বিশ্বের নামকরা একটি হাসপাতাল "পাবনা মেন্টাল হাসপাতাল"।অনেক পরিচিত এটা।আর আমাদের বাংলাদেশের আঞ্চলিক ভাষায় "পাবনা পাগলা গারদ" ওই হাসপাতালে একটা বিখ্যাত ঘটনা বলছি। তিন বন্ধু ভোম্বল, কম্বল, সম্বল ।অনেকদিন আগে থেকেই মেন্টাল হাসপাতালে ভর্তি।একদিন তিন বন্ধু তুমুল ঝগড়া শুরু করল একপর্যায়ে মারামারি ।তিনজনের একই কথা আমরা সুস্থ হয়ে গেছি আমাদেরকে ছেড়ে দেন।মারা মারির এক পর্যায়ে হাসপাতালের… [বিস্তারিত]
বিভাগ: সাহিত্য
খোলা পিঠে ভেজা মেঘের আনাগোনা, দুষ্টু বাতাসে আলিঙ্গনে মাখামাখি; তেজদীপ্ত সূর্যটা কপোলে বসে খেলছে ছোঁয়াছুঁয়ি- অশুচি নিয়ম ভঙ্গ করে। ছোট্ট পাখিটা বৃষ্টিস্নাত কুন্দলতায় দুলছে কুসংস্কারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের ঝড় তুলে। রাতের বাসি প্রেম মুখ লুকিয়েছে পরিপাটি চাদরের নিচে; প্রেমিক তুমি অভিসার রচিছো শুভংকরের ফাঁকি মেপে। অঝোর বৃষ্টিতে ছিদ্রিত মন চুপসে গেল দলছুট রঙ্গনের মিতালী সেজে। শুকনো… [বিস্তারিত]
কবিতার ভাব মুখর আজ মৃত প্রায়! চোখের কালোকেশি মেঘে আষাঢ়ের ঘনঘাটা- অথচ কবিতার চঞ্চলতা নেই- আকাশে ঘুড়িও নেই; কদম ফুলের মিষ্টি হাসি ছড়িয়ে গেলো কোথাও? বিস্মৃতির পথে, রক্তাক্ত কাটায় থুবরে খেয়েছে। অতঃপর আষাঢ়ের গায়ে জ্বর সর্দি হলেই বা কি? শ্রাবণ তো প্রস্ত্তত, এক গলা উঠন কিংবা ভরা নদী- শুধু একদিন জানবে আষাঢ়ের ক্যাকা ছিল প্রণয়;… [বিস্তারিত]
জনমটা কেউ রাখতে চাইলে সর্বে, আজ বিবেক তার গড়তে হবে উচ্চে। ছোঁয় না যেন কাল তা অতি গর্বে, জনমটা কেউ রাখতে চাইলে সর্বে। থাকতে হবে মত্ত পরের পর্বে, ময়ূর যেমন তুষ্ট আপন পুচ্ছে। জনমটা কেউ রাখতে চাইলে সর্বে, আজ বিবেক তার গড়তে হবে উচ্চে। ছবি: সোনেলা গ্যালারী থেকে। [বিস্তারিত]
পাখ পাখালি উঠল ডেকে কাটল রাতের ঘোর শিউলী জবা আনল বুঝি সুবাসমাখা ভোর। নদীর জলে ঢেউ টলমল সুর উঠেছে বেশ পাহাড়টাকে বলছে ডেকে দুঃখ হবে শেষ। আকাশ বলে দেখেছ কি তারার দেশে দেশে রঙ ঝলমল পরির মেয়ে উঠছে কেমন হেসে। বাতাস প্রাণে দিচ্ছে দোলা নাচছে হিমেল রোদ জোছনা জ্বোনাক ডাক দিয়েছে আলোর অবরোধ। সবুজ মাঠের… [বিস্তারিত]
অভিমানি রাগ, করতে পারে আত্মহত্যা; এই সংকটময় সময়ে বড় অভাগা কপাল- আর কত সময় অতিবাহিত হলে চৌদ্দ কলার স্বাদ পূর্ণ হবে অথচ অবোঝ মন প্রতিনিয়ত হাঁটছে আত্মহত্যা এভাবে চলে যাচ্ছে-চলে গেলো তাজা প্রাণ; তবুও থামছে না এতটুকু রাগ অভিমান ভাবছে না আর, ফিরে আসবে না আত্মহত্যা! রাগের পূর্বপাশে একটু ভেবে দেখো দেখো মৃত্যুর যন্ত্রনা ভয়ঙ্কর… [বিস্তারিত]
স্বরবৃত্ত ছন্দঃ ৪+৪/৪+১ ওরে খোকা, ওরে খুকি দেখবি তোরা আয়, কদম গাছে কেয়া গাছে ফুল ধরেছে হায়। ফুলের সাথে পাখির সাথে ভ্রমর গাইছে গান, ওরে খোকা ওরে খুকি শুন না ফেলে কান। কদমের সাথে কেয়া ফুলের মধুর হাসি হয় খোকা খুকি মন খুশিতে নদে নৌকা বয়। কদম কেয়া তুলে এনে নানা খেলা হয় বর্ষারাণী কদম… [বিস্তারিত]
করোটিটা ঝুলে গেলে এটলাসের উপর, অক্ষিগোলক দুটি সার্চলাইটের মতো পাক খায়, শানে বাঁধা পুকুরে, শহুরে বিষাক্ত জংলায়! হুড়মুড় করে নেমে আসে মেঘ, একটা স্মৃতির কাছিম ধীর পায়ে হেঁটে যায়, তার চোখে শতবর্ষী অপেক্ষা আজো দীপ্যমান, দেখেও দেখিনা তাকে আর, হয়তো এ আমার এক অনতিক্রম্য অভিমান! প্রচন্ড আলোয় দুপুরের ভয়ে চুপসানো রঙ্গন, আমিও চুপসে থাকি, মহাবিশ্বের… [বিস্তারিত]
আমি হব রোজ প্রভাতের সেই চঞ্চল পাখিটা যে সবচেয়ে বেশি সপ্ত হর্ষে গান গায়। আমি হব রোজ নিশির সেই তারকাটা যে সবচেয়ে বেশি আলো ছড়ায় অন্ধকারে। আমি হব রোজ তটিনীর সেই কলকল ধ্বনিটা যে সবচেয়ে বেশি শ্রুতি মধুর। আমি হব রোজ শাদ্বল দূর্বাদলের সেই ঘাসটা যে সবচেয়ে বেশি ধেনুর কাছে অতি প্রিয়। আমি হব রোজ… [বিস্তারিত]
এই নদী নক্ষত্র দেশে, আমি তো এসেছি অচিনপুর থেকে মুসাফিরের বেশে। থাকব কয় দিন, সৃষ্টিকর্তা আয়ু রেখেছে যতদিন । তারপর চলে যাব যে কোথায়, সৃষ্টিকর্তা নিয়ে যাবে যেথায়। যেখানকার খবর কেউ নেই নেবার সুখ বা দুঃখের নেই কেউ শোনার। রচনাকালঃ ২৯/০৪/২০২১ [বিস্তারিত]
কান্নারা সব তখন আমার গলায় দলা বেঁধে অপেক্ষা করছে বেরুবার। তন্ময় কি বুঝেছিল জানিনা। ন্যাড়া মাথায়, মলিন আধমরা একটা গোলাপ হাতে আমার সামনে সামান্য ঝুঁকে এলো। পৃথিবীতে বোধহয় এই প্রথম কেউ এভাবে প্রেম নিবেদন করছে। ‘I love you so much,,, Never leave me.’ উত্তর কি হবে আমার জানা নেই! কারন আমি তো তাকে ছাড়ছি না,… [বিস্তারিত]
যদি তোমার হাত কেটে ফেলা হয়। যদি খনার পুনরাবৃত্তি হয় আদালতের রায়। যদি দৃষ্টি কেঁড়ে নেয়া হয়। যদি অপারেশন সার্চ লাইট চলে তোমার কলিজায় । তবুও তুমি থেমো না। যমদূতের কাঁধে ভর দিয়ে হলেও লিখে যেয়ো একটি কবিতা। মুক্তিকামী মানুষের কবিতা। ঘামে ভেজা শ্রমিকের কবিতা। কাঁধে শিশু নিয়ে ইট ভাঙা মায়ের কবিতা। বাসে নিষ্পেষিত হওয়া… [বিস্তারিত]
জল কাঁদার মতো ভেসে যাচ্ছে অপবাদ! সোনালি রোদ্দু শূন্যেই জমাট বাঁধা মেঘ- শুধু শুধু ঘর শূন্য করচ্ছে এ ফসলি আবাদ; মাঠগুলো অন্ধ হয়েছে আলোতেও দেখে না নদী ভরা জল কাঁদার কথা ভাবে না- অথচ স্বপ্ন দেখে চোখ জোড়া ছিড়াকাথার নিদ্রায়; তবুও সব অপবাদ আকাশ ছুঁয়া তারার হাত- শুনতে চাই ভোর ক্লান্ত সূর্যমুখির এত অপবাদ। ২৬… [বিস্তারিত]
কারো কারো জীবন এমন বৈচিত্র্যময়! যাদের কোলে বসেই ঘুমায় বৈপরিত্য। যেমন, তোমার কণ্ঠে কণ্ঠে বাজে বিপ্লবী শ্লোগান, অথচ নূপুরের ঝংকারে নাচে সবিরোধী কলরব। তুমি ঘৃণা কর অন্ধকার, অথচ প্রতীক্ষায় থাক রাত্রি নামার। কেননা সূর্য হারালেই নেমে আসে-- তারকাখচিত বর্ণিল আকাশ। তোমার যেমন চাঁদকে সূর্য মনে হয়, আমারও তেমনি সূর্যকে চাঁদ। [বিস্তারিত]
পদ্মা নদীর পাড়ি, হাঁস সারি সারি, করছে ওরা স্নান, পদ্মার কালো জল, করছে যে টলমল, হয়নি তো ম্লান । নদীর তীরে সব, বিহগের কলরব মনোরম দৃশ্য, চলন্ত পথযাত্রী, গভীর হল রাত্রি গ্রীষ্মের স্বচ্ছ দৃৃশ্য । পূর্ব দিগন্তের শেষে, নানান রঙের বেশে শিশুরা করে খেলা, শাপলা শালুক তুলে, বাহারি রকমের ফুলে বিকেলে প্রজাপতি মেলা। রচনাকালঃ ২৭/০৪/২০২১ [বিস্তারিত]



















