মধ্যাহ্ন সবেমাত্র গড়াতে চলছে… বিনু ও রাঘব দুজনি বসে আছে হরিবাবুর খাসকামরায়। খাসকামরার চারপাশের পরিবেশ অত্যন্ত সুন্দর হলেও গাছে গাছে অসংখ্য বাদুড় আর পেঁচার উপদ্রব ছিলো বড্ড। বাদুড় আর পেঁচার কিচিরমিচির শব্দ অদ্ভুত রকমের। এমন কিচিরমিচির শব্দ রাত্রিবেলা শুনলে তো উপায় থাকবে না। কেমন করে হরিবাবু রাত্রিবেলা ঘুমান। এসব দেখে বিনু ভাবছে ভূত মনে হয় [বিস্তারিত “আনন্দপুরের ভূতের কান্ড” পর্ব-৯]
ক্যাটাগরি গল্প
পাড়ায় একটা চোর ধরা পড়েছে। কয়েকটা মাস্তান টাইপের ছেলে চোরের দফারফার কাজে ব্যস্ত। মদনা নামের এক মাস্তান বলল- ক- বেটা চুরি করছস কেন? আমি চুরি করি নাই ভাইজান! চুরি করস নাই ! তাইলে ঐ বাড়িতে ঢুকছিলি কেন? আমি চোক্কে কম দেহি, ভুল কইরা ঢুইক্যা পরছি। চুপ কর বেটা মিথ্যাবাদী। চুরি কইরা আবার মিথ্যা কথা, একটা [বিস্তারিত হ-য-ব-র-ল]
তুমি একা থাকতে পারবে তো বন্ধু, আফরিন জিজ্ঞেস করলো। হাঁ অসুবিধা নেই। আগামীকাল সকালে মা আসবেন দেখতে, এখনি আসতে চেয়েছিলেন, আমিই বারণ করলাম। ভালো করেছো, লেভিন তুমিও যাও। আচ্ছা ওর হাসপাতালের খরচার জন্য অনিকের মা বাবাকে চিন্তা করতে না করো, অফিস থেকেই দেওয়া হবে, ইংরেজিতে লেভিন বললো। না লেভিন, ওর যাবতীয় খরচ বাংলাদেশ সরকার বহন [বিস্তারিত এক মুঠো ভালোবাসা (৩৬তম পর্ব)]
আজ রবিবার হওয়াতে দুজন মনেমনে ভাবছে আজ আর দেখা মিলবে না ভূতের। তাই রাঘব আর বিনু মধ্যাহ্ন ভোজন শেষ করে চলে গেলো হরিবাবুর খাসকামরায়। হরিবাবু গ্রামের প্রবীন লোক। তাছাড়া অনেক জ্ঞানী বটে। গ্রামের সবাই তাঁকে খুবি মান্য করে। হরিবাবু পূর্বে জাহাজের নাবিক ছিলেন। অনেক দেশবিদেশ ভ্রমণ করেছেন এ যেন তার কোন ইয়ত্তা নেই। আনন্দপুরের গ্রামের [বিস্তারিত “আনন্দপুরের ভূতের কান্ড” পর্ব-৮]
প্রতিদিনকার মত আজও বাসা থেকে আকাশ ধানমন্ডি লেকের এই নিরিবিলি জায়গায় এসে বিকেলের দিকে বসে আছে। ধানমণ্ডি পনের নম্বর থেকে এই স্থানটি বেশ কাছেই, তাই হেঁটেই আসে। এখানে এসে বসলেই সে তন্দ্রার স্পর্শ পায় যেন হৃদয়ে। স্বচ্ছ টলটলে পানিকেই মনে হয় তন্দ্রা। যে পানিতে অবিকল প্রতিবিম্ব পড়ে আকাশের। আকাশটা দেখা যায় পানির সাথে মিশে আছে। [বিস্তারিত প্রতিক্ষন প্রতিবিম্ব]
রাত্রি গভীর। বিলাসবহুল কামরায় দুটি বিছানা থাকলেও রাঘবের পাশে শুয়ে আছে বিনু। পাড়াটা শান্ত হলেও কখনো ঝিঁঝির শব্দ কখনো অদ্ভুত কন্ঠে ফিসফিস শব্দ। এমন অদ্ভুত শব্দে ভয়ে ভূত ভূত বলে চিৎকার করে বিছানা থেকে লাফ দিয়ে উঠেছে বিনু। ঘুমঘোরে ক্লান্ত রাঘব সেও লাফ দিয়ে উঠে বলছে ভূত কোথায় ভূত কোথায়! রাঘব এদিকওদিক টর্চলাইট দিয়ে খুঁজে [বিস্তারিত “আনন্দপুরের ভূতের কান্ড” পর্ব-৭]
হাসপাতালে পোঁছেই ছায়া খবর নিলো কোন কেবিনে দেওয়া হয়েছে অনিককে, ছায়া ওর শ্বশুরকে নিয়ে সেই কেবিনের দরজায় গিয়ে নক করলে অনিকের বাবা দরজা খুলে ধরলেন। আনকেল অনিক নাকি জেগেছে? এসো মা আগে ভিতরে আসো, অনিকের বাবা ছায়াদেরকে ভিতরে যাওয়ার জন্য দরজা খুলে ধরলেন। ছায়া দ্রুত এগিয়ে গিয়ে অনিকের বেডের পাশে গিয়ে দাঁড়ালো, অনিক ঘুমাচ্ছে দেখে [বিস্তারিত এক মুঠো ভালোবাসা (৩৫তম পর্ব)]
জনি আর রনি ওরা দুই কাজিন। জনির থেকে রনি প্রায় তিন বছরের ছোট। তবুও তাদের মধ্যে দারুণ মিল। অনেকটা সময় ওরা একসাথে থাকে। জনি একটু শান্তশিষ্ট হলেও রনি প্রচণ্ড দুরন্ত। রনি সারাক্ষণ গাছে গাছে থাকে। আম, জাম, তেঁতুল, বরই, পেঁপে, পেয়ারা আরো যতো যা আছে তা রনি জোগাড় করে গাছ থেকে। আর জনি শুধু শুধু [বিস্তারিত মধ্যদুপুরে পরীর হাতছানি]
মৃগ নদী,সন্ন্যাসী মাটি ছোট্ট গাঁ আনন্দপুর। এ গ্রামটি বিলাস বাবুর বাড়ি হতে প্রায় সাতান্ন কিলোমিটার দূরে। অন্যান্য গ্রামের ন্যায় গ্রামটি কারুকাজ আর সৌন্দর্যের বাহারে গড়ে উঠেছে। উঁচুনিচু পাহাড় আর ব্রিটিশ আমলের দেওয়ালে গড়ে উঠেছে বড়বড় কামরা। প্রতিটি কামরার দেওয়াল জুড়ে ভিন্ন কারুকার্যে ভূতপ্রেতের ভয়ংকর ছবি। ভয়ংকর ভূতপ্রেতের ছবি হলেও তা ছিলো চোখ জুড়ানো। গ্রামের লোকসংখ্যা [বিস্তারিত “আনন্দপুরের ভূতের কান্ড” পর্ব-৬]
(বাকী অংশ) নাম্বার ডায়াল করতেই পরিচিত রিং টোনটা শোনা গেলো মায়ের ঘর থেকে। ছুটে গেলো মা মেয়ে। খাটের নিচে মোবাইলের লাইট জ্বলছে আর নিভছে। “আম্মু, ওই যে তোমার মোবাইল টা” বলেই উচ্ছ্বসিত কণ্ঠে সেটা তুলে নিয়ে এসে মায়ের হাতে দিলো অবন্তী। দিনের বেলায় অবন্তীদের বাসায় মানুষের ঢল নামলো। চাচা, ফুপা সহ সবাই চলে এসেছে। ফিরোজ [বিস্তারিত নাটকীয়তা]
ঘন্টা খানেক পর সোহেল চৌধুরী ফিরে এসে অনিকের বাবাকে বললো, মি. রাশেদ, অনিক বাংলাদেশ সরকারকে বড় ধরণের হেল্প করার কারণে চায়নিজ মাফিয়া কিং প্রতিশোধ বশত ওকে কিডন্যাপ করে। কি বললেন? হাঁ যা বলছি তা অতি সত্যই বলছি, আমাদের জাদরেল এক এজেন্ট জীবনবাজি রেখে ওকে উদ্ধার করে আজ বিকালের দিকে, বাংলাদেশ সরকার মি. অনিকের এই অবদানের [বিস্তারিত এক মুঠো ভালোবাসা (৩৪তম পর্ব)]
বাস থেকে নামতেই দুষ্টু বাতাসে হঠাৎ করে চুল গুলো সব এলো মেলো হয়ে গেলো।দুই হাতে দুই ব্যাগ ,সাথে যোগ হলো এলো চুল আবার এদিকে ওড়নাটাও গড়িয়ে পড়ে যায় যায় অবস্থা।রাগে আমার গা জ্বলে যাচ্ছে।অনেক কষ্টে নিজেকে সামলে নিলাম। ভীষণ এক বিব্রতকর অবস্থা।আর লোকজনও হয়েছে তেমনি, কোথায় একটু সহায়তা করার জন্য এগিয়ে আসবে ,তা না ড্যাবড্যাব [বিস্তারিত থ্রিলার গল্পঃ খেলা]
পর্ব -০১ অবন্তীর দাদীর বাসায় কে যেন প্রতি রাতেই বেল দিয়ে যায়। ডায়াবেটিকস, হৃদ রোগ আর হাই প্রেশারের রোগী হলেও এখনও বাহাত্তর বছর বয়েসী দাদী বেশ শক্ত সমর্থ্য আছেন। সহজে ভয় পান না। প্রায় শতবর্ষী বুড়ো দাদাকে সাথে নিয়ে একা ফ্লাটে বাস করেন। ছেলেমেয়েরা সব নিজ নিজ পরিবার নিয়ে এ বাড়িতেই আলাদা ফ্লাটে থাকে। [বিস্তারিত নাটকীয়তা]
আমি তোমার জন্য এসেছি (পর্ব – পনেরো) -জানিয়ে দিবেন বাকি সব কাজ আমার। হি হি হি হি হি হাসির আওয়াজ আরাফ নিজেকে স্বার্থক মনে করলো। -ইসস! শীলাকে ম্যানেস করতে পারলাম। -যাইহোক পাগলীটার মুখে হাসি ফুটল। অন্তত বিয়ের আগ পর্যন্ত সবকিছু ঠিক থাকলেই হলো বিয়েটা যাতে ভালো ভাবে হয়। শীলার আমাকে দেওয়া দ্বায়ীত্ব পালন করতে পারি, [বিস্তারিত আমি তোমার জন্য এসেছি (পর্ব-পনেরো)]
সকাল গড়িয়ে দুপুর হতে চললো সবাই যারযার বাড়িতে অবস্থান করলেও থামছে না তান্ত্রিকদের যত্রতত্র মন্ত্রপূত ! আগত তান্ত্রিকদের মধ্য জটাধারী মহাতান্ত্রিকের নাম রাসেশ্বর। নামে গুণে ও তান্ত্রিক যাদুতে না কী বেশ চালাক চতুর! তান্ত্রিক মহাসাধু রামলোচনকে বশীকরণ করে রণচণ্ডী বউয়ের কাছে একটা জলের বোতল দিয়ে বলছেন রোজ সকাল সন্ধ্যা গায়ের মধ্যে ছিটিয়ে দিতে। বশীকরণ শেষে [বিস্তারিত “আনন্দপুরের ভূতের কান্ড” পর্ব-৫]