নতুন ভাবনার নতুন সকালে আজ আর প্রচন্ড বৃষ্টির রিমঝিম শব্দের সমাহার নেই। তবে হালকা ঝিরিঝিরি বৃষ্টিস্নাত দেখা যায়। জানালার বাইরে থেকে চোখ সরিয়ে ঘুরতেই সোফার পাশে লেখার খাতাটির দিকে দৃষ্টি পড়লো—++ বড় করে সিরিয়াল ধরে লেখা। ১) কানাডা ২) অন লাইন বিজনেস ৩) গ্রীন প্রজেক্ট ৪) সোনেলা ৫) প্রকাশনা গ্রুপ—+ প্রতিভা প্রকাশ, সপ্তডিঙা প্রকাশন, হরিৎ [বিস্তারিত স্বপ্ন।। ১৮ (ব্লগারদের সম্মিলিত গল্প)]
ক্যাটাগরি গল্প
ভোর রাত সাড়ে চারটায় ঢাকা সদরঘাটে লঞ্চ পৌছাল। পল্টুনে লঞ্চের সজোড়ে ধাক্কার বিকট শব্দে ঘুম থেকে আতংকিত অবস্থায় জাগলাম। আর ঘুম আসলো না। গন্তব্যে পৌছানোর পরে মানুষ সাধারণত যানবাহনে আর থাকতে চায় না। ব্যাগ গুছিয়ে একজন কুলি ডেকে তার মাথায় চাপিয়ে নেমে গেলাম লঞ্চ থেকে অধিকাংশ যাত্রীর সাথে। রাস্তার বৈদ্যুতিক পোস্টে লাইটগুলো জ্বলছে তখ্নো। কয়েকটি [বিস্তারিত পুরাঘটিত ভবিষ্যৎ]
পরদিন ভোর ছয়টায় উঠে গেলো রুদ্ররা, দ্রুত রেডি হয়ে ব্রেকফাস্ট টেবিলে বসলো, সকাল সাতটার দিকে অনিলার কাছে রুহিকে রেখে সবাই রওনা হয়ে গেলো হাসপাতালের উদ্দেশ্যে। হাসপাতালে পোঁছেই সবাই চলে এলো অপারেশন থিয়েটারের পাশের আইসিউর সামনে, নীল গ্লাসের এপাশ ফিরে শুয়ে আছে চোখ বন্ধ করে। ওর কি জ্ঞান ফিরেনি এখনো, উদ্বীগ্ন রেনু জিজ্ঞেস করলো। নিশ্চয় জ্ঞান [বিস্তারিত রঙধনু আকাশ (২১তম পর্ব)]
তবে শোন, কবি এভাবেই বলেছিলেন…. অনিচ্ছা স্বত্বেও সেদিন গিয়েছিলাম অন্ধগলির সেই অভিশপ্ত কামরা’য়, তোমাকে ছুঁতে পারিনি বলে ধিক্কার দিয়ে বলেছিলে “আমি একটা কাপুরুষ”। প্রত্যুত্তরে কিছুই বলতে পারিনি সেদিন, রুলারে পিষ্ঠ হওয়ার মতোই নুয়ে পড়েছিলো মাথাটা; শত অভিযোগের বোঝা নিয়েও নিঃশর্তে মুক্তি দিয়েছিলাম তোমাকে….. তার ঠিক দু’মাস পর…. অভিভাবকের তিরস্কারে বাধ্য হয়েই অভিভাবকের মন রক্ষার্থে কনে [বিস্তারিত অবয়ব (পর্ব-৪) একটি দুঃস্বপ্ন!]
শেষ থেকে শুরু _পর্ব অষ্টম দখিনা বারান্দায় দাঁড়িয়ে এলোমেলো কতো কিছু ভাবনার অতল গহ্বরে তলিয়ে গেছে সুনয়না। হঠাৎ শায়নের সাথে দেখা তারপর এই সব উপহার পাঠানো। কী হচ্ছে এসব? জীবনের এই পড়ন্ত বেলায় এসে এমন হাস্যকর পরিস্থিতি সত্যিই অস্বস্তিকর। সুনয়না কখনো ভাবছে হয়তো শায়নই করছে এসব আবার কখনো ভাবছে সে কেনো করবে এমন ছেলেমানুষী? আর [বিস্তারিত শেষ থেকে শুরু_পর্ব নয়]
সময় ঘনিয়ে আসছে, শুক্রবার দ্যাখা করতে যাবো সুর্পনাদের বাসায়, তাদের বাসার ঐ করিম সাহেব কে জানতেই হবে, সুর্পনা এমন কাজ করতেই পারে না, এমন হতেই পারে না। সুর্পনা ক্যানো আমার সাথে এমন ব্যবহার করবে? হঠাৎ করে হারিয়ে গিয়েছিলো সুর্পনা, কংক্রিটে ঢাকা শহরে এসে নিজেকে সামলিয়ে সবেমাত্র চলতে শুরু করেছি স্বাভাবিক জীবনে, সুর্পনার দেয়া যন্ত্রণাকে প্রায় [বিস্তারিত অবয়ব (পর্ব-৩)]
কয়েকদিন পরঃ প্রায় সাত ঘন্টা লাগলো নীলের অপারেশনের, ডাক্তার এসে জানালো অপারেশন ভালোভাবেই সম্পন্ন হয়েছে, চিন্তার কিছুই নেই, আপাতত নীলকে অপারেশন থিয়েটারের পাশের আইসিইউতে রাখা হবে, দুইদিন পর সব ঠিকঠাক থাকলে বেডে দেওয়া হবে। রুদ্ররা সবাই করিডোর দিয়ে সামনের আইসিউর দিকে এগিয়ে গেলো, গ্লাস দেওয়া এ পাশ থেকে আইসিইউর ভিতরে সব দেখা যায়, নীলকে এখনো [বিস্তারিত রঙধনু আকাশ (২০তম পর্ব)]
শেষ থেকে শুরু_সপ্তম পর্ব সেঁজুতি কোনো দিকে না তাকিয়ে ব্যাগ তুলতে নিচু হয়ে বলতে শুরু করলো… -অসভ্য অভদ্র উশৃঙ্খল বাঁদর বদমাইশের দল সব। মেয়ে মানুষ দেখলেই যেনো ঝাঁপিয়ে পড়ে। এরা যে ইউনিভার্সিটিতে কেনো আসে কে জানে? ভদ্রতার ভ টুকুও নেই এদের মধ্যে। শ্রাবণ ব্যাগটা তুলে দিতে যাবে এমন সময় সেঁজুতিকে দেখতে পেয়ে পিছনে সরে [বিস্তারিত শেষ থেকে শুরু _পর্ব আট]
জীবন্ত ক্যানভাস রেহানা বীথি গতকাল থেকে শুধু ঘুম, খাওয়া আর ওয়াশরুমের ব্যক্তিগত সময়টুকু বাদ দিয়ে লেগে রয়েছি একটানা। কিন্তু কাজ যেন একটুও এগোচ্ছে না। নিজের ওপর ভীষণ রাগ হচ্ছে। মাঝে মাঝেই খামচে ধরছি মাথার চুল, কপালে জমে থাকা বিন্দু বিন্দু ঘাম মুছে নিচ্ছি , বিরক্ত হয়ে চপেটাঘাত করছি নিজেরই গালে। রাগটা প্রশমিত হওয়া তো [বিস্তারিত জীবন্ত ক্যানভাস]
১ এই রিক্সা, কি সমস্যা, এইভাবে রাস্তা ব্লক করে রাখলে যাবো কিভাবে? বাবা রিকশাওয়ালার উপর চিল্লাচ্ছেন। মোটরসাইকেলের পিছনে বসে আছি। আজ প্রথম ক্লাস। না না, ক্লাস ওয়ান বলিনি কিন্তু। ক্লাস সেভেনের প্রথম ক্লাস। বাবা সরকারি চাকুরীজীবী। প্রতি বছরই বাবার বদলি হয় আমার স্কুল চেঞ্জ করতে হয়। নতুন স্কুল, নতুন বন্ধু। ওহ, স্কুলে চলে এসেছি। একটু [বিস্তারিত চেয়ার (পার্ট ১)]
শেষ থেকে শুরু_ষষ্ঠ পর্ব সারারাত নির্ঘুম কেটে গেলো মা মেয়ের। দূরের মসজিদ থেকে ভেসে আসছে মিষ্টি মধুর আযানের সুর। সুনয়না ফজরের নামাজ পড়ে ছাদে গিয়ে দাঁড়ালো। আকাশে তখনও আলোর আভা ফোটেনি। রাত্রির অন্ধকারের মায়া ছাড়তে পারছে না বলেই হয়তো এখনো অনেকটা অন্ধকার। অন্ধকারের বুক চিরে তেজস্বী সোনালী সূর্য উদিত হতে আরো খানিকটা সময় লাগবে। দীর্ঘ [বিস্তারিত শেষ থেকে শুরু_পর্ব সাত]
শেষ থেকে শুরু_পঞ্চম পর্ব লজ্জায় সুনয়নার মরে যাবার জোগাড়। এই অবেলায় এসে এমন অস্বস্তিকর পরিস্থিতির স্বীকার হতে হবে তাও কিনা বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া সন্তানের সামনে তা ভাবতেই পারে না সুনয়না। অথচ আজ সেটাই ঘটলো। সুনয়না অপরাধী বালিকার মতো মাথা নত করে রইল। সে বুঝতেও পারলো না এখন তার কী বলা বা কী করা উচিত? সেঁজুতি মায়ের [বিস্তারিত শেষ থেকে শুরু_ পর্ব ছয়]
আমেরিকার আকাশ তখনো অন্ধকার, রুদ্ররা আমেরিকার নিউইয়র্কে ল্যান্ড করেছে, কিছুক্ষন পর ওরা বেরিয়ে এলো লাগেজ নিয়ে, একটা টেক্সি এসে দাঁড়ালে রুদ্র সবার লাগেজ ব্যাক ট্রাংকে রেখে নিজেরা উঠে পড়লো, পূর্বদিকের আকাশে হাল্কা লালচে আভা মাত্র দেখা যাচ্ছে। রুদ্র সব লাগেজ তোলা হয়েছিলো বাবা, রুদ্রর মা জিজ্ঞেস করলেন। হাঁ মম চিন্তা করোনা, সব তুলে রেখেছি। মা [বিস্তারিত রঙধনু আকাশ (১৯তম পর্ব)]
সায়ন্তনির ঘুম খুব পাতলা। জানালার বাইরে মৃদু ঠুক– ঠুক শব্দ কানে আসায় সে চোখ মেলে তাকায়। বাইরে দাড়িয়ে খুব সাবধানে জানালার কপাটে কেউ টোকা দিচ্ছে।সায়ন্তনি খুব সাহসী মেয়ে। দেরি না করে বিছানায় উঠে বসে ভিতর থেকে টিটকিনি তুলে এক পাশের কপাট মেলে ধরে। গভীর রাতে এভাবে ছিটকিনি খোলাটা বেশ ঝুকিপূর্ণ। গ্রামের বখাটে ছেলেপেলেরা প্রেমে দাগা [বিস্তারিত কার্তিকের চাঁদ]
আমি যখন রুম্পাকে খুব ভালোবাসতাম, তখন থেকে আমি রুম্পাকে নিয়ে ছোট ছোট স্বপ্ন দেখতাম।রুম্পাকে নিয়ে আমার স্বপ্নর জাল বুনিতাম।রুম্পাকে আমার ছোট ছোট স্বপ্নের কথা বলতাম। একবার আমি রুম্পাকে জিজ্ঞেস করলাম,আমাদের বিয়ার পর ছেলে হলে খুশি হবে নাকি মেয়ে হলে? রুম্পা আমাকে উত্তর দিলো,মেয়ে হলে ও সবচেয়ে বেশি খুশি হবে। ধীরে ধীরে যখন আমাদের মধ্যে দূরত্ব,, [বিস্তারিত আমার ছোট সংসার]