আচমকা ভয়ে আমার ঘুম ভেঙে যায়। চুল তোমার এলোমেলো, আমার কাছে ছুটে আসো। তোমার চোখে গুঁড়ো গুঁড়ো ঘুম আমায় জড়িয়ে ধরো। খুবখুব গরমে, তোমার কপালে বিন্দু বিন্দু ঘাম মুছে দেবার বাহানায় ছুঁয়ে দেখার নেশা। ছোট্ট দুটি মলিন চোখ, পাপড়ি গুলো ঘামে ভেজা। শাড়ি জড়িয়ে ক্লান্ত পায়ে হেঁটে চলো তখন, লোকালয়ে ভীড়ে লুকিয়ে থাকা মধ্যাহ্ন দেবী… [বিস্তারিত]
বিভাগ: কবিতা
জানো কি আমার অন্ধত্বের ভেতরে চেতনার দৃষ্টি বাস করে? আলোর রোদ কিংবা রোদের আলো নেই, তবু দেখতে পারতাম তোমাকে। অন্ধকারের ঘ্রাণ পেয়ে গেলে বুঝে যেতাম, এই এখুনি চলে যাবে তুমি আর আমার বিষাদগ্রস্ত সময় রাজত্ব করতে উঠে দাঁড়াবে তীক্ষ্ণ তীর-ধনুক হাতে পরাজিত যোদ্ধা হবার থেকে আপ্রাণ চেষ্টা করে যেতে থাকবো আমি, ব্যর্থতাকে হারিয়ে দিয়ে তোমার… [বিস্তারিত]
আমার সমস্ত কথা যদি শব্দে তুলে ধরতে পারতাম; সহসা আবেগের কথাগুলো, সহসা উৎকণ্ঠা, প্রেমের প্রবল আকাঙ্ক্ষার অনুভূতিগুলো- অতলে অনেক নিস্তব্ধতার কথা । হয়তো কাউকে নিবিড় করে দেখবার ইচ্ছা- রুদ্ধশ্বাস জীবনে বেচে থাকার যন্ত্রণা নিয়ে হতবাক হয়ে দাড়িয়ে থাকার কথা। আকাশ থেকে কখন, _________কোন সময় হয়তো যখন তখন কিছু তারা খসে পড়েছে তাদের কথা । যদি… [বিস্তারিত]
শরীর যখন অনিষ্ট করায় অগ্রগামী তখন মনের চার পাশে পাচিল তুলে ফায়দা কি ? হৃদয়বতী তার চেয়ে বরং সোনার খাচা তৈরি কর শীততাপ যন্ত্র উষ্ণতা শুষে তৈরি করে অদ্ভুত স্যাতস্যতে শীতলতা হলেই বা দাড়ের ময়না হয়ত এই সোনার খাচা বাচিয়ে দেবে তোমার আজন্ম লালিত অলীক কুমারিত্বকে , বেচে যাবে তোমার কুক্ষিগত অহমিকা।। মুক্তির ঘ্রাণ তোমার… [বিস্তারিত]
পাখি বাড়ায় এক পা, চূর্ণ জলে উষ্ণ হবে ভেবে আচমকা ছিটকে ওঠে শীতল দুঃখ-স্পর্শে ধীরে, আরো ধীরে, গোলাকার সবুজ জলের স্পন্দন দ্যাখে; অস্থির পাখি সুস্থির হয়ে নেমে ডুবে যায় জলে কখন ক-খ-ন যেন......... জলজঘ্রাণে মেতে ওঠা পাখির ভুবন পাখির পালকে ফোঁটা ফোঁটা সবুজ জল, অসুখের সুখ পোহানো। জলের বুকে সাদা-নীল মেঘগুলো কালোছায়া হয়ে নেমে আসে… [বিস্তারিত]
বলেছিলো আমার এক প্রেমিকা- মেয়েদের অন্তর্বাসের আর এক নাম কাঁচুলি, খুব আবেগ নিয়ে তার কাঁচুলি দেখতে চেয়েছিলাম; জবাবে সে মৃদু হেসেছিলো। কেউ দিয়েছিলো ঠোটে- নোনা স্বাদে অমৃতের ছোয়া; অপেক্ষায় থাকতাম সে অমৃত পানের। অন্যজন জানিয়েছিলো ঋতুস্রাবকালে নাভিদেশে ব্যাথার কথা। মুচকি হেসে বলেছিলাম, এসো তোমার ব্যাথায় আদর করে দেই। আমার প্রেমিকারা অনেক কিছু শিখিয়েছিল; কিন্তু, তাদের… [বিস্তারিত]
একটা কুসুমিত পথের ধারে নির্বাক কথার চিন্হ থাকে - ব্যাক্তিগত নৈব্যর্তিক অপেক্ষার ধূলিকণা পাক খায় গল্পের মতো, নির্জন গল্পমালা টুপটাপ টুপটাপ ঝরে পরে চুপচাপ। একটা সুঘ্রান সকাল পাক খায় কুয়াশার মতো - সফেদ বিছানা আর সুখী চেহারার চারিপাশের মায়া ঘিরে, ধোঁয়া ওড়া কফির বুদবুদের সাথে ভেংগে যেতে থাকে সৌভাগ্য। ভালোবাসার বুকের ভেতর নীল - ভালোবাসার… [বিস্তারিত]
দেরাজের কোনে পরে থাকা একা নীল খাম - তার বুকের ভেতর জমে থাকা রোদ্দুর, মেঘ তার শরীর জুড়ে জমে থাকা ধূলো ; অবসাদ। কোনের আধাঁর জুড়ে পরে থাকা মৃত কাঠগোলাপের ঝাড় - তার কন্টকময় শরীর জুড়ে আবছায়া সুখস্মৃতি, বেদনা আর বুকের ভেতর বিস্তীর্ণ অতীত ; আবছা নীল আকাশ। সিঁড়ির মুখে বসে নিস্তব্ধতায় ডুবে থাকা বিষন্নতা… [বিস্তারিত]
ভাবছি, যাব-না আর জলাভূমির ব-দ্বীপে, ঘন্টা-মিনারে চোখ-ফেলে-রেখে চোখে আঁকবোনা অগণন ফুলের দেশ, প্রথম কুড়িফোটা সৌরভে প্রজাপতি-রং মেখে, প্রজাপতির বেশে, কিন্তু! আকাল-মরণ শেষে বৈশাখের সকাল-রৌদ্র যে হাঁট বসিয়েছে, জাঁকিয়ে সে হাসছে এবারে! ঠোঁট উঁচিয়ে!! সকাল-নির্জনতায় প্রায় প্রতিদিন-ই দেখা হতো শঙ্কাহীন-স্রোতস্বিনী-হেজাবীসকালের সাথে, ভাবনাহীন-বৃত্তে, ডুবো-নদীর পারে, স্বপ্নে-পাওয়া জল-স্পর্শে; সকালের হাঁটা-পথে, সময়ের সু-বিপুল তারতম্য ভেদে অনিয়মের-নিয়মে, অগাধ বিস্ময়ের সবুজ… [বিস্তারিত]
তুমি এসো, নির্জন অন্ধকারকে ম্লান করে দিয়ে এসো। স্নান করাও পৃথিবীকে আরেকটিবার তোমার নতুন আলোয়; সমস্ত আকাশের স্তব্ধতা মিলিয়ে দিয়ে বেজে উঠুক তানপুরায় সুর, "এ কী সুগন্ধহিল্লোল বহিল, আজি প্রভাতে, জগত মাতিল তায়!" তুমি এসো, অন্যরূপে, পূর্ণ করে দাও যতো অপূর্ণতা আছে পুরোনো স্মৃতি-জরা-জীর্ণতাকে পেছনে ফেলে রেখে নীরবতার ভেতর দিয়ে এসে ঝড় ওঠাও তোমার ঝড়ের… [বিস্তারিত]
আকাশের রঙ পাল্টে যায় - প্রতিটি বেগোনভিলিয়ার মতো, অ-সুখী বেগুনি, অথচ তার বুকের ভেতর রঙহীন সাদা। প্রতিটি বিষন্নতা গন্ধফুলের পরাগরেনু মেখে ছুয়েঁ দিতে চায় দিন, দেখেনা আকাশচুরি হয়ে গেছে। নীল নেই আর, বুকের কাছে মৃত চড়াই - শক্ত হিম পাখায় সাবেক স্বাধীনতার ঘ্রাণ। উচ্ছসিত আলোর ছটায় মগ্ন সকলই - বেগোনভিলিয়ার বুকের রঙের আকাল, চড়াইয়ের মৃত… [বিস্তারিত]
দুখিঃত বলিনি কখনো - ভেবেছি বলবার প্রয়োজনই নেই। আমি দুঃখ পেলে জেনেছিলাম - তোমার স্বর বিষন্নতার ফুল ফোঁটায়। তোমার বুকে ডাকে মেঘ, জল ছলকায়। তাই, দুখিঃত বলিনি কখনো, ভেবেছি বলবার প্রয়োজনই নেই। জানিনি কখন অঙ্গুলীস্পর্শ ছেরে হয়েছি সূদূর এমন, দুরত্ব বেড়ে কবে হয়েছে এমন পরবাস - অয়নান্তরেখায় দাড়িয়ে স্থির জানতেও পারিনি, আমি আর নেই কিছুতেই… [বিস্তারিত]
ইদানিং আবার অকবিতা লিখি, আমি কেউনা। আমি শুধুমাত্র চোলাই মদে ডোবা মদ্যপ কবি.. ১।তোমার উন্মুক্ত কাঁধে বৃষ্টির কামুক নৃত্যনাট্যে আমার দেয়াল, চিরকুট ভেজেনি.. ২। একজন মানুষ কাউকে না বলে মরে যায় একটা শামুকের নিঃশ্বাসে কাউকে না বলেই জন্মে শ্যাওলা একটা বোকা চিল সমুদ্রের খোলস ঠোঁটে নিয়ে উড়ে যায়... ৩।মন ভিজে গ্যাছে রোদ্দুরের পেয়ালায় নতজানু চুম্বনে...… [বিস্তারিত]
তুমি ছাড়া আমার কোন গন্তব্য নেই তুমি ছাড়া আমার কোন স্বপ্ন নেই তুমি ছাড়া আমার কোন অশ্রুপাত নেই তুমি ছাড়া আমার কোন বেঁচে থাকা নেই আমি চিরদিন তোমায় ছুঁয়ে বাঁচতে চাই। তুমি ছাড়া আমার কোন হাসি নেই তুমি ছাড়া আমার কোন গান নেই তুমি ছাড়া আমার কোন স্পন্দন নেই তুমি ছাড়া আমার কোন বন্ধন নেই… [বিস্তারিত]
একদিন দেখা হয়ে যাবে ঠিক - নিরাকপরা ভাদ্র দুপুরে, চেনা শহরের গলিপথে ; অথবা জৌলুসহীন কোন অনাত্মীয় নগরে। একদিন ঠিক দেখা হবে। ততদিনে, তোমার মসৃণ ত্বকে আকুঞ্চন আমার চোখের আলো ক্রমশ ম্লান, বয়সী খোলসে আটসাঁট দুইজন ; অচিন মানুষ। কাছাকাছিই দাড়াবো হয়তো - চিনে নিতে লাগবে খানিকটা সময়, অতলে চাপা ব্যথার পাথর গড়ালেই উঠবে সুঘ্রান,… [বিস্তারিত]




