেওয়ালে ঠেস দিয়ে রাখলেন। হাত পা ধুয়ে শয্যাগৃহে উপস্থিত হলেন। দুয়ারটি বন্ধ করে যেই বিছানার পাশে গেলেন হঠাৎ করে [বিস্তারিত “আনন্দপুরের ভূতের কাণ্ড” পর্ব-১৩]

ত্রি

জানালার পর্দা সরাতেই ঘরের মধ্যে আলোরা যেন বাঁধ ভাঙা জোয়ারের মতো ঢুকে গেলো। ঘুমানোর সময় আলো একেবারেই সহ্য করতে পারে না মিহির।হঠাৎ আলোর ঝলকানিতে ঘুম ছুটে গেলো এক নিমেষে এবং অবাক হয়ে চেয়ে দেখলো সামনে মিলা দাড়িয়ে আছে। খানিক অবিশ্বাসে নিজের চোখ কচলে মিলার মুখটা ভালো করে দেখলো সে। হ্যাঁ এতো মিলা। অবাক কান্ড! নিজের [বিস্তারিত ত্রি]

সন্দেহের অবশিষ্টাংশ

বিয়ের মাস ছয়েক পর থেকেই পাল্টে যেতে লাগলো অঞ্জন। সে গতরাতেও ঘুমায়নি। অনলাইনে সারারাত জেগে কার সাথে যেন কথা বলেছে। সকালে জিজ্ঞেস করতেই উল্টো রাগ হলো। –বললো সন্দেহ করা কমাও জান। বিশ্বাস করতে শেখো। এমন করলে সংসার বেশিদিন টিকে না সোনা। তারপর থেকে প্রশ্ন করা কমিয়ে দিয়েছে। প্রেম তারপর বিয়ে। সংসার না করার প্রশ্নই আসে [বিস্তারিত সন্দেহের অবশিষ্টাংশ]

রাবেয়া

নিকষ অন্ধকারে নির্জন রুমে আমি একা। তীব্র এক আর্তনাদ দলা পাকিয়ে উঠে আসে বুকের গহিন থেকে। ভেতরটা থরথর করে কেঁপে উঠে। সমস্ত শরীরে বিদ্যুৎপৃষ্টের মতো মনে হলো। আজকের পত্রিকা বড় বড় হরফে রাবেয়া সুলতানাকে নিয়ে লিখেছে! সেই রাবেয়া! দপদপ করে জ্বলে উঠে স্মৃতির প্রদীপ। রাবেয়াকে পেয়েছিলাম স্কুল জীবনের শুরু থেকে। স্কুলের প্রথমদিকের দুই/তিন ক্লাস পর্যন্ত [বিস্তারিত রাবেয়া]

ক্রাইম রিপোর্টার শান্তা: পর্ব- ১

রিংটোন বাজছে——-ক্রিং ক্রিং ক্রিং। ঘড়ি দেখলাম।  আটটা বাজতে পনেরো মিনিট। সেল বের করে দেখি, ম্যাডাম। সাত সকালে ফোন! নিশ্চয় জটিলতা। গুড মর্নিং ম্যাডাম। ফোন ধরছো না কেনো? বাসা থেকে বের হয়েছো? না,,,,  এইতো বের হচ্ছি। জি, বলেন। উকিল পাড়ায় যেতে হবে। ওখানে এস.পি সাহেবের বাংলোর পিছনে একটা বস্তি আছে। ওখানে, কালামকে খুঁজে বের করবে। ও [বিস্তারিত ক্রাইম রিপোর্টার শান্তা: পর্ব- ১]

আশার গুড়েবালি

আজগরের সব জমি নদী ভাঙ্গনের শিকার। সহায় সম্বল আর কিচ্ছু নেই। শেষ একজোড়া গাভী ছিলো সেটা বিক্রি করেই একখন্ড ধানি জমি বর্গা নিয়েছিলো দু’ মাস আগে। অনেক কষ্ট করে গতর খাটিয়ে সে জমি চাষ করে, সেচ দিয়ে এবারে ধান ফলিয়েছে। ফসলের দিকে তাকিয়ে আজগরের মুখে মৃদু হাসি ফোটে। সমস্যা হলো ফসল কাটার কামলা পাচ্ছেনা করোনার [বিস্তারিত আশার গুড়েবালি]

সিঙ্গারা

সকাল দশটা। বাসা থেকে বাজার করার জন্য বের হয়ে গেলেন রফিক সাহেব। বাজারে ঢোকার ঠিক আগ মুহূর্তে থমকে গেলেন। জীর্ণকায় চেহারার দশ-বার বছরের একটা ছেলে দাঁড়িয়ে আছে। আনমনা হয়ে কিছু একটা দেখছিলো।মিষ্টি চেহারা, হাসছে না, কিন্তু তারপরও গালে টোল পড়ে।মুখটা মায়ায় ভরা। “কিরে, নাম কি তোর?” “রফিক। আইন্নের কি নাম?” ছেলেটা পাল্টা প্রশ্ন করে। হেসে [বিস্তারিত সিঙ্গারা]