অবয়ব (পর্ব-২)

তানিম ভাবতেই পারছে না সে এতোদিন কাকে দেখে এসেছে, ভাবতে ভাবতে মাথাটা আউলা ঝাউলা করে দিচ্ছে, কে এই করিম সাহেব যে সুর্পণার বাড়িতে আছে? আমি কাকে দেখলাম তাহলে, এতো বছরের সম্পর্ক, এতোটা কাছাকাছি থেকেছি দুজন, এখনো গায়ের ঘ্রাণ অনুভব করতে পারি আর তাকে চিনতে আমার ভুল হবে! না তা কখনোই সম্ভব নয়। আচ্ছা কে এই [বিস্তারিত অবয়ব (পর্ব-২)]

তোমার ছোঁয়ায়

  আধ খাওয়া চাঁদটাকে দেখতে দেখতে  রাত পার হয়ে যায় শান্তর । এলোপাথারি অনেক ভাবনা মাথায় এসে ভর করছে। শুভ্রাকেও যে ভালো লাগতে পারে সেটা সে কখনই কল্পনা করেনি। এটা কি প্রেম নাকি অন্য কিছু সেটা বুঝতে পারছে না শান্ত। প্রেমের মত ফালতু বিষয়ে নিজের জীবনটা জলাঞ্জলী করার মত ছেলে শান্ত নয়। তবে কেন এত [বিস্তারিত তোমার ছোঁয়ায়]

শেষ থেকে শুরু_ পর্ব পাঁচ

শেষ থেকে শুরু_চতুর্থ পর্ব শায়ন ভাবছে সুনয়না কী বিশ্বাস করলো আমার কথা? সার্ভিস ম্যানের মতো হয়েছে তো কথা গুলো! কেমন যেন একটা অস্বস্তি পেয়ে বসেছে। যদি সুনয়না আমার কথা গুলো বিশ্বাস না করে ভুলভাল এ্যাড্রেস দেয় তখন কী হবে, কী করে পাবো ওকে? নাহ্ তাড়াহুড়ো করে ভুল করলে চলবে না আবার হেরেও যাওয়া যাবে না। [বিস্তারিত শেষ থেকে শুরু_ পর্ব পাঁচ]

শেষ থেকে শুরু_ পর্ব চার

শেষ থেকে শুরু_তৃতীয় পর্ব লাইনটা যে কেটে গেছে সেদিকে খেয়ালই নেই সুনয়নার। ফোনটা কানে ধরে রেখেই যেনো ভাবনার অতলে হারিয়ে গেছে সে। সুনয়নার ব্যাপারটা একদম ঠিক লাগছে না। মনের মধ্যে অজস্র প্রশ্নের আনাগোনা। হঠাৎ এতো অস্বস্তি লাগছে কেনো? মন বলছে কিছু একটা ঘটতে চলেছে। কিন্তু কী ঘটতে পারে তা সে আন্দাজও করতে পারছে না। কতোকিছু [বিস্তারিত শেষ থেকে শুরু_ পর্ব চার]

অবয়ব (পর্ব-১)

-এই কে রে তুই? মাতালের মতো প্রলাপ বকছিস, তোকে বাড়িতে ঢুকতে দিলো কে? -আরে আমার বাড়িতে আমি ঢুকেছি তাতে তোর কি? প্রশ্নটা তো আমার করার কথা ছিলো, তুই কে? -আজব তো, মাতালের কথায় দেখি মাতলামির সাথে আরও কিছু, তা এটা কি আপনার বাড়ি? আপনার বাবার নাম কি? মায়ের নাম কি? অতঃপর বলুন আপনার বউয়ের নাম [বিস্তারিত অবয়ব (পর্ব-১)]

“লাল” আমার ছেলে,আমার সম্ভ্রম

“জীবে প্রেম করে যেইজন, সেইজন সেবিছে ইশ্বর”। ছোটবেলা থেকেই সবার পড়া একটি কবিতার লাইন।আমাদের শিক্ষকরা শিখিয়েছেন অনেক করে,কিভাবে প্রানিদের উপর মায়া করতে হয়, ভালোবাসতে হয় , পাশে থাকতে হয়।সভ্যতা আর সভ্য জাতির নামে আমরা অনেক অনেকদুর এগিয়ে যাচ্ছি।সাথে অনেক কিছুই ভুলতে বসেছি। তাই আজ  গরুর চোখে মরিচ ঢুকিয়ে নদী পার করছি।খুধার্থ পাহারাদার কুকুরদের,পথরোধ করা হিংস্র [বিস্তারিত “লাল” আমার ছেলে,আমার সম্ভ্রম]

রঙধনু আকাশ (১৮তম পর্ব)

রুদ্ররা ডিনার করছে, অনিলা আর রুদ্রর মা খাবারের সুনাম করছে, রুদ্রর মা জিজ্ঞেস করলেন, রুদ্র এইসব খাবার সম্পর্কে কিভাবে জানিস? মম এইসব আমি আগেও খেয়েছি অস্ট্রেলিয়ার বন্ধুটির বাসাতে, এদের অনেক খাবার অবশ্য আমাদের মুখে রুচবেনা, খেতে জঘন্য, আবার বেশ কিছু খাবার খুব ভালো হলেও বেশ দামী এবং পরিমানে কম। তাই, তাহলে এটাই ভালো, বলেই স্টেক [বিস্তারিত রঙধনু আকাশ (১৮তম পর্ব)]

রঙধনু আকাশ (১৭তম পর্ব)

ব্রেকফাস্ট টেবিলে বসে রুদ্র ডাক দিলো, মম আসোনা। আসছি বাবা, তোরা শুরু কর। অনিলা রুদ্রর প্লেটে ভেজিটেবল আর রুচি তুলে দিলে রুদ্রর মা এসে দুজনের প্লেটেই ডিম পোচ দিয়ে নিজেও বসলেন।  মম এইসব কেন করলে বলেই রুদ্র বাটি নিয়ে স্যুপের বোল থেকে স্যুপ তুলে ওর মাকে দিয়ে বললো, দেখো কেমন হয়েছে, এরপর নিজের জন্য আর [বিস্তারিত রঙধনু আকাশ (১৭তম পর্ব)]

প্রতিবেশী

সরকারী চাকুরীতে যে কোন সময় বদলী হবে এটাই স্বাভাবিক।সামায়রার হঠাৎ বদলী হল রংপুরে।অবশ্য নতুন নতুন জায়গা বেড়াতে তার ভালোই লাগে।বাসা খোঁজা আর বদল অনেক ঝামেলার। কলেজের পিয়নকে  বলে কয়েকটা বাসার খোঁজ পেল। চারতলার পাশাপাশি দুটো বাসা একই মালিকের ।তিনি একজন রিটায়ার্ড অধ্যক্ষ।বড মেয়ে থাকে অস্ট্রেলিয়ায় আর ছোট মেয়ে সাথেই।সামায়রার ভীষন পছন্দ হল কারন একই পেশার মানুষের [বিস্তারিত প্রতিবেশী]

‘স্বপ্ন’।।১৭ (ব্লগারদের সম্মিলিত গল্প)

ভুত পেত্নির নাচগানে অতিষ্ট রেজয়ানা স্বপ্নে ভংগ, দাদুর উপর লেখা রাতের চিরকুট খুজে পেয়েই সুর্যদয়ের দেখা পেলেন। দিনমনি অস্তানান্তে গভির রজনীতে, আমি গেলাম শুয়ে। ঘুম, ঘুম চোখে তন্দ্রাছন্ন মগ্ন অবস্থায় গেছি অতল ঘুমের দেশে, মোবাইলে কল এলে ধরফর করে জেগে উঠি। #স্বপ্ন শেষ নাই। যখন কিশোর ছিলাম রাতে ঘুমের ঘোরে কতই না অবাস্তব ছবি দেখতাম [বিস্তারিত ‘স্বপ্ন’।।১৭ (ব্লগারদের সম্মিলিত গল্প)]

রঙধনু আকাশ (১৬তম পর্ব)

রুদ্ররা ঘরে প্রবেশ করে ড্রয়িংরুমে প্রবেশ করে সোফায় বসলে কাজের লোক এসে কফি ও কুকিজ দিয়ে গেলে রুদ্র কাপ তুলে চুমুক দিয়ে জিজ্ঞেস করলো, মম তুমি অনিলার বাবাকে কল দিয়ে দাওয়াত দাও এবং বলে ফাও উনার পক্ষের লোকজনকে নিয়ে আসতে। এক কাজ করনা বাবা, তুই কল দে, তুই বল।  আমি বললে হবে মম।  আমিও কথা [বিস্তারিত রঙধনু আকাশ (১৬তম পর্ব)]

যুগান্তরের সন্ধি

আপনি ১২ মিনিট লেট করে এসেছেন। কথাটা শুনে রিস্টওয়াচের দিকে তাকালাম। ভাইবা বোর্ড। মোটা ফ্রেমের চশমা চোখে চারজন। আর দুজন মহিলা, সুন্দরি না বলে স্মার্ট বলাই ভালো। বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ চুকিয়ে যখন ব্যাংকার হবো ভাবছি ; তখন বাবা মায়ের রাশভারি চেহারার কাছে চোখ নামিয়ে সিভি জমা দেয়ার ফলস্বরূপ আজকের ভাইবা। শ্রাবণের অঝর বৃষ্টি আর অনিচ্ছার কারণে [বিস্তারিত যুগান্তরের সন্ধি]

‘স্বপ্ন’।।১৬ (ব্লগারদের সম্মিলিত গল্প)

শবনম আপুর কিল খেয়ে বেঁচারা তৌহিদ ভাইয়ের অসহায় মুখখানা ভেবে মনের অজান্তেই হাসি পেল। শুধু হাসলে হবে ? সোনেলার সব ব্লগাররা ” স্বপ্ন ” নিয়ে এত সুন্দর সুন্দর পর্ব লিখছে যে, মাথাটাই ধরে যাচ্ছে। কেননা এবার তো আমার লেখার পালা। দুর ! বাবা ! মাথায়  তো কিছুই আসছে না। উফ !  এই ‘স্বপ্ন’ শব্দটা মাথার [বিস্তারিত ‘স্বপ্ন’।।১৬ (ব্লগারদের সম্মিলিত গল্প)]

রঙধনু আকাশ (১৫তম পর্ব)

ফোনের রিংয়ের শব্দে ঘুম ভাঙলো রুদ্রর, হাতড়িয়ে ফোনটা নিলো সাইড টেবিল থেকে, চোখ পিটপিট করে দেখার চেষ্টা করলো কার কল, আননোন নাম্বার মনে হলো, এরপরেও রিসিভ করে ঘুম জড়ানো কণ্ঠে বললো, হ্যালো। ভাইয়া আমি সুমি, ঘুমাচ্ছো?  না ঘুম ভেঙ্গে গেছে, তোরা ঠিক মতো পোঁছেছিস? হাঁ ভাইয়া, সকাল থেকে বাসাটা ঘুচিয়ে নিচ্ছিলাম, ল্যান্ডফোন লাগলো সন্ধ্যায়, ভাবলাম [বিস্তারিত রঙধনু আকাশ (১৫তম পর্ব)]

স্বপ্ন || ১৫ (ব্লগারদের সম্মিলিত গল্প)

আমাকে ঘুম পাড়িয়ে দাও! শ্রদ্ধেয় ব্লগার নাসির সারওয়ার ভাইয়ের লেখা এমন অদ্ভুত আদুরেপনা ডায়লগটি তৌহিদ গত দু’দিন থেকে নিজের মনে আউড়িয়ে যাচ্ছে। তার নাকি এই বাক্যটি খুব মনে ধরেছে এবং সে সময়ে অসময়ে এটিকে তসবি গোনার মত মুখে জপছে। আমি যতই বিরক্তিভাব নিয়ে তার দিকে তাকাইনা কেন সে যে বিষয়টিকে উপভোগ করছে তা বলাই বাহুল্য। [বিস্তারিত স্বপ্ন || ১৫ (ব্লগারদের সম্মিলিত গল্প)]