ফড়িঙের মতো একটা জীবন যদি পাওয়া যেতো, অনুভূমিক পাখায় ভর দিয়ে এদিক থেকে ওদিক ইচ্ছেমতো ঘুরে বেড়াতাম। "যে জীবন ফড়িঙের,দোয়েলের-মানুষের সাথে তার হয়নাকো দেখা" সত্যি কি তাই! কেন আমি তবে মানুষ হোলাম? বেনোজলে খড়কুটো হয়ে ভেসে গেলে একদিন হয়তো ঠিক সমুদ্রে মিশে যাওয়া যেতো। যদিও সমুদ্র ভালো লাগেনা আমার। তবুও কোথাও তো যাওয়া হতো! কতোদিন… [বিস্তারিত]
বিভাগ: কবিতা
দক্ষ রাধুনির মত বলেছিলে “ছুয়ে দেখো,কিচ্ছুটি হবেনা- কুসুম গরমে তুমি উষ্ণ হবে” “লাল নীল প্রজাপতির মত তুমিও রঙ্গিন হবে,উড়তে শিখবে” ক্ষত ভুলে উপশমের আশায় আমি ছুয়ে দেখেছিলাম তোমায় সেই থেকেই আমি জ্বলছি পুড়ে সোনা খাটি হয় জানি প্রিয়তমা আমি যে মানুষ বর্ণান্ধ হিন্দুর মত প্লিজ আমাকে ছাই হয়ে উড়তে দিও না ।। [বিস্তারিত]
নিশুতি জাগে, জাগে রাত্রি নিশাচর শুনে গাছেদের খশ খশ শব্দ, ফিসফাস দূরে কোথাও কুকুর ডাকে কুঁউউ মরণ শব্দে এই ডাকে নিশ্চয় শবেরাও জেগে উঠে সচরাচর মরণ সুরে জেগে উঠে পাড়ার চৌকিদার হাঁক দিয়ে বলে জাগো, জেগে উঠো রাত্রি চোরেরাও জেগে থাকে সুযোগের অপেক্ষায় আমিও জেগে উঠি ছটফট করে ভাবি তুমিও কি জেগে উঠো এইসময় ভাবো… [বিস্তারিত]
তোমাকে আমার প্রয়োজন কেন সেকথা বলি ! তুমি আমার জন্মস্থান, আমার পৃথিবী- যখন সময় যন্ত্রণা নিয়ে হৃদয়ে নামে তখন তোমার আকাশ একদিকে তপ্ত অন্য দিকে অশান্ত বৃষ্টির ক্রন্দন ক্রমশ । তুমি আমার জন্মস্থান, আমার পৃথিবী । তোমাকে আমার প্রয়োজন কেন সেকথা বলি- তোমার বক্ষে আমার শান্তি,জীবনের অর্থনীতি অভাব হতো না কখন কোনও মুহূর্তে সঞ্চয়ে- ব্যয়ে… [বিস্তারিত]
তুই, যাকে আমি কোনো এককালে ভালোবেসেছিলাম। উদ্দেশ্যহীনভাবে ভালোবেসেই যাচ্ছিলাম। বিষণ্ণ ছায়া ভেবে কখনোবা ক্যামেলিয়া ফুল। কখনো দেখেছিস ক্যামেলিয়া ফুল দেখতে কেমন? প্রেমহীন আলোর ভেতরে আমি খুঁজে যাচ্ছিলাম নীল আগুণ। যেখানে রোজ নিজেকে জ্বালাতে আর পোড়াতে রেখে দিতাম শুকনো কাঠের মতো। জানিস কয়লা যখন আগুণে পোড়ে সে কাঁদে? শুধু তার নাম দিয়েছি স্ফুলিঙ্গ। রোজ কতো কতো… [বিস্তারিত]
সে এসেছিলো গতরাতে যাকে আহবান করে দুইদিন আগেও কবিতা লিখেছিলাম। যার অপেক্ষায় ঘন্টার পর ঘন্টা তৃষ্ণার্থ হৃদয়ে হাহাকার চিত্তে প্রহর গুনেছি। যাকে কামনা করেছি প্রতিটি নি:শ্বাসে প্রশ্বাসে। যার অনুপস্থিতিতে শরীর-মন-দেহে পানিশূন্যতা বিরাজ করার দ্বারপ্রান্তে। সে এসেছিলো গতরাতে, গভীর রাতে যখন আমি অঘুরে ঘুমুচ্ছিলাম। তার নুপুরের রিমঝিম সুরেলা আওয়াজ আমার আধজাগা কানে এসেছিলো। তার আচল দোলানো… [বিস্তারিত]
কবিতা দ্রোহের স্বর (ম্যাগাজিন) আমি তো ধ্রুপদী আকাশ দেখে গুটিয়ে রাখা পা বাড়ানোর পথে। শামুক শামুক চিৎকার শুনে কচ্ছপ গতির মানবিক আমি বুনে, আবারো গুটিয়ে ফেলেছি। শামুক শামুক! আমি তো হিমেল হাওয়া দেখে পোড়ানো একটুকরো মাংস নিয়ে। ছাই ছাই চিৎকার শুনে আদ্র ন্যাংটো ঝরা-পাতার মত, তলিয়ে গিয়েছি আমি। ছাই ছাই! মোমের আলো জ্বালাতে গিয়ে চৈত্রের… [বিস্তারিত]
আবারো বয়স বাড়লো তিনশো পঁয়ষট্টি দিন। জন্ম হলো নতুন ভাঁজের, মৃত্যুঞ্জয়, তোমাকে রোওওওজ স্বপ্ন দেখি। একটি শীত কমলো বাঁধা না মেনেই যে চারাগুলো রোপণ করেছিলাম সেখান থেকে একটি আর বেঁচে ওঠেনি, জাতিস্মর, আর কতো অপেক্ষা? যেভাবে বেঁচে থাকি, যেভাবে বেঁচে থাকে সবাই তার ভেতরেই মরে গেলো একটি চৈতী সয়ে যাওয়া মৃত্যুচোখেই ভাবি কবে আসবে তুমি?… [বিস্তারিত]
অলস দুপুর, সূর্যের প্রকট তাপে ঘেমে নেয়ে একাকার শরীর বাতাসটাও বিদঘুটে, আরামের ছোঁয়াও দেয়না পাশের ছাদে দুই শালিক খুটে খুটে খায় আপন মনে যেন গরমে তাদের কিছু আসে যায়না হতাস মনে পায়রার দল ঘুটুর ঘুটুর করে ফন্দী আঁটে এক সাথে উড়ে গিয়ে শালিকদের আসে পাশেই যেয়ে বসে শ্রান্ত মনে আমি জানালার গ্রিল ধরে তাকিয়ে থাকি… [বিস্তারিত]
অ) কতোটুকু চেনো তুমি নিজেকে? কমা, সেমিকোলন নাকি বিস্ময়কর যতি! আমি বলি, “এটুকুই চিনি, তোমার ওই প্রশ্নের মতোই!” (আ) কি চাইবার আছে আর! মরুভূমি পেয়েছি, সমুদ্রও; দু’ চোখেই আমার। (ই) পাহাড়ের গায়ে আকাশ নাকি মেঘ? কি জানি কোনটা! যেমন উদ্দেশ্য আর বিধেয়, না কি! (ঈ) বিত্তহীন নদী দেখো, গাঙচিলেরও দেখা মেলেনা; সাঁতার? নাহ! (উ) আরেকটি… [বিস্তারিত]
সোনেলা ব্লগের জন্য লেখা----- বৈশাখ সাজে সোনেলা--/অরুণিমা মন্ডল দাস প্রবন্ধ “পয়লা বৈশাখ” আমাদের দেশে যেমন পালিত হয় তেমন প্রবাসী বাঙালীরাও খুব আনন্দের সংগে পালন করে থাকেন। বাঙালীদের রক্তে যেন পয়লা বৈশাখের সাজ মিশে আছে। পয়লা বৈশাখ কি? কেন? বাংলা সনের প্রথম দিনকেই বা বৈশাখের প্রথম দিনকেই পয়লা বৈশাখ হিসেবে ধরি। ওইদিন আমরা নতুন বস্ত্র পরিধান… [বিস্তারিত]
তোমাদের যখন রাতের আকাশে সবান্ধবে তারা দেখা, আমার তখন তারা ঝিকমিক আকাশ একলা একা। তোমাদের যখন প্রেমিকার আঁচলে হালকা আকাশী নীল আমার তখন বিশাল আকাশ প্রশান্তি অনাবিল। তোমাদের চোখে বিষাদের ছায়া প্রেমিকের বিচ্ছেদে আমার তখন হৃদয় পোড়ে পাখির আর্তনাদে। তোমাদের বুকে মাথা গুঁজে প্রেমিকারা যখন কাঁদে, এদিকে আমার পোষা বিড়ালটা বায়নায়, আহ্লাদে। তোমাদের কান্না ধুয়ে… [বিস্তারিত]
জোড়াসাঁকো ঠাকুর পরিবারের মাটিতে রামধনু রঙে উজ্জ্বল প্রতিভার গভীর সাগর¡ ধান ভাঙতে ভাঙতে হঠাৎ খই ¡ সোনার খনিতে হীরের জ্বলে ওঠা¡ পড়ার টেবিল ,পুকুড়পাড় বড় বট গাছ ছোট্ট রবিঠাকুর কে দেখছে ,শেখাচ্ছে নিরবতার অগ্নিদগ্ধ পাঠ ,জ্ঞানের গুরুবাক্য¡ স্নিগ্ধ দুটো চোখের গভীরতায় হারিয়ে যাচ্ছে প্রকৃতি¡ পেন থেকে লেখা ঝরার আগেই চোখ ঝলসে কাব্য ¡ লক্ষণগন্ডীতেও অবাধ… [বিস্তারিত]
মাগো, আমায় এমন একটি পহেলা বৈশাখ দে না যেখানে থাকবে না কোন ভয় বটমূলে যাবার থাকবে না কোন সংশয়, আমায় এমন একটি পহেলা বৈশাখ দে না। মাগো, আমায় এমন একটি পহেলা বৈশাখ দে না বাবার হাতটি ধরে হাটি হাটি পায়ে প্রত্যুষে নির্ভয়ে রমনা বটমূলে যাওয়া, আমায় এমন একটি পহেলা বৈশাখ দে না। মাগো, আমায় এমন… [বিস্তারিত]
একটি ছড়ার জন্মকথা # ‘নাক ভাঙ্গা বাঘ’ নামে আমার একটি ছড়া আছে। ব্লগে আজকে ছড়াটি শেয়ার করবো। ছড়াটির একটি ইতিহাস আছে, তাই ছড়াটির পিছনের কিছু কথা বলতেই হয় । ছোট ছোট ছেলেমেয়েদের পড়ালেখা করানো খুবই কষ্টের বিষয়। অনেকেই এই কাজটি সহজে পারেন না। কারণ ছোট শিশুদের আব্দার থাকে বেশী, তারা নানা রকম বাহানা তুলে পড়ালেখা… [বিস্তারিত]







